পোখারার “ডেভিস ফলস্”

নিসর্গ ভরা নেপালের পোখারা শহরে অবস্থিত ফেওয়া লেক। ফেওয়া লেক পানি সরবরাহ পায় পাশে দাড়িয়ে থাকা অন্নপূর্না রেঞ্জ, ফিশটেইলসহ অন্যন্য সুউচ্চ পাহাড়গুলো থেকে। সেই ফেওয়া লেক যখন কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় তখন কিছু পানি উপচে পড়ে একটা নালার মতো অংশ দিয়ে। ফেওয়ার উপচে পড়া দুধ সাদা পানি যেখানে এসে তীব্র গতিতে নিচে পড়ে একটা [বিস্তারিত পোখারার “ডেভিস ফলস্”]

পরিযায়ী পাখি দেখার এইতো সময় (টাঙ্গুয়ার হাওর)

টাঙ্গুয়ার হাওর বা টাঙ্গুয়া হাওর, বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি হাওর। প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এ হাওর বাংলাদেশর দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি। স্থানীয় লোকজনের কাছে হাওরটি নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল নামেও পরিচিত। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার স্থান, প্রথমটি সুন্দরবন। শীত মৌসুমে পানি শুকিয়ে কমে গেলে এখানকার প্রায় ২৪টি বিলের পাড় [বিস্তারিত পরিযায়ী পাখি দেখার এইতো সময় (টাঙ্গুয়ার হাওর)]

পরিযায়ী পাখি দেখার এইতো সময় (বাইক্কা বিল)

শীতকালে বাংলাদেশে পরিযায়ী পাখির আধিক্য দেখা যায়। তার মধ্যে অন্যতম হলো মৌলভীবাজার জেলার প্রখ্যাত চা-সমৃদ্ধ শহর শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওড়ের পূর্বদিকের প্রায় ১০০ হেক্টর আয়তনের জলাভূমি বাইক্কা বিল। এই বিল শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। ১ জুলাই ২০০৩ তারিখে বাংলাদেশের ভূমি মন্ত্রণালয় এই বিলটিকে মৎস্য সম্পদের একটি অভয়াশ্রম হিসেবে সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেয়। আইড়, কই, [বিস্তারিত পরিযায়ী পাখি দেখার এইতো সময় (বাইক্কা বিল)]

পরিযায়ী পাখি দেখার এইতো সময় (জাহাঙ্গীরনগর)

প্রতি শীতে পরিযায়ী পাখিদের আড্ডায় ভরে উঠে প্রকৃতির অপরূপ রূপে সজ্জিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। শীত আসার আগেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে নানা রকম পরিযায়ী পাখি আসতে থাকে এবং আবাস হিসেবে তারা বেছে নিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকগুলো। অবশ্য শুধু পাখি দেখার জন্যই জাহাঙ্গীরনগর যেতে হবে এমনটি ভাবার কোন কারণ নেই, শুধু প্রকৃতি দেখার জন্যও একদিন ঘুরে কাটানো [বিস্তারিত পরিযায়ী পাখি দেখার এইতো সময় (জাহাঙ্গীরনগর)]

কৈফিয়ত

আমি সোনেলার নতুন ব্লগার। লেখার বেলায় অত্যন্ত ঠনঠন বলে ছবি দিয়া ব্লগ সাজানোর চেষ্টা করি। ব্লগিং, ছবি তোলা আর ভ্রমণ আমার নেশা। আমি একটু সময় অন্য দিকে কমিয়ে হলেও সোনেলায় সময় দেওয়ার এবং সবার সব পোষ্ট পড়ার চেষ্টা করি। আগে বড় কোন পোষ্ট দেখলে দৌড়ে পালাতাম, এখন চেষ্টা করি পড়তে এবং অল্প কথায় হলেও মন্তব্য [বিস্তারিত কৈফিয়ত]

ঢাকা টু চট্টগ্রাম – তেজগাঁও (স্টেশন নং-২)

