মূল লেখায় যান

নির্বাক নি:সংগতায়

মামুনবিবিধ১১টি মন্তব্য

চান্দরা চৌরাস্তা। নামে চৌরাস্তা হলেও আসলে রাস্তা তিনদিকে বিস্তৃত। গাড়িগুলো তিন দিকেই আসা যাওয়া করছে। তিতাস পরিবহনের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। হাতে একটা কাপড়ের ব্যাগ। ঘরের বানানো... কাঁচা হাতের বোঝাই যায়। ভীড়ের জন্য বাসে উঠতে পারছেন না। বয়সও তো আর কম হলো না। ষাট পেরিয়ে এসেছেন গত বছর। এই বয়সে যুবকদের ভীড় ঠেলে ওদের প্রাণচাঞ্চল্যের… [বিস্তারিত]

আমার এই আমি

মামুনএকান্ত অনুভূতি১২টি মন্তব্য

সোমবার, ডিসেম্বর একুশ আমি পোশাক শিল্পের সাথে জড়িত একটি গ্রুপের স্টোরটা দেখে থাকি। আমি 'ম্যানেজার' নই। সামান্য একজন 'সিনিয়র অফিসার'। এটা না বলে 'উর্ধতন কর্মকর্তা ' বললে কি একটু ভালো শুনায়? অনেকেরই তো অন্য আরো কিছুর মত, শোনার ব্যাপারেও 'এলার্জি' থাকে। আমি গ্রুপের স্টোরটা চালাই। আমার উপর অনেক চাপ। আমি সপ্তাহে ছয়দিন 'প্রবল চাপাক্রান্ত' একজন… [বিস্তারিত]

ভালোবাসা এমনই

মামুনগল্পমন্তব্য নাই

একদিন কথা হচ্ছিলো মেকুরাণীর সাথে। পাশে মেকুর কন্যারাও রয়েছে। টুকটাক কথাবার্তা। নির্দোষ গীবত ও হচ্ছিলো কিছু। গীবত ও কি কখনো নির্দোষ হয়? মনে হয় না। তবে আমাদের নাগরিক জীবনে এই জিনিসটা খুবই স্বাভাবিক লাগে আমাদের কাছে। সপ্তাহের একটি দিন কাছের মানুষদের সাথে একজন আদর্শ মানুষ হিসাবে থাকবার চেষ্টা করি। এজন্য বেশীরভাগ সময়ই কথা শুনে কাটে… [বিস্তারিত]

ছায়াসংগী

মামুনবিবিধ৬টি মন্তব্য

শীতের এক রাত। দশটা পার হয়েছে। ওভারব্রিজ দিয়ে এপারে আসে আমান। আজকাল ওভারব্রিজগুলো বড্ড নি:সংগ। ব্যানার-ফেস্টুন আর বিলবোর্ডের ভারে ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যাওয়া বুকের হাহাকারে ভারি ওদের আকাশ। আর অনুক্ষণ কল্পনায় মূল রাস্তা দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পার হওয়া পথচারিদের নির্বুদ্ধিতার দৃশ্য। কেন যে মানুষগুলি নিয়ম মানে না! অবহেলা আর আক্রোশে ওগুলো মূর্তিমান নি:সঙ্গতার প্রতীক হয়ে… [বিস্তারিত]

পাথর জীবন

মামুনগল্প৮টি মন্তব্য

আজানের শব্দে ধ্যান ভাঙ্গে মিলির। বারান্দা থেকে মাথা নীচু করে নিজের রুমের দিকে পা বাড়ায় সে। আসরের আজান দিয়ে দিলো?! এতটা সময় ধরে এখানে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে ভেবে অবাক হয়! মেয়েরা কি করছে কে জানে। গত সন্ধ্যা আর আজকের দুপুরটার মধ্যে ডুবে গিয়েছিল। এতো সুখী একটা সময় শুধু দুই একটা অসতর্ক শব্দের জন্য এমন করে… [বিস্তারিত]

