সোনেলা প্রান্তরে, ভ্রমরার গুঞ্জরে

তখন ব্লগিং-এর স্বর্নালী সময় ছিল। আর বাংলা ব্লগোস্ফিয়ারে মোটামুটি একছত্র আধিপত্য ছিল সামহয়্যারইন ব্লগের। কিন্তু দলাদলি, কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি, নাস্তিকতা সহ বহুবিধ কারণে এই ব্লগটাতে কখনো স্থিরতা-প্রশান্তি ছিল না। বেহিসেবি ব্লগার থাকার কারণে মান নিয়ন্ত্রণও সেভাবে হয়নি। কারিগরি সমস্যা ছিল। ব্লগাররা বলতে গেলে বেকায়দাতেই ছিলেন। এই সময়টাতে আমাদের হাতে এল প্রথমআলো ব্লগ। প্রথমআলো ব্লগ চমৎকার। দেখতে [বিস্তারিত সোনেলা প্রান্তরে, ভ্রমরার গুঞ্জরে]

গোলাপবাবা (পর্ব-১)

১ জটাধারী সুনিপুণ দক্ষতার সাথে আরেকটা একশ’ টাকার নোটকে লাল টকটকে গোলাপ বানিয়ে ফেললেন। আমি লক্ষ্য করলাম, সামনে বসা পৌঢ় লোকটা অল্প অল্প কাঁপছে! পলাশদের গ্রামে এসেছি গোলাপবাবাকে দেখতে। দেড় মাস হল এই বাবা এখানে আস্তানা পেতেছেন। পলাশ বলছিল- ‘দোস্ত, প্রথমে আমিও বিশ্বাস করিনি। কিন্তু এখন বাবার কার্যকলাপ দেখে একটা সম্ভ্রম চলে এসেছে।’ আমি বললাম- [বিস্তারিত গোলাপবাবা (পর্ব-১)]

ঘোর

পায়ের কাছে খসখস শব্দ হচ্ছে। জাহেদ চেষ্টা করছে চোখ না খুলতে, কিন্তু চোখ খুলে যাচ্ছে! এর আগেও এরকম হয়েছে। না চাইলেও মাঝে মাঝে হাত-পা, বিশেষ করে চোখ হুটহাট একটা কিছু করে বসে! ব্যাপারটা বিরক্তিকর। এই যেমন এখন, জাহেদ জানে শব্দটা কীসের। পায়ের কাছে গুটিসুটি মেরে কেউ বসে আছে; এটা দেখার জন্যে চোখ খোলার দরকার নেই, [বিস্তারিত ঘোর]

চোর

মধ্যরাতে, ঝড়ের সাথে, বজ্রপাতে, জানের ভয়ে ছুটছি আমি নিচ্ছি না দম তিলেক। ঐ দেখা যায় আবছা কায়ায় দখিন পাড়ায়, আশায় বসে মেয়ে আমার। সামনে শুধু বিল এক। রহিম চাচার বাড়ির মাচার ডিমের খাঁচার কয়েকটা ডিম নিলাম নাহয়, দোষ কি খুবি তাতে? কিন্তু ওরা কী বেয়াড়া! করছে তাড়া, খুব নিরীহ এই আমাকে একলা গভীর রাতে। সন্ধ্যে [বিস্তারিত চোর]

ইচ্ছে পূরণ

জীবনে কখনো এমন সিদ্ধান্তহীনতায় পড়িনি। টুটুল যেটা বলছে সেটা কোনোমতেই মানতে পারছি না আমি। অথচ এরকম সময়ে ওর অনুরোধ রাখব না, এটা ভাবতে গেলেও খারাপ লাগছে। ইচ্ছে করছে ছুটে বেরিয়ে যাই এই ফিনাইলের গন্ধভরা ঘরটা থেকে। পারছি না, টুটুল আমার হাত চেপে ধরে আছে। গত অক্টোবরে ওর ক্যান্সার ধরা পড়ে। শুরুর দিকে ওকে জানাইনি। কিন্তু [বিস্তারিত ইচ্ছে পূরণ]