বাংলাদেশের কিছু রহস্যময় স্থান ও ঘটনা

মানুষ মাত্রই কৌতুহলী আর সেই কৌতুহল যদি হয় রহস্যের সন্ধানে তবেতো এ্যাডভেঞ্জার জীবনের মজাই আলাদা।বিশ্বে বিভিন্ন স্থান ঘটনার রহস্যময় তথ্যের সাথে আমাদের বাংলাদেশেরও বেশ কিছু রহস্যে ঘেরা স্থান ও ঘটনা রয়েছে।এ সব রহস্যময় ঘটনা নতুন প্রজন্মের নিকট অবিশ্বাস্য হলেও এ যাবৎকাল রূপকথার ভিত্তিতে সত্য বলেই চলে আসছে।তাই আজ আমাদের প্রিয় মার্তৃভুমি বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে [বিস্তারিত বাংলাদেশের কিছু রহস্যময় স্থান ও ঘটনা]

ভারতের বিষ্ময়কর কিছু স্থান এবং ঘটনা

বিশ্বে ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি প্রজাতন্ত্র রাষ্ট্র।ভৌগোলিক আয়তনের বিচারে এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র যার জনসংখ্যা ১৩০ কোটির উপরে যা জনসংখ্যার বিচারে এই দেশ বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক জন বহুল এবং পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। দেশটির মোট আয়তন ৩২,৮৭,২৬৩ বর্গ কিলোমিটার। এই বিশাল আয়াতনের দেশে রয়েছে অসংখ্য রহস্যাবৃত্ত স্থান ঘটনা যার অনেক [বিস্তারিত ভারতের বিষ্ময়কর কিছু স্থান এবং ঘটনা]

ডার্ক চকোলেট

ডার্ক চকোলেটের কথা শুনলে কার না জিভে জল আসে, আমি এক বসাই বেশ কিছু চকোলেট খাই, চায়নার হুবাই শহরে ঘুরতে গিয়ে খুঁজে পেয়েছিলাম কাডবেরির ডাভ (dove) নামে এক ডার্ক চকলেট, কিনে নিয়েছিলাম গোটা বিশেক চকোলেট, কি তার স্বাদ উফ্ বুঝাতে পারবোনা, এই চকোলেট বাংলাদেশ, ভারত কোথাও নেই বা এভেইলেবল না, মুখে লেগে আছে। জানেন নিশ্চয় [বিস্তারিত ডার্ক চকোলেট]

এদেশে ১৯৭৪ সালের আগেও নীরব দুর্ভিক্ষ ছিল

স্বাধীন বাংলাদেশে  দুর্ভিক্ষ বলতে কি ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষকেই বোঝায়? আমি বলি না! সে-সময় তো বাংলার কিছু মানুষ ক’দিন ভাতে কাপড়ে কষ্ট করেছিল। সে-সময় তো ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা দেশ। যা একটা পোড়া বাড়ির মতো ছিল অবস্থা।  তাহলে অভাব তো একটু আধটু থাকার কথাই। তাই বলে কি এখনো ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের দুর্গন্ধটা অনেকের নাকে লেগে থাকবে? গন্ধটা [বিস্তারিত এদেশে ১৯৭৪ সালের আগেও নীরব দুর্ভিক্ষ ছিল]

বাহে’র গল্প-০১ (উত্তরবঙ্গ ও মফিজ শব্দের ব্যাখ্যা জানুন)

হ্যা, আমরা উত্তরবঙ্গের মানুষ মফিজঃ —————————————————- উত্তরবঙ্গের মানুষকে মফিজ কেন বলা হয় জানেন কি? তাহলে শুনুন- গাইবান্ধা জেলার প্রত্যন্ত এক গ্রামের স্বল্পশিক্ষিত অত্যন্ত সৎ একজন ড্রাইভার ছিলেন মফিজ। তাঁর শেষ জীবনের সঞ্চয় এবং বাবার দেয়া সামান্য জমি বিক্রয় করে ঢাকা রুটের একটা পুরাতন বাস ক্রয় করে ঢাকা- গাইবান্ধা রুটে বাসটি চালু করলেন। গরীব দরদী মফিজ [বিস্তারিত বাহে’র গল্প-০১ (উত্তরবঙ্গ ও মফিজ শব্দের ব্যাখ্যা জানুন)]

