খুলনায় যেভাবে বঙ্গবন্ধু পুনরাবির্ভূত হলেন
ড. শেখ আবদুস সালাম
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। তারিখটি বাংলাদেশের মানুষ তথা বিশ্বমানবতার জন্য একটি কালো দিন। এই দিনে তৎকালীন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভ্রান্ত একদল সদস্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করে। সেদিন ঘাতকেরা শুধু বঙ্গবন্ধু বা তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেনি, এই হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বস্তুত তারা বাংলাদেশের অস্তিত্বকেই মুছে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ তথা বাংলাদেশের কিছু দর্শন যেমন : জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং সমাজ প্রগতি এসব ছিল সমর্থক। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা এবং এসব অপরিহার্য চেতনাগুলোকে বিনাশ করতে মূলত সেদিন তারা মানবসভ্যতাকে কুঠারাঘাত করেছিল।
বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ঘাতকদল প্রথমেই সেদিন দখল করে নিয়েছিল বাংলাদেশ বেতার এবং টেলিভিশন ভবন। ৩০ লাখ মানুষের জীবনের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশে রেডিও পাকিস্তানের নামকরণ করা হয়েছিল বাংলাদেশ বেতার। মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে এবং স্বাধীন বাংলাদেশে মানুষের উজ্জীবনের জন্য প্রাণের উচ্চারণ ছিল ‘জয় বাংলা’ স্লোগান। ঘাতকেরা বেতার ভবন দখল করেই বাংলাদেশ বেতারের নাম পাল্টে ফেলল রেডিও বাংলাদেশ। ‘জয় বাংলা’ স্লোগান প্রতিস্থাপিত হলো ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ দ্বারা। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ক্ষমতার কেন্দ্রে উঠে এলো খন্দকার মোশতাক। বঙ্গভবনে বসে তাকে কেন্দ্র করে বঙ্গবন্ধুর খুনি সেই ঘাতকদল দেশ পরিচালনা করতে শুরু করল। বঙ্গবন্ধুর প্রাণহীন দেহটি তারা সমাধিস্থ করল দেশের এক নিভৃত পল্লীতে- টুঙ্গিপাড়ায়। এভাবে বঙ্গবন্ধুকে রাজনৈতিক দৃশ্যপট থেকে বিদায় করে তার লাশ অনাদর আর অবহেলায় টুঙ্গিপাড়ায় লুকিয়ে রেখে দাপটের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্ষমতার মসনদেই শুধু বসল না; শুরু করল আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির এক নগ্ন খেলা। বাংলাদেশকে তারা ফিরিয়ে নিতে চাইল সম্পূর্ণ সেই পুরনো পাকিস্তানি ভাবধারায়। সর্বাত্মক চেষ্টা নিল বঙ্গবন্ধুকে মানুষের মন থেকে উপড়ে ফেলতে।
আমরা তখন কলেজের ছাত্র। আমি খুলনার দৌলতপুর বিএল কলেজে সে সময় অর্থনীতিতে অনার্স পর্যায়ে লেখাপড়া করি। ১৫ আগস্টের সকাল না হতেই নিস্তব্ধতার এক কালো ছায়া যেন সমগ্র বাংলাদেশের আনাচে-কানাছে ছড়িয়ে গেল। সেদিনের ভোর পেরিয়ে দুপুর-বিকাল-রাত, এমনিভাবে দিন-সপ্তাহ-মাস…। দেশের সবকিছু যেন ঝিমিয়ে পড়ল। খুনির রাজত্বে মানুষের বাকশক্তিও যেন রুদ্ধ প্রায়। এভাবে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুভার আর প্রাণের আকুতি নিয়ে সেদিন থেকে মাস-বছর ধরে মানুষ যেন বুকে কেবল পাথরচাপা দিয়ে রইল। মানুষের