স্বৈরাচার হটাও, দেশটাকে বাঁচাও বলেযে শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়েছিলসারা বাংলাগণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঢেলেছিল বুকের রক্ত,কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর আপামর জনতাকাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাহারা দিয়েছিল বাংলা মাকেশত বুলেটের আঘাতেও ছাড়েনি রাজপথ। সেই রাজপথ আজ কলুষিত চলছে অবিরতদুর্নীতিতে নাম্বার ওয়ান করে পুকুরচুরিসাহেব সেজে ঘুরে বেড়ায় করে সিনা জুড়ি,মাগো তোমায় মুক্ত করতে তোমার সন্তানেরা শক্ত হাতে অস্ত্র ধরে উৎখাত [বিস্তারিত স্বৈরাচারীর মিলনমেলা]
থমথমে নিস্তব্ধ রাতের শহর অনেকটাই ফাঁকা মাঝে,মাঝে প্রহরীর বাঁশীর আওয়াজ লাইটপোস্ট গুলো দাঁড়িয়ে আছে এক পায়, সম্বিত ফিরে পেলাম নানান রকম হাসির শব্দে ঢলে পড়ছে তারা একে অপরের গায়ে অপেক্ষারত মধ্যরাতের নন্দিনী’রা……। দৈন্যতার কাছে পরাজিত আর কতকাল কখনো নন্দিনী, কখনো অনাহুত সজ্জা সঙ্গিনী তারা কেবলই ভাগ্যের হাতে বন্দিনী, সহসাই কেড়ে নেওয়া হয় তাদের বাকস্বাধীনতা [বিস্তারিত মধ্যরাতের নন্দিনী]
ঘুরেফিরে সেই একই জায়গায় দাঁড়িয়ে একই প্রশ্ন উঁকি দেয় বারবার কে আমি কোথায় আমার বাস….? স্মৃতির আড়ালে ডুবে আছে আজ সব আমি প্রতিদিন দেখি আমার সর্বনাশ আজও হাতরে বেড়াই ডুবসাঁতারের দিনগুলো। জীবনের প্রতিটি মোড়ে একটু থমকে দাঁড়াই আর ভাবি এই চলার শেষ গন্তব্য কোথায়? পায়ের তলায় চৌচির মরুপ্রান্তর আকাশের পানে তাকিয়ে বৃষ্টির অপেক্ষায় সময়ের সাথে [বিস্তারিত অসম শূন্যতা]
তোমার শহরে আজ ধুলো ময়লায় ঠাসা অবর্ণনীয় ব্যস্ততা আর ট্রাফিক জ্যাম, মানবতার যেখানে অবক্ষয় বিখণ্ডায়ন সেখানে ভালোবাসা কল্পনা মাত্র। তবুও অন্তরে থাকে কিছু খোঁজ আর সেই খোঁজের উত্তর পেতে তোমার শহরে বারবার আসা, জানিনা আদৌও মিলবে কিনা অদম্য সেই খোঁজের দিশা—–। তোমার শহরে চলে দেহ বিকিকিনির পসরা অন্তরালে আবার কারো হৃদয়ে হয় রক্তক্ষরণ, দগ্ধ হয় [বিস্তারিত বিচিত্র তোমার শহর]