একদিন বিকেল বেলা কয়েক বন্ধু মিলে রেল লাইনে হেটেছিলাম, আশেপাশের চমৎকার পরিবেশ ও গ্রাম্য প্রকৃতি আমাকে পাগল করেছিল, তারপর আরো কিছু পাগলের সাথে শলা-পরামর্শ করে বেড়িয়ে পড়ি রেল লাইনে হেটে হেটে গ্রাম বাংলাকে দেখার জন্য। এবং সিদ্ধান্ত নেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেল লাইন ধরে হাটবো। এটাই ছিলো আমাদের রেল লাইন পরিকল্পনা, ইতিমধ্যেই আমরা চট্টগ্রাম [বিস্তারিত ঢাকা টু চট্টগ্রাম – তেজগাঁও (স্টেশন নং-২)]

আরমান বোর্ডিং

গ্রীস্মকালীন ছুটি। কক্সবাজার যাব । কিন্তু অনেক টাকা খরচ হয় বিধায় আমার কিশোর বয়সী কোন বন্ধুর পক্ষেই যাওয়া সম্ভব হলনা । অগত্যা একাই যাওয়া। খুব সকালে রওয়ানা দেওয়ার পরও কক্সবাজার পৌছতে বেজে গেল রাত ১০ টা। যদিও গ্রীস্মকালীন রাত ১০ টা খুব একটা রাত নয়, তথাপি আমার মত সতের বছরের একটা কিশোরের জন্য এটা নিশি [বিস্তারিত আরমান বোর্ডিং]

নাগাল্যান্ডের হর্ণবিল ফেষ্টিভাল

উত্তরপূর্ব ভারতের সেভেন সিষ্টার রাজ্যের ভারতের অন্যতম কনিষ্ঠ রাজ্য নাগাল্যান্ড, যার আয়তন ৬৩৬৬ বর্গমাইল। নাগাল্যান্ডের রাজধানী কোহিমা। পাথরের চাদর বিছানো আগোছালো ঠাস বুননের শহর কোহিমা। আর নাগারা ইতিহাসের অন্যতম দূর্ধর্ষ জাতি। তাই এই পাহাড়ি রাজ্যের প্রতি পর্যটকদের রয়েছে গা ছমছমে আকর্ষণ। নাগাল্যান্ড রাজ্যে নাগা উপজাতির অন্তত ষোলটি প্রধান সম্প্রদায় বসবাস করে আঙ্গামি, আও, চাকেসাং, কোনিয়াক, [বিস্তারিত নাগাল্যান্ডের হর্ণবিল ফেষ্টিভাল]

মেঘের উপর বাড়ি…………..

হুমায়ুন আহমেদের একটা উপন্যাসের নাম আছে মেঘের উপর বাড়ি । সেই উপন্যাস আমার পড়া হয়নি । তবে মেঘের উপরের বাড়িতে একদিন অবস্থান করে আমি বুঝেছি ওখানে বসে নিঃসন্দেহে একটা উপন্যাস লিখে ফেলা যায় । বুঝতে পারছেন না? কোন জায়গার কথা বলছি? জায়গাটার নাম পাসিং পাড়া । ইহা একটি আদিবাসী গ্রাম । কেওকারাডাং পর্বত থেকে পূর্ব [বিস্তারিত মেঘের উপর বাড়ি…………..]

ঢাকা টু চট্টগ্রাম – কমলাপুর (স্টেশন নং-১)

(পাগল পাগল মানুষগুলা, পাগল সারা দুনিয়া। আমিও তেমনি একজন পাগল মানুষ। জানিনা সোনেলার ব্লগারগণ আমার এই পোষ্টকে কিভাবে নেবেন। যদি পাগলকে পাগলামীতে উৎসাহ দেন তাহলে চালিয়ে যাবো, অন্যথায় এটাই এই বিষয়ে আমার শেষ পোষ্ট) একদিন বিকেল বেলা কয়েক বন্ধু মিলে রেল লাইনে হেটেছিলাম, আশেপাশের চমৎকার পরিবেশ ও গ্রাম্য প্রকৃতি আমাকে পাগল করেছিল, তারপর আরো কিছু [বিস্তারিত ঢাকা টু চট্টগ্রাম – কমলাপুর (স্টেশন নং-১)]

হনুমানের দেশে…………..

