কার্তিকের বৃষ্টি জানি না মেঘের কাঁন্না না আনন্দ জল বুঝা বড় দায়- তবুও মেঘেরে বজ্রপাত কিন্তু ভয়ঙ্কর ব্যথার সংশয় নয় তো; কার্তিক তুমি আকাশ কালো বিষাদ সময় দুষ্টমি হয় তো- না; তাহলে এতো কাঁন্না করছো কেনো? কার্তিক গা ঝিমঝিম রোদ মিষ্টি হওয়া! পূজার সাজ যেনো আকাশ ভাঙ্গা নাচ- অথচ প্রসাদ খাওয়ার মিষ্টিমুখ করোনা, তবুও পূজা… [বিস্তারিত]

আলমগীর সরকার লিটন
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৬ বছর ৮ মাস ৬ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ২১৮টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৩৬১৭টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৫৫৪টি
যখন মাটির অটবীতে ঘুম পারবো! মনে থাকবে বা মনে পড়বে এ মৃত্তিকার জ্বালানময়ী কথা; জানি তোমার অটবী খুব চঞ্চলময়ী রাগ অনুরাগে পূর্ণিমার রাত। হয় তো এক মাত্রা ভুমিকম্পন হতে পারে বা নাও পারে- তবে আমার অটবীতে খুব বেশী পরিমানে একটা ঘ্রাণ পাই যা তোমাকে বুঝাতে পারবো না! চিনে নিতে পারবে তো; আমার নিঝুম অটবীর সবুজ… [বিস্তারিত]
পছন্দের মানুষটাকে পাগল বলা জায়েজ আছে, কিন্তু অপছন্দের লোকটাকে পাগল বলা যায় না; তবুও কয়েক বার পাগল বলছো- তার মানে একটু একটু পছন্দের বাতাস ভেসে গেছে সাদা মেঘের দলে কিন্তু নীল মেঘ এখন ঝর্ণা ধরায়- অপছন্দের পাগল শব্দটা কেনো স্বপ্ন দেখায়? রাতের দোষ নয় তো ঘুমপারানির দোষ- তবুও প্রশ্ন জাগে কতটুকু পছন্দ করেছিল আজও জানা-… [বিস্তারিত]
ভালবাসার বিশ্বাস হারিয়ে- ভালবাসা পাওয়া যায়- মধ্যবিত্ত আর বিত্তশালীর মাঝে কি সুখে থাকা যায়? তাহলে বল কতটা সুখে আছো ! বটবৃক্ষ ছায়ার মতো আমি জানি ভালবাসাকে অপমান করলে ভাল থাকা যায় না! তবুও মাঝে মধ্যে অবক্ষয় প্রশ্ন ভেসে যায় নীলাকাশে- অবোঝ মনটাকে বুঝাতে পারি না, পানির মতো সত্যটাকে; সে ভালবাসা চিনতেও পারে না ভালবাসা দিতেও… [বিস্তারিত]
নাটক, সিনেমা যেনো জীবনের ঘুম! মোরগ ডাকে আযানের আগে- তবুও ঘুমপারা নাটক দৃশ্যময়, শেষ হও, হয় না শেষ। নায়ক যুদ্ধ ঘোষণা করেছে কালোমেঘের সনে- যোদ্ধ চলছে কত রক্তাক্ত লাশ; সিনেমার শেষ দৃশ্যপটে দেখা যায়। অথচ আজকের নায়কেরা ভীষণ দুর্বল- নৈঃশব্দে চিৎকারে একটা গোলাপও ফুটাতে পারে না! সিনেমা নাটক তেমনী চলছে- তারপর হুংকার শুধু সাদা কাগজের… [বিস্তারিত]
একটা আকাশ নীল ছুঁয়ে দেখি মেঘ গুড় গুড় কৃষ্ণচূড়া বৃষ্টি! অনুভবে অনুসরে বাতাস ঘ্রণে- হলো বুঝি একটা কিছুর সৃষ্টি। আগলে রাখা মনপুষা স্মৃতিগুলি শ্রাবণ দিনের কতখানি কৃতি; এতোটুকু ফাল্গুন বেলার আগুন- জ্বলছে দাবানলে ক্ষতখানি দেখি; অথচ আমার মেঘ শূন্য আকাশ গায়ে চড়ে মৃদু শিহরণে বাতাস- এখনো শুধু বিষণ্ণতার মানছে না- এ ঝর্ণাধারা নদী, শুক্র শনি… [বিস্তারিত]
হতবাক শুধু দৃষ্টির আড়ালে এক কুয়া অশ্রু জল; শুকানোর কোন উপায় নেই। হাহাকার বুকের মধ্যে বজ্রপাত- কখন হবে সুফলা শস্যের প্রভাত! একগঙ্গা রক্ত দেখতে হচ্ছে বার- বার-কু-শাসনে হয়েছি মহাসম্রাট- মুখের হাসিটুকু বেদনা ছুঁই না- শুধু লালসার ক্ষুধা মৃত্যু পর্যন্ত সীমাবদ্ধতা; ক্ষমতা তুমি আরো ঘুম পারো যেখানে নীল মেঘ স্পর্শের খেলা করবে না- কোন আর্তনাদ শুনবে… [বিস্তারিত]