মনে চাপা এই ভার প্রকাশের আকুতি ছিল কিন্তু যেন কোনো সুযোগ ছিল না। আমরা সেদিন কয়েকজন ছাত্রকর্মী এবং বন্ধুরা মিলে সিদ্ধান্ত নিলাম যে, বঙ্গবন্ধুর এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের একটি প্রতিবাদ হওয়া দরকার। আজ সেই বন্ধুদের কথা খুবই মনে পড়ছে। সেদিনের খুলনার ছাত্রনেতা ফিরোজ আহমেদ, মানিক সাহা, বয়রার শেখ আবু জাফর এরা আজ কেউ বেঁচে নেই। তারাই ছিল সেদিনের ঘটনার নায়ক। আমিসহ এরা মিলে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদের একটা পন্থা বের করলাম। সময়টি হবে সম্ভবত সেপ্টেম্বরের শেষ কিংবা অক্টোবরের (১৯৭৫ সাল) মাঝামাঝি সময়ে। বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করলেই তখন সরকারের লোকেরা কিংবা পুলিশ নির্ঘাত তাকে জেলে নিয়ে যেত, অত্যাচার আর মারধর তো রয়েছেই।
আমি এক সময় দৌলতপুর ফুলবাড়ী গেট এলাকায় থাকতাম। আমি তখন বিকালে ফুলবাড়ী গেটে বনলতা প্রিন্টিং প্রেসে বসে আড্ডা দিতাম। প্রেসটির মালিক ছিলেন সিরাজুল ইসলাম নামে এক ভদ্রলোক। আমদের বয়সী, বাড়ি গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়ায়। সিরাজ ভাই ছিলেন এক সচ্ছল পরিবারের সদস্য, বাবার একমাত্র সন্তান। তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগ রাজনীতির একজন কড়া সমর্থক, বঙ্গবন্ধুর এক অন্ধ ভক্ত। প্রেসটি ছিল যশোর রোডের একেবারেই পাশ ঘেঁষে এবং পাশে ছিল একটি ছোট মাদ্রাসা। আমরা পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর ওই প্রেসে বসে অতি সতর্কভাবে একটু-আধটু রাজনীতির আলাপ করতাম। কারণ তখন সময়টা এমন ছিল যে, খুনি সরকারের সমর্থক, পুলিশ, এমনকি আওয়ামী-বাকশালবিরোধী যে কোনো রাজনৈতিক শক্তির যে কেউ এমনকি জাসদ, ভাসানী ন্যাপের সমর্থক ছাত্ররাও বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করার অপরাধে (!) যে কোনো লোককে হেনস্থা করতে পারত এবং তখন তারা তা করতও।
যা হোক, একদিন বিকালে দৌলতপুরে এসে আমার বন্ধু ও খুলনার তৎকালীন ছাত্রনেতা ফিরোজ আহমেদ এবং শেখ আবু জাফর আমার সঙ্গে দেখা করে জানাল যে, বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করে পোস্টার বা লিফলেট কিছু একটা ছাপানো যায় কিনা। আমি ফিরোজ আহমেদ এবং শেখ আবু জাফরকে নিয়ে সিরাজ ভাইয়ের বনলতা প্রিন্টিং প্রেসে চলে গেলাম। সিরাজ ভাই যথারীতি চা-বিস্কুট আনিয়ে আপ্যায়ন করলেন। একপর্যায়ে রাজনীতির আলাপ থেকে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদের বিষয়টি সামনে চলে এলো। আমরা ফাঁকা জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আলোচনা করলাম কিভাবে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের একটা প্রতিবাদ করা যায় এবং এ ব্যাপারে সিরাজ ভাই কিভাবে আমাদের সাহায্য করতে পারেন। আমরা বললাম এ সময় কোনোরকম সভা অনুষ্ঠান বা মিছিল বের করা অসম্ভব। একপর্যায়ে আলোচনা করা হলো কিছু পোস্টার প্রয়োজনে হাতে লিখে তা বিএল কলেজের দেয়ালে সেঁটে দেওয়া যায় কিনা? কিন্তু তাতেও ভয় আছে কারণ বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন এবং জাসদ ছাত্রলীগের ছেলেরা সেখানে খুবই সক্রিয়। এ ঘটনার দু-তিনদিন পর জাফর আমাকে বলল বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে কিছু লিফলেট ছেপে একটু গেরিলা কায়দায় তা বিলি করলে কেমন হয়? তবে লিফলেটটি ছাপার দায়িত্ব নিতে হবে আমাকে। কারণ সিরাজ ভাইয়ের প্রেস আছে এবং তার সঙ্গে আমার খাতির বেশি। আমি এসে ওইদিন সিরাজ ভাইকে আমাদের ভাবনার কথাটি জানিয়ে তাকে একটি লিফলেট ছেপে দেওয়ার প্রস্তাব দিলাম। বললাম আপনার দায়িত্ব শুধু নিউজপ্রিন্ট কাগজে এক-দুই হাজার লিফলেট ছেপে দেওয়া। সিরাজ ভাই রাজি হলেন। বললেন ম্যাটার দিয়ে যান, গোপনে গোপনে ছাপতে হবে। কবে ছাপব তাও জানি না। তবে যেদিন এবং যখনই ছাপা শেষ হবে ঠিক তখনই এগুলো নিয়ে যাবেন, প্রেসে ছাপা লিফলেট এক ঘণ্টাও রাখা যাবে না। কারণ গোয়েন্দারা সব সময় ওয়াচ রাখে। আমি পরদিন কলেজে গিয়ে ফিরোজ এবং জাফরকে বিষয়টি বললাম। ফিরোজ লিফলেটটির ড্রাফট করার দায়িত্ব নিল। দুইদিন পর ‘যতকাল রবে পদ্মা-মেঘনা-গৌরি-যমুনা বহমান; ততকাল রবে কৃতি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান’ এই শিরোনাম দিয়ে লিফলেটের জন্য বক্তব্যের ড্রাফটটি আমাকে আর জাফরকে বুঝিয়ে দিল। আর বলল সম্ভব হলে লিফলেটের উপরের এক কোনায় বঙ্গন্ধুর একটি ছবি দেওয়া যায় কিনা। মানিক সাহা তখন খুলনা শহরের ছাত্রনেতা। মানিকও এ সময় সেদিন ফিরোজের সঙ্গে বিএল কলেজে এসেছিল এবং আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। মানিক লিফলেট বিতরণের পরিকল্পনা করল।
দুদিন পর ফিরোজ এবং মানিক এসে বিএল কলেজে লিফলেটটির ড্রাফট আমাদের হাতে দিল। আমি এবং জাফর বিকালে সিরাজ ভাইকে লিখিত ম্যাটার পৌঁছে দিলাম। ছাপানোর সময় তাকে লিফলেটের কোনায় বঙ্গবন্ধুর একটা ছবি দিতে অনুরোধ করলাম। সিরাজ ভাই এটা করতে সাহস করলেন না; ছবি ছাড়াই উনি ছেপে দেওয়ার আশ্বাস দিলেন। বললেন ছবি থাকলে ছাপানোর সময় তা যে কোনো লোকের চোখে পড়তে পারে এবং তা বিপদের কারণ হতে পারে। তিনি পরবর্তী ছুটির দিন অর্থাৎ শুক্রবার জুমার নামাজের আগে যোগাযোগ রাখতে বললেন। ঠিকই শুক্রবার ১২টার দিকে আমি এবং জাফর আমরা বনলতা প্রিন্টিং প্রেসে গিয়ে হাজির। মানুষ জুমার নামাজের প্রস্তুতি নিচ্ছে, প্রেসের পাশের মাদ্রাসাও লোকশূন্য, রাস্তাঘাট ফাঁকা এমন একটি সময়ে সিরাজভাই আমাদের হাতে লিফলেটের পাঁচটি বান্ডিল তুলে দিলেন (এক বান্ডিলে দুইশ করে মোট এক হাজার লিফলেট)। আমরা তা নিয়ে রিকশা, বাস কিংবা স্কুটারে করে না গিয়ে ফুলবাড়ী গেট থেকে সোজা রেললাইন ধরে হেঁটে দৌলতপুর বিএল কলেজ মডেল হোস্টেলে চলে গেলাম। সেখানে শেখ জালাল নামে আমাদের এক বন্ধুর রুমে বিছানার নিচে এগুলো রেখে দিলাম। জালাল আমাদের এ ব্যাপারে খুবই সাহায্য করল, খানিকটা ঝুঁকিই নিল বলা যায়।