কেশবপুর থানার মোড়ে একদল হনুমান খেলা করছিল। পাশের এক দোকানী একটি হনুমানের লেজ কেটে দেয়। হনুমানরা দল বেঁধে কাটা লেজটি নিয়ে চলে যায় থানার ভেতর। থানার ডিউটি অফিসারের সামনে গিয়ে হনুমান গুলো চিৎকার শুরু করে দেয়। থানার ডিউটি অফিসারের দিকে হাতজোড় করে নিবেদন করে-এর বিচার চাই। অভিযোগ তাদের এক সতীর্থের লেজ কেটে দিয়েছে মানুষরূপী এক [বিস্তারিত হনুমানের দেশে…………..]

পুনাখা জং

পুনাখা জং (পুংতাং ডিছেন ফোটরাং জং হিসেবেও পরিচিত) যার অর্থ পরম সুখময় প্রাসাদ। জং অর্থাৎ বিভাগের প্রধান সরকারী এবং ধর্মীয় কার্যালয় । প্রাসাদটি ১৭৩৭-৩৮ সালে যাবদ্রারং রিনপোছে দ্বারা নির্মিত হয়েছিল যার স্থপতি ছিলেন নাগাওয়াং নামগিয়াল। এটি জং স্থাপত্যশিল্পের দ্বিতীয় পুরাতনতম এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাসাদ এবং তাদের নির্মিত রাজকীয় প্রাসাদগুলো অন্যতম একটি। জং এর এই প্রাসাদে [বিস্তারিত পুনাখা জং]

রোনিন পাড়া টু ব্যঙ্গছড়ি

এ্যডভেঞ্চার ট্যুর করতে হলে বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকা গুলো অনন্য। পাহাড়ি দুর্গমতাকে যারা ভালোবেসেছে তারা পাহাড়ের ডাক কে অগ্রাহ্য করতে পারে না। আমি ও কিছুটা তাই। যখন নিজের কাজ করে হাঁপিয়ে উঠি তখনি একটু রিলাক্সের জন্য এ্যডভেঞ্চারের খোঁজে বেড়িয়ে পড়তে মন চায়। আর আমার পছন্দের একেবারে প্রথম সাড়িতে আছে পাহাড়ের দুর্গমতা। যেখানে সাড়ি সাড়ি সবুজ গাছ [বিস্তারিত রোনিন পাড়া টু ব্যঙ্গছড়ি]

দিল্লির আখড়া ও একটি মিথ

নাম শুনে ভাবছেন ভারতের রাজধানীতে এর অবস্থান? মোটেও না। এই দিল্লির আখড়া কিশোরগঞ্জের হাওর অধ্যুষিত মিঠামইন উপজেলার শেষ প্রান্তে একটা প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত। চারিদিকে প্রায় তিন হাজার হিজল গাছ বেষ্টিত সাড়ে চারশত বছরের পুরোনো এই আখড়া। দিল্লির আখড়ার প্রতিষ্ঠাকাল সম্পর্কে জানা যায়, দিল্লির সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়ে সাধক নারায়ন গোস্বামী এই আখড়া প্রতিষ্ঠা করেন। ইতিহাস বা [বিস্তারিত দিল্লির আখড়া ও একটি মিথ]

কাট্টলী সমুদ্র সৈকত

চট্টগ্রাম শহর থেকে কিছুটা দূরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে আকর্ষণীয় সমুদ্র সৈকতটির নাম কাট্টলী সমুদ্র সৈকত। পাহাড়তলী থানার দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডের এই সমুদ্র সৈকতটি অনেকের কাছেই অজানা। এই সৈকতটির আরেকটি নাম হল জেলেপাড়া সমুদ্র সৈকত। এখানে খুব কাছ থেকে জেলেদের জীবনযাত্রা দেখা যায় এবং ইচ্ছে হলে তাদের কাছ থেকে মাছ কিনেও আনা যায়। একদিকে সমুদ্র [বিস্তারিত কাট্টলী সমুদ্র সৈকত]