কখন যেন রমাকান্তর ঘুমটা জেঁকে বসেছিল। স্ত্রী, শৈলবালার আঃ আঃ বেদনা সূচক আওয়াজে তিড়িং করে উঠে বসলেন বিছানায়। ভোরের আলোর আবছায়ায় দেখলেন, স্ত্রী তাঁর পা চেপে বসে ব্যথায় কাতরাচ্ছে ! --কি হল তোমার ? --এটা তোমার কাজ ? ব্যথা ভুলে যেন স্ত্রীর পাল্টা আক্রমণ। --কি ? অবাক হয়ে রমাকান্ত বলে উঠলেন। --তুমি গ্লাস ভেঙ্গেছ ?… [বিস্তারিত]
বিভাগ: গল্প
সত্যের সন্ধানে ক্ল্যু খুজতেঁ বের হয়েছেন সাংবাদিক রায়হান আহম্মেদ।সাংবাদিক রায়হান আহম্মেদ তাহার নিজ এলাকা প্রেস ক্লাবের কার্যকরী সদস্য।সে সমাজ সেবক গরীব দুঃখীদের কষ্টের গল্পের ভাগিদার এবং যাহা সত্য তাহাই লিখি এমন সব সূত্রে বিশ্বাসী রায়হান আহম্মেদ।সে বেশ কয় দিন যাবৎ কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে তার এক নিকট আত্ত্বীয়র বাসায়।সেখানে সে কর্তব্যের প্রয়োজনে একটি সত্যের সন্ধানে। তার এলাকার… [বিস্তারিত]
প্রথম পর্বটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন --“এক কাপ চা কি হবে রীনি?” মৌণব্রতর কথায় ফিরে তাকালো রিনীতা । দুপুরে ঘুমোয় না মৌণব্রত , ওই সময়টায় লাইব্রেরীতে বসে । বাড়ী যখন করে , তখন এই লাইব্রেরী ঘরটাও ডিজাইনে রেখেছিলো । মানুষটাকে অনেক জ্বালায় রিনীতা । মৌণব্রত একটু-আধটু রাগ যে করেনা , তা নয় । একবার যদি… [বিস্তারিত]
কবির সাহেব হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে একটা চায়ের দোকানে বসলেন । রতন : স্যার কাল আপনি খুব ব্যাস্ত ছিলেন তাই দিতে পারিনি , আপামনির টেবিলের উপর একটা ডায়েরি ছিল এর মধ্যে একটা চিরকুট পেয়েছি । হুম খুবই ভাল রতন , তুমি আমার সাথে খুব ভাল কাজের দক্ষতা দেখিয়েছ । বলতে গেলে তোমার জন্যই তিশাকে হয়ত বাঁচানো… [বিস্তারিত]
আটঃ " আচ্ছা আমরা এখনই অভিযানে যাচ্ছি না কেন ?? " গাড়িতে নারায়ণগঞ্জ যেতে যেতে তাশফিকের প্রশ্ন। - আগেও বলেছি ওইখানে কেবল চুনোপুঁটিদেরই পাওয়া যাবে। রাঘব বোয়ালদের পাওয়া যাবে না। - তাহলে রাঘব বোয়ালরা কি নারায়ণগঞ্জে যে আমরা ওইখানে যাচ্ছি ?? - না। আমরা যাচ্ছি রাঘব বোয়ালদের ধরার জন্য প্রমাণ সংগ্রহ করতে। - কেমন প্রমাণ… [বিস্তারিত]
পাকিদের অমানবিক নির্মম শারিরীক অত্যাচারে ফুলী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা।ফুলীর চোখঁ ঘূড়ে ঘূড়ে দেখে ছোট ক্যাম্প কি ভাবে ধীরে ধীরে ভরে গেল শিশু থেকে ষাট বছরের ধর্ষিত বৃদ্ধায়।ফুলী অবাক হন একটি আট দশ বছরের অন্তঃসত্ত্বার কিশোরীকে দেখে।যে বয়সে বাবার হাতটি ধরে কৈশরের রঙ্গীন স্বপ্নগুলোকে পেড়িয়ে যাবার কথা যে বয়সে অবাক পৃথিবীকে চেখে দেখবার কিংবা উপভোগ করার… [বিস্তারিত]
একঃ অলস ভঙ্গিতে বসে আছি আমার রুমে, চট্টগ্রামের নেভির কার্যালয়ে। বসে বসে এসির বাতাস খাওয়া ছাড়া আপাতত কিছু করার নেই। একটু আগেই নেভির সদ্য কমিশন্ড ব্যাচের অফিসারদের সাথে একটা সেমিনার শেষ করে আসলাম। বর্তমানের অফিসারেরা যথেষ্ট চৌকস ও মেধাবী। আমাদের সময়ে একসাথে এত মেধাবী অফিসার খুব কমই পাওয়া যেত। কিন্তু বর্তমানে অনেকেই মিলিটারিতে যোগদান করছে।… [বিস্তারিত]