মাজারের দেশে গড়ে ওঠা এক মাজারের গল্প

এক মাজারের দেশে এক লোক ছিল। লোকটি ছিল খুবই গরিব। লোকটির দাদার এক গাধা ছিল। দাদার মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে গাধার মালিক হলেন লোকটির বাবা। লোকটির বাবা ওই গাধা দিয়ে হাটবাজার থেকে ব্যবসায়ীদের মালামাল বহন করে সংসারের খরচ যোগাতেন। একদিন লোকটির বাবা মৃত্যুবরণ করলেন। সংসারে খানাওয়ালা বলতে এক মেয়ে আর স্ত্রী মিলে তিনজন। জায়গা সম্পত্তি [বিস্তারিত মাজারের দেশে গড়ে ওঠা এক মাজারের গল্প]

“না-পাকিদের পাঠ্য বই এবং মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১”

বলতে পারেন পৃথিবীতে সব চেয়ে দামী  কে?শুধুই পৃথিবীতে!এই জগৎ যিনি সৃষ্টি করেছেন তার কাছেও সবচেয়ে ব্যাক্তি তিনি হলেন মা।মা হচ্ছে পৃথিবীর সেই প্রানী যার সাথে অন্য কোন কিছুর তুলনা চলে না।এর ব্যাখ্যা আমার চেয়ে আপনার আরো বেশী জানা আছে।আর আছে উপরে সাত আসমান নীচে পায়ের তলায় মাটি ও মানুষ।যে কোন দেশের কথা বলতে পারি না [বিস্তারিত “না-পাকিদের পাঠ্য বই এবং মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১”]

“পশ্চিম পাকিস্থানের পূর্ব বাংলায় যত অপকর্ম-যার ফসল স্বাধীনতা যুদ্ধ”

বিশ্বে দেশমার্তৃকার তরে যতগুলো যুদ্ধ হয়েছে সবগুলো যুদ্ধ বা সংগ্রামে ছিল দুটি পক্ষ।এক শাষক এবং শোষিত।আমাদের বেলায়ও তাই হয়েছিল নাপাকিস্থান ছিলো শাসক আর আমরা পূর্ব পাকিস্থান ছিলাম শোষিত জনতা।আপনি বা নতুন প্রজন্ম যারা জানেন না পূর্ব বাংলায় নাপাকিদের শোষনের মাত্রা কেমন ছিলো কেনই বা একটি ভূ-খন্ডের  জনগণ জীবন মরন বাজী রেখে একটি স্বাধীন সার্বোভৌমত্ব রাষ্ট্রের [বিস্তারিত “পশ্চিম পাকিস্থানের পূর্ব বাংলায় যত অপকর্ম-যার ফসল স্বাধীনতা যুদ্ধ”]

ঐতিহ্যবাহি চট্টগ্রামের মেজবান

  বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি মানুষেরই ইচ্ছে হয় চট্টগ্রামের মেজবান একবার খেয়ে দেখবেন আর যারা একবার খেয়েছেন তারা বারবার খেতে চান, অনেকে তো চট্টগ্রামের বন্ধু বান্ধদের চেপে ধরেন মেজবান হলে নিয়ে যাওয়ার জন্য, কিন্তু অনেকে মেজবানের নাম শুনলেও ইহা কি, কতো উপাদেয় খাদ্য তাহা বুঝতে পারেননা, হটাৎ আজ নিচের লেখাটি পেয়ে ভাবলাম সকল বন্ধুদের জন্য শেয়ার [বিস্তারিত ঐতিহ্যবাহি চট্টগ্রামের মেজবান]

আমার জন্মভুমি “সিদ্ধিরগঞ্জ”৫ম পর্ব-“মুক্তিযুদ্ধ”৩য় খন্ড

যুদ্ধের ভয়াবহতা সর্বোত্র শুরু হয়ে গেল।যুদ্ধে গেরিলা বাহিনী নাপাকিদের ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ এর বিভিন্ন স্থাপনায় অতর্কিত আক্রমন করে নাপাকি সামরিক জান্তাকে ব্যাতি ব্যাস্ত করে তুলেন।বিদ্যুত কেন্দ্র,রেডিও টেলিভিশন অফিস,বড় বড় হোটেল,রেল ষ্ট্যাসন,বিপণী কেন্দ্র ইত্যাদি স্থাপনাতে গেরিলারা একের পর এক হামলা করতে থাকে তারই ধারাবাহিকতায় সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুত কেন্দ্রেও গেরিলা হামলার প্লান করেন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধারা। নিউজ নারায়ণগঞ্জ বরাতে [বিস্তারিত আমার জন্মভুমি “সিদ্ধিরগঞ্জ”৫ম পর্ব-“মুক্তিযুদ্ধ”৩য় খন্ড]