যে কথা বলা হয়নি তারে (ছোট গল্প)

মামুনগল্প৮টি মন্তব্য

দেখতে দেখতে তেইশটি বসন্ত পার হয়ে গেলো। এখন বয়স তেতাল্লিশ। তখন বয়স ছিলো এক কুড়ি। সবে জীবনের প্ল্যাটফর্মে পা দেবার বয়স। না হলে জন্মের পর থেকে এই কুড়ি বছর তো বলতে গেলে খেলা-ধুলায়-ই কেটে যায়। জীবনের চলার পথে তখন যেন চোখ ফুটছে রায়হানের। এইচ.এস.সি পাস করে ভার্সিটিতে কেবল ক্লাশ শুরু করেছে। নতুন এক জগত... পুরনো… [বিস্তারিত]

আমি ভুলে যাই তুমি আমার নও (ছোট গল্প)

মামুনগল্প১৪টি মন্তব্য

' আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে মনে পড়ল তোমায়...' পাশের বাসায় গান বাজছে। উস্তাদ নিয়াজ মোহাম্মাদ চৌধুরীর। ওর ফেভারেট। এরকম খুব অল্প গানই আছে, যা রিমকি'র ভালো লাগে। আসলে ভালোলাগার পরিমাণ যদি বেশী হয়ে যায়, সেখানে কোয়ালিটি থাকেনা। বেশীরভাগ মানুষই এখন আর্টিফিশিয়াল ভালোলাগার পিছনে ছুটে চলেছে। কোয়ালিটির থেকে কোয়ান্টিটির দিকেই ধাবমান। ইউনিভার্সিটি বন্ধ। গরমের বন্ধ… [বিস্তারিত]

বাবা তুমি এমন কেন?

মামুনগল্প১টি মন্তব্য

পড়ার টেবিলটা ছোট বাবুদের মত সাজানো। দোতলা পড়ার টেবিল। উপরের অংশে মোট দু'টো ভাগ। বিভিন্ন ধরণের ছোট ছোট শো-পিস দিয়ে সাজানো। একপাশে সুন্দর একটি টেবিল ল্যাম্প। দুটো কলমদানিতে রঙ বেরঙের সাইন পেন, মার্কার ও বল পেন ভর্তি। একপাশে একটি মোবাইল। সুন্দর মলাট করা বইগুলোর দিকে তাকালে সহজে চোখ ফিরানো যায় না। কম্পিউটারে বানানো স্টিকারে নাম… [বিস্তারিত]

এই তো আমার বাবা! # ছোট গল্প

মামুনগল্প৪টি মন্তব্য

মোবারক স্যারের পুকুরটা বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজের ঠিক দক্ষিণ পাশে। ভার্সিটির ভিতর হবার পরও এর নাম 'মোবারক স্যারের পুকুর' হবার পিছনে কি কারণ থাকতে পারে? একা একা ভাবছিল আরাফাত। পুকুরটির পশ্চিম দিকের পাড়ে চুপচাপ বসে আছে সে। দ্বিতীয় বারের মত ওর মনে এই নামকরণের পিছনের কারণ কি তা জানার ইচ্ছেটা কেন জানি জেগে উঠল। হয়ত… [বিস্তারিত]

ছেলেটি এখনো হৃদয়বান (ছোট গল্প)

মামুনগল্প৪টি মন্তব্য

সকাল থেকেই কেন জানি অস্থির লাগছে কণার। অথচ কেন বুঝতে পারছে না। ছেলে মেয়ে দুজন বসার রুমে। আরাফাত পিসিতে গেমস নিয়ে ব্যস্ত। আর পিম্পি ছবি আঁকছে। স্কুলে কি একটা কম্পিটিশনে অংশ নেবে। কণা ই থীম দিয়েছে। সেই অনুযায়ী এখন আঁকার চেষ্টা করছে। ওদের দুজনের ভূবনে ওরা নিজেদের মত রয়েছে। আর সে? ঠোঁটের কোণে একটুখানি হাসি… [বিস্তারিত]