শুক্রবারে সাধারণত সিনেমা হলগুলোতে ছবি পরিবর্তন হয়। ওইদিন দর্শকের ভিড়ও থাকে বেশি। ওই সন্ধ্যায়ই সন্ধ্যাকালীন শো’র বিরতির সময় দৌলতপুর মিনক্ষী হল, খালিশপুরের চিত্রালী হল, বয়রায় বৈকালী হল এবং খুলনায় পিকচার প্যালেসে কাজটি করতে হবে। ফিরোজ আহমেদ তখন দৌলতপুরের শেখ মনিরুজ্জামান (একসময় খুলনা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ও পরে শ্রমিক নেতা) ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করে বৈকালী এবং চিত্রালী হলের দায়িত্ব তাকে দিয়ে এলো। মনির ভাই দায়িত্ব নিলেন যে, আনসার ফ্লাওয়ার মিল বা অন্য কোনো জায়গা থেকে লোক দিয়ে ওই দুটি হলে লিফলেট থ্রো’র কাজটি তিনি করাবেন। ফিরোজ আহমেদ নিজে এক প্যাকেট নিয়ে খুলনায় চলে গেল খুলনা শহরে অবস্থিত পিকচার প্যালেসে থ্রো করার জন্য। দৌলতপুর মিনক্ষী হলের দায়িত্ব পড়ল জাফর এবং আমার ওপর। মডেল হোস্টেলে এক প্যাকেট লিফলেট জালালের রুমে রয়ে গেল। যথারীতি ওইদিন সন্ধ্যায় খুলনা, দৌলতপুর এবং খালিশপুরে নির্দিষ্ট চারটি সিনেমা হলে লিফলেটগুলো থ্রো করা হলো এবং তা নির্বিঘ্নেই ঘটল।
পরের দিন বিএল কলেজসহ খুলনা, খালিশপুর সর্বত্র এই ঘটনা মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ল। আমরা ব্যাপারটি নিয়ে খুবই পুলকিত হলাম। বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা আর সহানুভূতিশীল বহু মানুষের মধ্যে এ ঘটনাটি বেশ নাড়া দিল। তিন-চার দিন যাওয়ার পর আমরা আবারও কলেজে মিলিত হয়ে আলাপ করলাম যে, এরপর কি করা যায়? আমরা ভিতরে ভিতরে খুবই উত্ফুল্ল। ফিরোজ, জাফর, মানিক এরা ঠিক করল এক-দুই সপ্তাহ পর দৌলতপুর বিএল কলেজ, খুলনা সিটি কলেজ এবং সুন্দরবন কলেজে ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার চাই’ শুধু এই স্লোগান দিয়ে কয়েক মিনিটের জন্য একটি ঝটিকা মিছিল (তাও একই সময়ে—যখন টিফিনের ঘণ্টা বাজবে তখন) বের করতে হবে। মিছিল শেষ করতে করতে সবাইকে কলেজগুলো থেকে কেটে পড়তে হবে। খুলনা থেকে আসা ১৫-২০ জন ছাত্র ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার চাই, খুনিদের রক্ষা নাই’ এই স্লোগান মুখে নিয়ে দৌড় দিয়ে একটি ঝটিকা মিছিল শুরু করল এবং লিফলেটগুলো থ্রো করতে লাগল। মিছিলটি যখন কলেজ পুকুরের কোনায় পোস্ট অফিসের কাছাকাছি এলো তখন বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন এবং জাসদ ছাত্রলীগের লোকজন ধর ধর করে আমাদের ধাওয়া দিল। আমরা মিছিল থেকে সটকে পড়লাম। ওরা মানিক সাহাকে ধরে ফেলল। নিজেরা মারধর করল এবং একপর্যায়ে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিল। পুলিশ মানিককে গ্রেফতার দেখিয়ে পরদিন জেলে পাঠিয়ে দিল। আমরা কয়েকদিন গা-ঢাকা দিয়ে থাকলাম। মানিক সাহা প্রায় বছরকাল পরে জেল থেকে বেরিয়ে এসে একসময় সম্ভবত খুলনা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি হলো। মানিক, ফিরোজ, জাফর আমৃত্যু বঙ্গবন্ধুকে হৃদয়ে লালন করে গেছে। আমি তাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা জানাই। আমার দেখা (এবং নিজেরও অংশগ্রহণ) মতে এভাবে পঁচাত্তর সালের ১৫ আগস্টের পর খুলনায় বঙ্গবন্ধু পুনরাবির্ভূত হলেন। কালো এই আগস্ট মাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।
লেখক : অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬০জন ৩৬০জন
0 Shares

১০টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