মূল লেখায় যান

হাওয়া নড়বড় করে

আলমগীর সরকার লিটনকবিতা৪টি মন্তব্য

হাওয়া নড়বড় করে রে মানুষ হাওয়া নড়বড় করে- আকাশ থেকে তারা ছুটে রে মানুষ আকাশ থেকে তারা ছুটে- ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না রে মানুষ একলা জেগে রই রে মানুষ; মাটির সাথে সাজানো মেঘ বাড়ির মায়া শূন্যেই হাওয়া বৃষ্টি ছুট কায়া- ঘাস ফুল ঘাস ফড়িং দেরে চঞ্চল উড়া এখন কি আর সভ্য মানুষের হয় না… [বিস্তারিত]

আমার নবীর শান

বোরহানুল ইসলাম লিটনকবিতা১০টি মন্তব্য

আমার নবীর মুখ, স্বপ্নের মাঝে দেখেছে যেজন সেও ভুলেছে যা দুখ। যে পেয়েছে কিছু হৃদে পুষে তার অমিয় বাণীর সুধা, তুচ্ছ করে সে স্বার্থের মায়া শিকায় তুলেছে ক্ষুধা। চুপিসারে যদি করতে চেয়েছে সদাচারে কেউ ক্ষত, স্বর্গের ঘ্রাণ দিনে দিনে পেয়ে হয়েছে যে অনুগত। জেনে বুঝে আজ গাফেল যে যারা দম্ভের ধারে ভাই, চেয়েও অমন বোকা… [বিস্তারিত]

মরিচীকা

হালিমা আক্তারকবিতা৯টি মন্তব্য

খুঁজে ফিরি কি খুঁজে ফিরি? কাকে খুঁজে ফিরি ? কোথায় খুঁজে ফিরি? কেন খুঁজে ফিরি? শুধালাম মনকে জান কি তুমি? সে বলিল হায়, কি করে বলি আমি তা। আমি তোমার ছায়ার পিছে পিছে ঘুরে, পথ হারিয়েছে সেই কবে। অন্ধের মতো সাদা ছড়ি ভেবে পথ চলেছি তোমারই সাথে। এতদিন পরে কি কথা শুনালে! তবে কি আমিও… [বিস্তারিত]

পাওয়া, না পাওয়ার অভিসারে

কামরুল ইসলামকবিতা৪টি মন্তব্য

বুক পুড়া গন্ধ মুছে যায় কাল বৈশাখী ঝড়ে জীর্ণতায়, শীর্ণতায় জেগে উঠে নতুনের উদ্যোম ভারী হয় স্মৃতির খাতা, বুকের পাঁজরে আজীবন বয়ে চলে এক প্রত্যায়ন পত্র সময়ের স্রোতে উল্টে যায়, পাল্টে যায় চাওয়া পাওয়ার খতিয়ান গড়মিলেই জের টানতে হয় জীবনের রেওয়ামিল এভাবেই হাত ছানি দিয়ে যায় প্রতিনিয়ত চৈত্র, বৈশাখ, হেমন্ত, বসন্ত দিন শেষে আষাঢ়ের অঝর… [বিস্তারিত]

দু’টাকার আশা (সনেট)

বোরহানুল ইসলাম লিটনকবিতা৬টি মন্তব্য

যৌবন অঙ্গার হলে বার্ধক্যের ধারে বইবো বিধ্বস্ত দেহ বহ্নিমান শ্বাসে, হারলে স্বপ্নিল প্রেম কলঙ্কের দ্বারে বিক্ষত প্রত্যয়ে রবো অশনির পাশে। সজীব ব্যস্ততা গেলে মরুদ্যানে থেমে ভঙ্গুর আস্থার বুকে বাঞ্ছা দিবো সঁপি, কর্তব্যের তীব্র ঘাতে ক্লান্তি এলে নেমে অতৃপ্তি যা চষে যাবো কুণ্ঠাহীনে জপি। দুরন্ত শৈশব তবু নিবো আমি লুটে নিষ্পাপ ক্রন্দন ধারা এ হৃদয়ে যাচি,… [বিস্তারিত]

