তারপর জিসান ভাইয়া এলেন। ভাইয়ার সহায়তায় সোনেলা ব্লগে নিবন্ধিত হলাম। ভাইয়া বললেন পোস্ট করতে। আমি একাউন্ট লগইন করলাম তারপর কয়েকটা পোস্ট পড়লাম মন্তব্য করলাম টুকটাক। এবার যখন আমার পোস্ট করার পালা এলো তখনই বেঁধে গেলো যতো বিপত্তি। এই রে ব্লগ তো ফেইসবুকের মতো নয়! তাইলে কেমন করে পোস্ট করবো ব্লগে? আমি ভাইয়ার কাছে জানতে চাইলাম… [বিস্তারিত]
বিভাগ: স্মৃতিকথা
প্রিয় প্রাঙ্গণে আগমন.... আমার লেখালেখির বয়স খুব অল্প সময়ের। ২০১৭ সাল থেকে টুকটাক টুকরো টুকরো অনুভূতি প্রকাশ করতাম ফেবুতে। ফেইসবুকে একজন মানুষের সাথে পরিচয় হলো আমার 'সোহেল আহমেদ'। আমি উনাকে দাদাভাই বলে সম্বোধন করতাম। উনার সাথে টুকটাক কথা হতো। উনি সবসময় উৎসাহ দিতেন লেখার ব্যাপারে। একদিন বললেন সুরাইয়া আমি তোমাকে একটা গ্রু এ্যাড করে দিচ্ছি।… [বিস্তারিত]
#ডাউন মেমোরি লেন -২ আমার সবথেকে ছোট বয়সের যে স্মৃতি আবছা হয়ে মনে পড়ে, তা হলো দক্ষিনেশ্বরের ঘাটে আমায় ডুবিয়ে স্নান করানোর একটা সাদাকালো মুহূর্ত। মায়ের কাছে শুনেছি তখন আমার বয়স দু থেকে আড়াই হবে। সাদাকালো বললাম এই কারনে, যে কোনো এক সিঁড়ির বাম প্রান্তে, দু হাতে ধরে আমাকে দু তিনবার ডুব দেওয়ানো ছাড়া আর… [বিস্তারিত]
#ডাউন মেমোরি লেন - ১ বহুদিন দরজার বাইরে পা রাখিনি। ব্যালকনি দিয়ে ফালি করা আকাশ দেখি। হাত বাড়িয়ে আলো ছুঁই... বাতাস মাখি। টবের গাছগুলোতে মুখ ডুবিয়ে ঘ্রাণ নিই জীবনের। ছোটবেলার কথা হানাদারের মত আছড়ে পড়ে স্মৃতিতে তাদের অলঙ্ঘ্য দাবি নিয়ে। আমার ফুল কুড়োনো সকাল, পুকুর ঝাঁপানো দুপুর, মন্টুবাবুর আমবাগানে আমমাখা জড়ানো বিকেল। গৌতম মাস্টারমশাই এর… [বিস্তারিত]
জীবনের গল্প-২০ এখানে ☚ জীবনের গল্প-১৯-এর শেষাংশ:☛ জায়গার নাম ফুলিয়া। সেই বাড়িতেই তোমরা থেকে বাড়ি দেখাশুনা করবে। এতে ভালোই হবে।' এই বলেই কানাই আমার বাসা থেকে চলে গেলো ওদের বাসায়। পরদিন আমি নগর খানপুর রতন চক্রবর্তীর সাথে দেখা করে বিস্তারিত আলাপ আলোচনা করে ভারত যাবার প্রস্তুতি নিই। তারপর কানাইর সাথে ভারতের উদ্দেশে রওনা হলাম। সাথে… [বিস্তারিত]
জীবনের গল্প-১৯ এখানে ☚ জীবনের গল্প-১৯-এর শেষাংশ:☛তখন কালীগঞ্জ শুভাঢ্যা ইউনিয়ন এলাকার পরিস্থিতি এতটাই খারাপ ছিলো যে, ভাড়া বাড়ি থেকে প্রাণভয়ে বাচ্চা-কাচ্চা নিয়ে মিলের ভেতরে থাকতাম। মিলের ভেতরে অন্তত তিন-চার দিন সপরিবারে অবস্থান করেছিলাম। বাবরি মসজিদ নিয়ে সেসময়ে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা তুলে ধরলাম। ভারতের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ কিন্তু ভারতীয় উগ্রবাদী হিন্দু সম্প্রদায় ধংস করে ১৯৯০… [বিস্তারিত]
জীবনের গল্প-১৮এখানে ☚ জীবনের গল্প-১৮-এর শেষাংশ:☛ একসময় আড়াইউল্লা নিয়ম করে কানাই, কালাম-সহ নতুন বউয়ের সাথে তার ছোট ভাইকে নিয়ে আমি চলে আসি নারায়ণগঞ্জ নন্দিপাড়া নিজের বাসায়। এর দুইদিন পরই বৌভাত অনুষ্ঠান। বউভাত অনুষ্ঠানে দুই মিলের লোক-সহ প্রায় ১০০জন লোকের আয়োজন করা হয়। এরপর থেকে চলতে লাগলো, স্বামী-স্ত্রীর সাংসারিক জীবন। তারপর থেকে মা আর বোন মরা… [বিস্তারিত]
ট্রেন থেকে নেমেই টিকেট চেকারের হতে ধরা খেলাম, ভাবছিলাম প্রথমে একটু এদিক সেদিক ঘুরা ফেরা করে ফাক বুঝে স্টেশন থেকে বেড়িয়ে যাবো। কিন্তু সেই সুযোগ আর হলো না। তবে আশার কথা হলো আমি একা নই, আরো বেশ কয়েকজন বিনা টিকেটে ভ্রমণ করার জন্য ধরা খাইলো। চেকার আমাদেরকে স্টেশনের এক কোনে নিয়ে টাকা আদায় করার জন্য… [বিস্তারিত]