তুমি মহাপুরুষ নাকি ধর্ষণ পুরুষ কোন পুরুষ রূপে বাঁচতে চাও; যদি মহাপুরুষ হলে ফুলের মালা গলা দুলবে আর যদি ধর্ষণ পুরুষ হও তাহলে তোমার গলা ঝুলুক ফাঁসির দড়ি কিংবা জনসম্মুখে মৃত্যুদণ্ডের দৃশ্য! বল কোনটা চাও তুমি মহাপুরুষ না ধর্ষণপুরুষ- নিশ্চয় চাইবে একালের মহাপুরুষ! ধর্ষণকারী পুরুষ নয়; তুমি বিবেক কে জাগ্রত কর, যাকে নিয়ে ধর্ষণ করবে… [বিস্তারিত]
এলোমলো ভাবনাতে একটু রাখ দেশত্বপ্রেম না হলে সবমিছে যাবে তোমার সমস্ত গেম! সকালে দেখো রঙের বৃষ্টি- বিকালে রঙধনু; মাঠে ময়দানে দেখো সবুজ হাসি- অলিগলিতে দেখো রক্তের হলি; কি ভাবছো রাতের স্বপ্ন? এবার ঘুম ভাঙ্গ চেয়ে দেখো- দেশমাথা তোমার জন্য করছে গভীর আর্তনাদ- তুমি শুনতে চাও না- শুধুই কি চিত্তবিনোদন নিয়ে ব্যস্ত! আর থেকো না- দেশমাথা… [বিস্তারিত]
কবির প্রাণীদেহ ভাল নেই এসব দেখেই করেছে ম্যাজ ম্যাজ! কবিতার গাঁয়ে পাড়ায় গেচ গেচ- কেমন করে হবে তাই রঙ সাজুনির ব্যচ; ভয় করে না চিতল মাছ, যত আছে ছোট মাছ, ধরে ধরে খাবে তাজ- কবি দেখে বসে কবিতার একটুকু লাজ- অতঃপর কবির শরীর ভাল নেই আজ। ১৫ আশ্বিন ১৪২৬, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০ ---------------------------------------- [বিস্তারিত]
আমাদের বিবেক এত লালসা কেন? প্রশ্ন করলে উত্তর নেই- নীরব চাহুনি- কাকে দায় করবে- নিজেই দায়- কারণ কিছু করতে পারছি না কোন শিকলে বাঁধা, কিসের ভয়ে মারা! এতটুকু বিবেক বুঝতেছে না- প্রতিবাদের ভাষা আজ- মৃত্যু নিদ্রা প্রায়; জেগে উঠে না- কখন জাগ্রত হবে- প্রতিবাদি কণ্ঠস্বর শ্লোগান দিবে- মিছিলে- মিছিলে রাস্তা অবরোধ করবে; আজও জানা নেই… [বিস্তারিত]
তখন কষ্ট- এখনো কষ্ট, তোমার নীরব থাকা- দু’চোখের ভাষা বুঝার বড় দায় ছিল- আমার ভাল লাগার প্রকাশ ভঙ্গী তোমার কাছে ভীষণ ভাবে অপছন্দ ঘৃণার ছিল একটু কাছে আসার মর্মখানি এভাবে হলো বুঝি শুকনো খালে জল ভারা বিল। তোমার ভীরু লজ্জামুখ, আমাকে জানিয়েছে শুধু এতোটুকু আনন্দ ঘন সুখ- প্রণয় নিয়ে আসলাম যখন একটু কাছে- একেমন বিষ… [বিস্তারিত]
কত জন্মদিন এলো আর গেলো- অথচ জানাই ছিল না আজ তোমার জন্মদিন! ২৩শে সেপ্টেম্বর তোমার ঘরে- দেখি হাজার ফুলেলের সুবাস ছড়ে পরছে রঙিন; কত শত কবি সাহিত্যিক ভালবাসা! দিচ্ছে লাল নীল বেগুনী সবুজ রঙে শুভেচ্ছা বার্তা; আমি কমতী কিসের জানাই শুভ জন্মদিন- সোনেলা একরাস ভালবাসার বন্দনা- একই সুরে -একই কণ্ঠে বলে যাই- ‘শুভ জন্মদিন সোনেলা… [বিস্তারিত]
বগুড়া আঞ্চলিক ভাষায় লেখার চেষ্টা করেছি মুগড়ীর ডাক শুনে হামার নিন ভ্যাঙ্গে যেতো আহা শীতের সকাল উঠানে গাও গরম করা কি ওদ আর মুজু দাদার দুতলা মুগড়ীর ঘরগুলো কি সুন্দর; মুজু দাদা নিনদোত থেকে উঠে ফজরের নামাজ পরে, মুগড়ীগুলোক খাবার দিত, কত ডিম; সালা বুড়ে একশত পাঁচ বছর বাঁচিচলো ,বই পড়া খুব সখছিল- কত স্মৃতি… [বিস্তারিত]
‘‘বগুড়া আঞ্চলিক ভাষার লেখা চেস্টা করেছি’’ ভালবাসা এটি থাক বারে পত্তের ভিয়ত লাল লাল পত্তে ধরছে বারে! কি তার জাল! মচমচে পত্তে ডলা, ইংলিশে মাস পান্তার সাতে খাতে কি সাদ- এক বার না খালে বুজবু নে, কামলারা দল বান্ধে খায় বারে। ঘরের সামান দিয়ে যমুনা নদী গেছে খালি তৌরে দিয়ে ইচে মাস মারতে, মন যাবার… [বিস্তারিত]