মেয়েটি হৃদয়বতী ছিল না

মামুনগল্প৬টি মন্তব্য

অফিসের কাজে শাহবাগে আসতে হয়েছিল। কাজ শেষে কি মনে করে বই মেলার ভিড়ে নিজেকে হারাতে ইচ্ছে হল রেজার। তাই বাংলা একাডেমীর ভিতরে এখন সে। কত মানুষ। নানা রঙের মানুষ। উচ্ছল প্রানবন্ত এক একজনের আনন্দিত মুখগুলোকে দেখছে। নিজেও ভালোলাগার আবেশে ভেসে যাচ্ছে। কয়েকজন বন্ধুর সাথে দেখা হল। এরা নবীন লেখক। এদের সবার বই বের হয়েছে। ওদের… [বিস্তারিত]

প্রথম প্রহর

মামুনগল্প৬টি মন্তব্য

আমাদের কিভাবে দেখা হয়েছিল? সেই প্রথমবার? নতুন কাউকে দেখার অনুভূতিতে প্রগলভ হওয়ার সেই মুহুর্তগুলো কেমন ছিল? এমন একজন... যাকে দেখলে ভালোলাগার ডানায় ভর করে ঝড়ো বাতাসে পরমশূন্য অনুভূতিতে হাল্কা হলুদ পাতার মত এলোমেলো ভেসে বেড়াতে মন চায়! সবারই কি এমন কিছু মুহুর্ত থাকে না? আমার ও ছিল। আমি তো আমিই। আর ও হল ‘ও’। সেই… [বিস্তারিত]

বেলা শেষের অবেলায়

মামুনগল্প১০টি মন্তব্য

সুর্যটা ডুবতে বসেছে। সেই সাথে রাসেল ও। ত্রিশ বছরের জীবন এতো দ্রুত শেষ হয়ে যাবে... ডিমের কুসুমের আকার নিয়ে রক্তিম ভানু অস্তাচলে যাই যাই করছে। সামনে পিছনে আঁধারের ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে এক অপুর্ব বিষাদময়তা লেজের মত অদৃশ্য রশ্মিতে বাঁধা! সামনে কেউ নেই। পেছনে অনেকে থেকেও নেই। একা একজন মানুষ। স্মৃতির মিনারে আজনম ক্লান্ত এক পথিক পথের… [বিস্তারিত]

বুমেরাং

মামুনগল্প৪টি মন্তব্য

একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ভিন্ন ডিপার্টমেন্টে অনেক ছেলেমেয়ের সাথে দুটো ছেলে মেয়ে পড়তো। একজন জগৎ সংসার ভোলার জন্য রাতদিন নেশায় ডুবে থাকতো। অন্যজন সংসার করবে বলে সবার অমতে বিয়ে করে অকূলে পড়লো। এরা একদিন সেন্ট্রাল লাইব্রেরীর সিড়িতে এক আড্ডায় বন্ধুদের ভীড়ে পড়ে পরিচিত হলো। ছেলেটার লাল চোখ, ফর্সা মুখ আর আরো কী কী ব্যাপারের কম্বিনেশন… [বিস্তারিত]

সে

মামুনগল্প৩টি মন্তব্য

চলন্ত রিক্সায় বসে রেখা আনমনে ভাবছিল। 'মানুষটাকে আজকাল কেন যেন বুঝতে পারি না। দিন যত যায় তাকে যেন দূরের মানুষের মত মনে হতে থাকে। অথচ কি একটা সময় ই ছিল আমাদের! আর এখন বন্ধের একটা দিনে বাসায় আসে। এসেই সেই যে ল্যাপটপ নিয়ে পড়ে, মাঝরাত হয়ে যায়। কি মাঝ রাত, আরো সময় পেরিয়ে যায়। কিন্তু… [বিস্তারিত]