দুই মাস উনত্রিশ দিন পর ....... কবির সাহেব তাঁর পারসোনাল গুপ্তচর রতনের কাছে ফোন দিয়েছেন । তিনি এখন রতনের মাধ্যমে তিশার সব খবর নেন । তিশার গোপনীয় চিরকুট টা তিনি রতনের জন্যেই পেয়েছিলেন । রতন তিশাদের বাড়িতে অনেকদিন যাবত কাজ করে সেই সুত্রে সে তিশার খুব বিশ্বত্য । যদিও রতন প্রথমে কবির সাহেব কে সাহায্য… [বিস্তারিত]
মেয়েটাকে আমি প্রথম দেখেছিলাম আমাদের এসিড সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান স্লোগানের এক আলোচনা সভায়। খুব সাদামাটা ছিলো সাজসজ্জা এবং চেহারা। আমি মেয়েটার বাম পাশ করে দাঁড়িয়ে থেকে শেষ বারের মতো কথাগুলো মিনমিন করে বলছিলাম। একটু সরতে যেয়েই আচমকা ওড়নাটা চেয়ারের পেরেকে বেঁধে গেলো। খেয়াল না করে টান দিতেই পরপর করে ছিঁড়ে গেলো আমার শখের জামদানি… [বিস্তারিত]
একটা গাছের গল্প লিখি না থাক একটা পাখির গল্প লিখি না দুইটা পাখি আর একটা গাছের গল্পই লিখি নাহয়। এক যে ছিলো গাছ। গাছেরা যেমন থাকে তেমনি ছিলো, পাতায় পাতায় সবুজ চাঞ্চল্য, ডালে ডালে রোদের ওম মাখা উল্লাস, আর শেকড়ে প্রানোচ্ছলতা। একদিন একটা পাখি এসে গাছের কাধে মাথা রেখে দুঃখের গল্প বলে, একলা পাখি। গাছ… [বিস্তারিত]
তার ঘুম ভেঙ্গেছে অনেকক্ষণ হল। সে চুপচাপ বিছানায় শুয়ে আছে। উঠতে ইচ্ছে করছেনা। জানালা দিয়ে এই সকালবেলায় বেড়ালের মতো রোদ আসছে। মাথাটা ঝিমঝিম করছে। তার মাথায় ঘণ্টাখানেক ধরে একটা লাইন ঘুরছে 'ঘুম ভাঙার পর স্বপ্নগুলো হাতের মুঠোয় ধরতে পারিস তুই?'। এটা কি কোন কবির লেখা না কেউ তাকে বলেছিল ?। ইদানিং ভেঙ্গে যাচ্ছে এলোমেলো স্রোতের… [বিস্তারিত]
পাকিস্হানী কুলাঙ্গার ফুলীর চতুর দিকে ঘুড়ে ঘুড়ে দেখতে লাগল।মুখে রাখা চুরুটের সিগারেটের ধোয়া মেয়েটির নাকে স্পর্শ করতে রাগ যেন প্রসমিত করতে পারলেন না। -বদমাশ কোথাকার তোর কি মা বোন নেই। -কিয়া বাতায়ে,উর্ধুমে বাতাও হাম ভাঙ্গা নেহি জানতে.... -ভাঙ্গা নয় বাংলা ভাষা যে ভাষা প্রতিষ্টিত হয়েছিল বহু রক্তের বিনিময়ে সে ভাষাকে সম্মান জানা। পাকি উচ্চ স্বরে… [বিস্তারিত]
ঝুম করে বৃষ্টি পড়ছে। রাজ্য ঘুমাচ্ছে। এই একটা ছুটির দিনে সারাদিন বিছানাতেই পড়ে থাকে রাজ্য। অহনা বারান্দায় চেয়ারে বসে বৃষ্টি দেখছে। বৃষ্টির ছাট এসে এসে মুখে লাগছে। সেলফোন বেজে উঠলো অহনার। অহনা ফোন ধরে বলল, “হ্যালো” ওপাশ থেকে বলল, “হ্যালো। কেমন আছিস, অহো?” “ভালো। তুই?” “ভালো” “আজ তোর শ্যুটিং নেই?” “তুই কি কোন খোঁজই রাখিসা… [বিস্তারিত]
ক্রিংক্রিং। মোবাইল ফোনটা বেজেই যাচ্ছে। অপরিচিত একটা নাম্বার। রিসিভ করে কানে দিলাম, - হ্যালো ........ হ্যালো, - বলেন, শুনতে পাচ্ছি। - কোথায় তুমি, কল রিসিভ কর না কেন? এতো কল দিলাম, মেসেজ দিলাম। একটারও রিপ্লাই নাই!! - ব্যস্ত আছি, পরে কল দেন। - রাগ করে না হয় একটু ঝগড়া করেছি। তাই বলে কি আমার সাথে… [বিস্তারিত]
একটা পুরো রাত যশোর ষ্টেশন।মামা একটা ফার্স্ট ক্লাস চেয়ার। সীমান্ত এক্সপ্রেস। কিছুক্ষণ পরেই ট্রেন এসে লাগবে ষ্টেশনে, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ট্রেন লেট হয় প্রায়ই। স্টেশনের বুকস্টল থেকে কেনা রহস্য পত্রিকা হাতে কর্নারের চায়ের দোকান থেকে চায়ে চুমুক দিয়ে সিগারেট ধরাতেই ঢং ঢং ঢং। ট্রেন আসছে। একদম ইন টাইম। ক্যান্টনমেন্ট ষ্টেশন আসতেই আর নরেনা, কি… [বিস্তারিত]