বৈশাখের ইফতারি

আলমগীর সরকার লিটনকবিতা৬টি মন্তব্য

বৈশাখের গায়ে রোজা তবু চল মঙ্গল শুভ যাত্রা- কবুল করে নাও না রোজা; এই সব সং যমের আরাধনা দুচোখে অভিনয়ের কান্না! তবু কি বৈশাখের রঙ বিরল থামবে আর? চোখের জ্বালা- পেটের ক্ষুধা, ধূলি মাখা পথেই খায় লুটাপুটি-হোক না ইলিশ ভাতে পান্তা, বৈশাখের ইফতারি। ৩০চৈত্র ১৪২৮, ১৩এপ্রিল ২২ [বিস্তারিত]

রমজান

আলমগীর সরকার লিটনকবিতা৫টি মন্তব্য

এই হাট বাজারের গরমে কেমন বুঝি হিম ঠাণ্ডা রমজান! তবু জানি মোয়াজ্জিমের আযান, ইফতারে দূর হয় ক্লান্তি; অবসাদ এতটুুকু সংযম বোধচিন্তা নেই মৃত্যুর নেক আমল- সোয়াবের মাসে অসাধু ব্যবসা তবু রমজানের শেষে ঈদ আসে! হেসে যাই- মাঠে ময়দান- এই সব বিদ্বেষ মানে না রমজান। ২০চৈত্র ১৪২৮, ০৩ এপ্রিল ২২ [বিস্তারিত]

এসো নীপবনে

রোকসানা খন্দকার রুকুগল্প৬টি মন্তব্য

অসময়ের ঝুম বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সারোয়ার কবীর ছাতা মাথায় বৃষ্টিতে ভিজতে নেমে গেলেন। আমারও তার হাত ধরে নেমে যাওয়া উচিত। কিন্তু আমি তা করতে পারছি না। বরং সরকারী কর্মকর্তার মতো ‘পোড়া আলু‘ মুখ করে রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে একজন প্রেস সচিবের বৃষ্টি বিলাস দেখছি। কি সুন্দর করে তিনি গান গাইছেন আর ভিজছেন। কবীরের সাথে মনে মনে… [বিস্তারিত]

কোথায় দয়াল সুখ!

বোরহানুল ইসলাম লিটনকবিতা৬টি মন্তব্য

কোথায় দয়াল সুখ! সবখানে আজ ঘুরছে দেখি চিনচিনে এক দুখ। ভুলতে গেলে হচ্ছে সে আশ জনম দূখীর মুখ। খুঁজলে কভু চাঁদ রাতে কেউ কুঁড়ের চালে বসে, দক্ষিণা বাও নিচ্ছে যা খড় ধপাস ধপাস খসে। না জানি কোন কাঁদছে চড়ুই ভাগ্যহীনার দোষে। সূর দেখে ফের ভাটির গাঙে ধরলে মাঝি তরী, কালবেলা সে গড়ছে এসে ঘোরাল বিভাবরী।… [বিস্তারিত]

হাতকড়া।

মনিরুজ্জামান অনিককবিতা৪টি মন্তব্য

হাতকড়া পড়াও প্রভু হাত দুটো কেটে ফেলো। আঙুলগুলো ভীষণ যন্ত্রণা দেয়, লিখে ফেলে বারবার কিভাবে ঘাসগুলো শাদা হয়ে যায়, কিভাবে বুটের নীচে চাপা পড়ে শুষ্ক মুখ-মানবতার। আমায় ঘুমুতে দেয়না, আমি ঘুমুতে পারিনা কভু। আঙুলগুলো কেটে ফেলো প্রভু, আমাকে বাঁচাও। একেক করে সবকটি- গাছের ডালের মতো দশটি আঙুল রক্তে ভিজে যাক বুক পকেট, শাদা পৃষ্ঠা, ভিজে… [বিস্তারিত]