জীবনের গল্প-১৭ এখানে ☚ জীবনের গল্প-১৭-এর শেষাংশ:☛ তখন ঠাকুরবাড়ির সবাইর এমনই থমথমে অবস্থা ছিলো। কিন্তু না, সেদিন তেমন কোন খারাপ পরিস্থিতিতে আমার পড়তে হয়নি। খুব সুন্দরভাবে আমি একাই নয়াবাড়ি গ্রামের ঠাকুরবাড়িতে জামাই-আদরে দুইদিন থেকে নারায়ণগঞ্জ ফিরে আসি। বাসায় আসার পর আমার বড় দিদি জিজ্ঞেস করলো, কোথায় গিয়েছিলি।' সত্যি কথাই বললাম, 'বিক্রমপুর গিয়েছিলাম।' বড় দিদি জিজ্ঞেস… [বিস্তারিত]
জীবনের গল্প-১৬ এখানে ☚ জীবনের গল্প-১৬-এর শেষাংশ:☛ কালাম নৌকা বেয়ে সুবচনী বাজার নিয়ে এলো। ঢাকার লঞ্চে না ওঠা পর্যন্ত লঞ্চ ঘাটেই ছিলো। একসময় লঞ্চ আসলে কানাই আর আমি লঞ্চে উঠলাম। লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে রওনা রওনা হলো। মাঝপথে ফতুল্লা লঞ্চঘাট নেমে নিজের বাসায় চলে গেলাম। ঈদের ছুটি শেষ হতে একদিন বাকি। একদিন পরই মিল চালু হচ্ছে।… [বিস্তারিত]
জীবনের গল্প-১৫ এখানে ☚ জীবনের গল্প-১৫-এর শেষাংশ:☛ সত্যিই তো, মেয়েতো কয়েকবারই দেখেছি। কিন্তু ভালো করে তো দেখতে পারলাম না। আচ্ছা আবার আসুক! মনে মনে এই বলেই বেশ কিছুক্ষণ ঘাটে বসে থাকতাম, আবার দেখার আশায়। এরমধ্যেই কালাম বাজার থেকে এসে হাজির হল। কালাম পুকুর ঘাটে এসেই বললো, 'ওস্তাদ বাড়ি চলেন খাবেন!' কালামকে খুবই ব্যস্ত দেখাচ্ছিল। সেসময়… [বিস্তারিত]
ঢুকতেই আমরা মুগ্ধ হয়ে যাই!!! ফ্লোর দেখে চোখ যেনো ছানাবড়া !!!!!!!!! জীবনের প্রথম ইন্টার্ভিউ দিতে যাওয়া। উত্তেজনাপূর্ণ মূহূর্ত। কারণ জীবনের প্রতিটি "প্রথম" উত্তেজনা পূর্ণ হয়ে থাকে। যা আমরা এক্সাইটেড , নার্ভার্সনেস সব মিলেয়েই বলে থাকি...তেমনি কিছু। ইন্টার্ভিউ শেষে আমি নিশ্চিত ছিলাম আমার বান্ধবি মুন্নাকেই ডাকা হবে। কারণ সে যথেষ্ঠ স্মার্ট। তাকে বলে বলেই হাঁটতে হাঁটতে… [বিস্তারিত]
জীবনের গল্প-১৪ এখানে☚ জীবনের গল্প-১৪-এর শেষাংশ:☛ দুইদিন পর থেকে কাজ জয়েন্ট করবো বলে, অফিস থেকে বের হলাম। নিচে এসে সব তাঁতিদের সাথে দেখা করে মিল থেকে বের হওয়ার সময় মিস্ত্রি আমার হাতে ২০০/= টাকা দিয়ে বললো, এটা আজকের কাজের মজুরি। ২০০/= টাকা থেকে কানাইকে ১০০/= টাকা দিয়ে মিল থেকে বের হয়ে বাসায় চলে গেলাম। বাসায়… [বিস্তারিত]
জীবনের গল্প-১৩ এখানে☚ জীবনের গল্প-১৩-এর শেষাংশ:☛লোকটার কথা শুনে বললাম, আজ আর যেতে পারবো না। আপনি ম্যানেজার সাহেবকে বলবেন, নিতাই আগামীকাল বিকালবেলা এসে দেখা করবে।’ আমার কথা শুনে লোকটা চলে গেলো। কিন্তু আমি ভাবতেছিলাম! নতুন মিল। কোরিয়ান মেশিন। এখানেই বা কাকে দিয়ে যাই। এসব নিয়েই ভাবছিলাম! ভাবতে ভাবতেই সারাদিন কানাইকে নিয়ে ফাইন টেক্সটাইল মিলে কাজ করলাম!… [বিস্তারিত]
জীবনের গল্প-১২ এখানে☚ জীবনের গল্প-১২-এর শেষাংশ:☛ খেলাম শরবত। এরপর কালামের মা আমাদের হাতমুখ ধুয়ে আসার জন্য বললো। কলাম হাতমুখ ধোয়ার জন্য আমাদের নিয়ে গেলো, একটা পুকুরের সিঁড়ি ঘাটে। পুকুরের সিঁড়ি ঘাটটা হলো এক হিন্দু বাড়ির। পুকুর ঘাট থেকে হাত-পা ধুয়ে কালামদের বাড়িতে আসলাম। ভাত খেলাম। কিছুক্ষণ বিশ্রাম করলাম। কালামদের ঘরে খাওয়া-দাওয়া করে মনে করেছিলাম, সেদিনই… [বিস্তারিত]