আমার জন্মভুমি “সিদ্ধিরগঞ্জ”০৫পর্ব-মুক্তিযুদ্ধ ২য় খন্ড

বন্দর রেল লাইন অপারেসন: ডিসেম্ভর মাস বিজয় আসন্ন।মুক্তিযুদ্ধে বাংলার দামাল ছেলেদের সাথে পুরোপুরি যোগ দিলেন মিত্র বাহিনী ভারতের সেন বাহিনীরা।১৫ই ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় এম.পি সিং এর নেতৃত্বে ৪টি গ্রুপ করে চার দিকে রেকি করতে বের হয়।প্রথম গ্রুপে নেতৃত্বে ছিলেন গিয়াস উদ্দিন বীর প্রতীকে,দ্বিতীয় গ্রুপে সাহাবুদ্দিন খান সবুজ ও এন.পি. সিংহের নেতৃত্বে, তৃতীয় গ্রুপে নেতৃত্বে ছিলেন- জি.কে [বিস্তারিত আমার জন্মভুমি “সিদ্ধিরগঞ্জ”০৫পর্ব-মুক্তিযুদ্ধ ২য় খন্ড]

আমার জন্মভুমি “সিদ্ধিরগঞ্জ”০৫পর্ব-(মুক্তিযুদ্ধ) ১ম খন্ড

জন্ম ভুমি নিয়ে লিখছি বলে জন্মভুমির সৃষ্টির রহস্যটা লেখায় একটু না আনলে কি হয়।১৯৭১ সাল দীর্ঘ নয়টি মাসের সংগ্রামে রক্তে ভেজাঁ লাল সবুজের পতাকাটি বিশ্ব মানচিত্রে স্থান পায় যার নেতৃত্বে তিনি ছিলেন বঙ্গ বন্ধু শেখ মজিবর রহমান।ত্রিশ লক্ষ তাজাঁ প্রানের বিনিয়ে প্রায় দশ লক্ষাধিক মা বোনদের ইজ্জত বিলিয়ে আসে কাঙ্খিত বিজয়।খুব সম্ভবত বিশ্বে সম্ভ্রমহানীর এমন [বিস্তারিত আমার জন্মভুমি “সিদ্ধিরগঞ্জ”০৫পর্ব-(মুক্তিযুদ্ধ) ১ম খন্ড]

আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল এবং ফুটবল বিশ্বকাপ-২০১৮

বাঙ্গালী রক্তের রন্দ্রে রন্দ্রে মিশে আছে খেলাধূলা।গ্রাম বাংলায় জাতীয় খেলা কাবিডি হতে শুরু করে ফুটবল,দাড়িয়া বান্ধা,গোল্লাছুট,ঢাং গুডি প্রভূতি খেলা হতো খুব জাকজমক ভাবে।ফুটবল খেলা ছিলো পাড়ায় মহল্লায়।দেশে ফুটবলের ইতি কথাগুলো একটু আলোচনা করলে বুঝা যাবে স্বাধীনের পর পরই মুলত ফুটবলের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের জোক বাড়তে থাকে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এর তত্ত্বাবধানে ১৯৭২ সালে ঢাকায় ফুটবল [বিস্তারিত আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল এবং ফুটবল বিশ্বকাপ-২০১৮]

সোনেলায় চার বছর

আধখাওয়া পঞ্চমীর চাঁদ পরে থাকে অবহেলিত সিগারেটের খালি প্যাকেটের সেলোফোনে লেপ্টে, শিয়রে আধখোলা জানালার ফাঁকে জ্বলে উঠে মিলিয়ে যায় পরিচিত নীলচে আগুন। জোনাকি বলে মনকে দেই চোখ ঠারানো শান্তনা। মন সব বোঝে, তবু ছেলেমানুষী শান্তনায় চোখ বুজে থাকে। অতিদূর সমুদ্রের পারে বীনা বাজায় কোন অন্ধ কবি, আর খেয়াঘাটের শুন্যতার সাথে সঙ্গত করে যায় খেয়ালী বাউল। [বিস্তারিত সোনেলায় চার বছর]

“বাংলাদেশ টেলিভিশন ও কিছু কথা”

সেই বহু আগের কথা তবে আমার দৃষ্টিতে মনে হয় এইতো সে দিনের কথা।কি সবুজ শ্যামল পরিবেশটিই না ছিলো সে সময়ে।আমাদের এলাকাটি মানে সিদ্ধিরগঞ্জ বাজার নারায়ণগঞ্জ এলাকাটি তখনো মফস্বল অঞ্চল অথচ অতি নিকটেই ছিলো ঢাকা শহর,ছিলো এশিয়ার বৃহত্তম আদমজী পাটকল,ছিলো দেশের অন্যতম বিদ্যুত কেন্দ্র তবুও ছিলো খাল পুকুরের ছড়ছড়ি,ছিলো ভরপুর গাছ গাছালি,তখনো শীতলক্ষ্যা নদীর শাখা নদী [বিস্তারিত “বাংলাদেশ টেলিভিশন ও কিছু কথা”]