শফি ইমাম রুমী। বয়স বিশ। আইএসসি পাশ করে আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজিতে পড়ার সুযোগ পেয়েছে। ৭১ এর সেপ্টম্বর মাস থেকে ক্লাস শুরু। জাহানারা ইমামের বিখ্যাত গ্রন্থটি যাকে নিয়ে লেখা। যদি যুদ্ধে না যাওয়া হয় মায়ের কাছে তার প্রশ্ন ‘ ‘আম্মা, দেশের এ রকম অবস্থায় তুমি যদি আমাকে জোর করে আমেরিকায় পাঠিয়ে দাও, আমি হয়তো যাব শেষ [বিস্তারিত “শুভ জন্মদিন” শফী ইমাম রুমী]
১৮০০ সালের দিকে হিন্দু ধর্মের নিয়ম ছিল স্বামী মৃত্যু সাথে স্ত্রীকেও স্বামীর চিতায় ঝাঁপ দিবে। অথাৎ স্বামীর সাথে স্ত্রীও সর্গে যাবে। জ্বি! তখন ওরা স্বামীর স্বর্গে যাওয়ার টিকেট একদম নিশ্চিত করে দিয়েছে। আর স্ত্রীকে স্বামীর টিকেটে পাঠিয়ে দিতেন। ভাগিসসস রাজা মোহন সে টিকেট কাউন্টার বন্ধ করে দিয়েছেন। না হলে কি যে হতো। এই সতীদাহ তাহলে [বিস্তারিত অল্প দৈর্ঘ্য সল্প কাহিনী]
-মামা একটা চা দাও। -সিগারেট লাগবে? -না। -দেশের কি অবস্থা? -শব্দের উৎসব চলছে। -সামনে তো হরতাল। -হা! -আচ্ছা হরতাল মুলত কি? -গুজরাটি শব্দ। -আরে হরতালে মুলত কি কাজ। -হাতে সিগারেট মুখে “মাদকে না বলো” এইটার মত। -দেশটা মুলত কার জনগনের তাই না? -মনে হয় বইতে আছে। -সব দল বলে জনগন আমাদের পাশে আছে। আসলে জনগন [বিস্তারিত রাজনীতি]
শুন তুমি বাড়ি বাহিরে গেলে আমার খুব টেনশন হয়। কেন তোমার এই রাজনীতি না করলে হয় না। শিল্পী তার স্বামী সফিককে। শুন আমরা যদি রাজনীতিতে না আসি তাহলে তো দেশ চালাবে কে? আর রাজনীতি থেকে যদি আমরা সরে যাই তাহলে রাজনীতিতে সব খারাপ মানুষ ঢুকে পরবে। এখনো খারাপ মানুষ নাই তা বলবো না। রফিক সাহেব [বিস্তারিত রাজনীতি ও দেশ]
আমি যখন রাসেল মামার খেলনা চুরি করে নানির কাছে পালিয়ে যেতাম তখন রাসেল মামা কান্না করতো। এইটা ছিল ওয়াজেদ জয় ও শেখ রাসেলের ছোট বেলা একটি কথা। ছোট বেলা থেকে দুই জন এক সাথে বেড়ে উঠছিল। কিন্তু শেখ রাসেলের তা আর হল না। ৭৫এর ১৫ আগস্ট কলো রাতে ছোট শিশুটি বেড়ে উঠার আগে তার পরিবার [বিস্তারিত শুভ জন্মদিন]
মকবুল মন্তুর মাকে বিচার দিয়েছে। সে নাকি টুনিকে ডিস্টাব করে। আপর দিকে আম্বিয়া টুনিকে বলে দিয়েছে সে যেন মন্তুর পিছনে না ঘুরে। মন্তুর বয়স ২৫। পড়ে একটা পাবলিক ভার্সিটিতে। টিউশনি করে তার পড়ার খরচ জোগায়। আর টুনি তার দুই বেচ জুনিয়ার। টুনি মুকবুলের বিয়ে করা স্ত্রী। সকলের ধারনা টুনির বিয়ের আগে মন্তুর সাথে প্রেম ছিল। [বিস্তারিত দিন বাড়তেছে, সে হাজার বছরের পুরানো দিন]
আগে বলে রাখি আমাকে নিয়ে কেউ কিছু মনে করবেন না। আমার ফাষ্ট সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা। সে দিন ছিল রসায়ন পরীক্ষা। একটা অংক মাঝ পথে আটকে রয়েছি। কি করি কিছুতে মিলছে না। যায় ওয়াস রুম থেকে কাজটা সেড়ে আসি। ওয়াস রুমে দেখি, একটা হুজুর দাড়িয়ে আছে। আমার ধারনা হইতো অন্য কোন ডিপার্মেন্টের টিচার হতে পারে। তাই [বিস্তারিত অপ্রস্তুত ঘটনা]
ভালবাসি ভালবাসি ভালবাসি কত বলব তোমায়, ভালবাসা দিবে কিনা বল নয়তো আমি ঘুমায়। নয়তো শাহাজান তবু নিয়ে যাবো সুন্দরবন, বাঘ দেখাবো হরিণ দেখাবো আরো দেখাবো ভারতীয় বিদুৎ এর উৎপাদন। ভেবনা আমি শফি, বলবো না তোমায় তেঁতুল, তাই বলে ভেবনা আমি গয়েশ্বরের মত আবুল। গাড়ি আছে বাড়ি আছে এইসব বলে ভাড়ায়ও না দাম, তুমিও মনে রেখো [বিস্তারিত একটি উন্নত মানের কবিতা]
ঢাকার মানুষ না কি আঁকাশ দেখে না এখন শুধু আঁকাশ না সাথে মক্ত বাতাসও পাবে সেটা হাতিরঝিল। অথচ কিছু দিন আগে এই হাতিরঝিল ছিল দূর গন্ধ যুক্ত একটি স্থান। আর এখন ফ্রেন্ড এর সাথে আড্ডা দেওয়ার একটা সুন্দর স্থান। এইটার মূলে রয়েছে আমাদের সরকার। জনগন যদি বোঝে তাহলে আওয়ামী লীগকে আর ভোট চায়তে হবে না। [বিস্তারিত একটি পুরাতন কথা]
জয় বাংলা , জয় বঙ্গবন্ধু না কি আওয়ামী লীগের শ্লোগান। তার মানে বঙ্গবন্ধু শুধু আওয়ামী লীগের । তাহলে যদি ‘বাংলাদেশ নামের একটি অংক করে তার উত্তর কি আসবে ? এক বার শাহাবাগে এক ভাইকে জিজ্ঞেস করলাম ‘ভাই এখানে জয় বাংলার পর জয় বঙ্গবন্ধু বলে না কেন?’ ভাই বললো ‘ এখানে রাজনীতির শ্লোগান দেবে না।’ কথা [বিস্তারিত “জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু” শুধু কি আওয়ামী লীগের শ্লোগান?]