অদৃশ্য সুতোর টানে অদ্ভুত ঐ লাইনটার দিকে এগিয়ে চলা….

    কে জানি একজন! কিছু বোঝার আগেই একটা অদৃশ্য সুতো হাতটায় বেধে দিল। সুতোটা সারাক্ষণ আমায় সামনের দিকে টেনে নিয়ে চলেছে। মাঝে মাঝে যখন সুতো টানে এগিয়ে চলায় বিরক্ত হয়ে দাড়িয়ে পড়তে চাই তখন বুঝতে পারি, এই সুতোটার টানের ক্ষমতা। আমার সর্বশক্তির প্রয়োগের পরও সে সেটা উপেক্ষা করে সে তার দিকে আমাকে টেনে হেঁচড়ে [বিস্তারিত অদৃশ্য সুতোর টানে অদ্ভুত ঐ লাইনটার দিকে এগিয়ে চলা….]

শহুরে প্রশান্তির গল্পের খোঁজে….

    সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে আর সবার মত আমার রাত হয় না। আমার খোঁজের শুরুটাই হয় ঐ সময়টাতে। আমি প্রশান্তির গল্প গুলি খুঁজে বেড়াই এই শহরের কোলাহলের ভীরে। পরিচিত মুখ গুলি যখন আপন আলয়ে ফিরে যাবার জন্যে ব্যাকুল হয়ে ছুটাছুটি লাগায় তখন আমি তাদের মাঝেই দাড়িয়ে সময় কাটাই। আমার তো আপন আলয় বলতে কিছু [বিস্তারিত শহুরে প্রশান্তির গল্পের খোঁজে….]

ধ্বংসস্তূপে সব হারিয়ে

  ইব্রাহীম, বয়স ৭ বছর। দুষ্ট দুষ্ট চেহারার চমৎকার মিশুক একটা ছেলে। তার বাবার বাজারে একটা ফলের দোকান আছে। মসজিদের সামনে যে খেলার মাঠটা রয়েছে তার দক্ষিণ দিকে তাদের কলোনি। রোজ বিকেলে আজিজ চাচার ছেলে ফারুকের সাথে ঐ মাঠেই খেলে সে। আজিজ চাচাও তাকে অনেক আদর করে। মাঝে মাঝে বাজার থেকে ফিরে আসার সময় ফারুক [বিস্তারিত ধ্বংসস্তূপে সব হারিয়ে]

জোছনার পেছনে ঐ আকাশটাকে দেখার গল্প

আকাশকে বলেছিলাম, আমার দুঃখ গুলি তোমার কাছে বিক্রি করবো কিছু উজ্জ্বল জোছনার বিনিময়ে। তুমি আমার দুঃখ গুলি তোমার আকাশে মেঘ করে ভাসিয়ে নিয়ে যেও। দূরে কোন আগ্নেয়গিরির উপর সেই মেঘের বর্ষণ রূপে ঝড়িয়ে দিও।     সে আমার কথা শুনে পাগলের প্রলাপ মনে করেছিল। ভুল বুঝে দূর থেকে দূরে অবস্থান নিয়েছিল। এতটা দূরে যে এখন [বিস্তারিত জোছনার পেছনে ঐ আকাশটাকে দেখার গল্প]

দাসত্বের মুক্তি

আস্তাবলে ফিরে যেতে ইচ্ছে করছে না। কিন্তু যেতেই হবে, আর তো কোন উপায় নেই হাতে। সন্ধ্যার আগে পৌছতে না পারলে উটকো ঝামেলা হিসেবে শেয়ালের দেখা মিলবে রাস্তায়। তাই এখুনি ফিরে যাবার জন্যে রওনা দিয়ে দিলাম। জেসি একটু খোঁড়াচ্ছে আজ। এতটা পথ একসাথে এসেও আমার মত হাঁপিয়ে যায় নি জেসি। সামনের বাম দিকে পা’টা একটু একটু [বিস্তারিত দাসত্বের মুক্তি]