কঞ্জুস

বোরহানুল ইসলাম লিটনকবিতা৮টি মন্তব্য

পাশের গাঁয়ের কদবেল আলী ভীষণ চতুর লোক, কোনদিন তারে করতে দেখিনি পরের কারণে শোক। কঞ্জুস বলে বেশ আছে খ্যাতি যদিও পায় না দাম, সুখে-দুখে তবু সকলেরই মুখে জেগে থাকে তার নাম। জমি-জমা আছে পুকুরেও মাছ খায় না কভু সে ভালো, খরচের ভয়ে ভুলেও দেয় না জ্বালাতে সাঁঝের আলো। কথা বলে সদা শুদ্ধ ভাষায় চকচকে রেখে… [বিস্তারিত]

ভাল থাকো

আলমগীর সরকার লিটনকবিতা৮টি মন্তব্য

মৌ মাছির মতো ভাল থাকো প্রজাপতির মতো রঙ ছড়াও- সূর্য স্নানে ঘাস ফুলের মতো হাস! লজ্জাবতীর মতো লাজুক থাকো; তারপর ঝর্ণার মতো মেঠো পথে হাঁট- আকাশের মতো কালমেঘ মুক্ত হও! আর সবুজ দিগন্তের মাঠে, দৃষ্টি রাখ- সোনা সফলের মতো মন ভাবনায় ভাব বিচক্ষণ কাল ফিঙের মতো বিচরণ করো- শান্ত পায়রার মতো দোয়েলের গান গাও। ১৬চৈত্র… [বিস্তারিত]

বসন্ত বিদায়ে

কামরুল ইসলামকবিতা৭টি মন্তব্য

বৃষ্টি এলো বসন্ত বিদায়ে ফুল পাখীদের কান্নায় ঝরা ফুলে ধুলো উড়ে কাল বৈশাখীর বন্যায় । রিম ঝিম এই অঝর ধারা বিরহ আনে মনে উষ্ণতা ভরা ফাল্গুনী হাওয়া বিদায়ের সুর তোলে কানে । যায় চৈত্র আসে বৈশাখ নতুন স্বপ্ন বুনে ঝরা পাতার বিরহ জাগে স্মৃতি জড়ানো আলপনে । যায় দিন যেমনি যাক আগামী দিন চাই ভাল… [বিস্তারিত]

খোকা দ্যাখে ভূতোর দেশে

বোরহানুল ইসলাম লিটনছড়া৯টি মন্তব্য

খোকা গেছে ভূতোর দেশে শিখবে বলে গান, পৌঁছে দ্যাখে কারোর সেথা ডান পাশে নেই কান। দিনে সবাই কম কথা কয় সুবোধ ছেলের মতো, দল বেঁধে হয় রাত্রি বেলা তর্ক বাণে রত। ঢোল বাঁশি আর কাঁসর বাজায় কথার তালে তালে, সখ্যে মাতে এর মাঝে কেউ থাপড় ছুঁড়ে গালে। চিল্লানিতে দর যেচে নেয় গড়ে বিরল জ্ঞাতি, তালহীনা… [বিস্তারিত]

তুমি আর জোছনা

কামরুল ইসলামকবিতা৭টি মন্তব্য

রাতের দ্বিপ্রহরে জেগে উঠে মন ভরা জোছনার আলো দেখবো বলে জানালা খুলি, দরজা খুলি, বারান্দায় আসি আকাশের সীমানায় দৃষ্টি রাখি ছিটে ফোটাও জোছনা নেই হারিয়ে গেছে অমানিশার আঁধারে মেঘ শাবকের কৃষ্ণ বর্ণে ঢেকে আছে প্রসারিত বুক বিষণ্ণতা আর বিরহের পদপ্রান্তে । তবে কি তুমি আর জোছনা এক সাথে হারিয়েছো, অচেনা গলিতে আমাকে স্পর্শ করবে না… [বিস্তারিত]