কবি আর পাঠকের নগরী

ভেবেছিলাম কয়েক পশলা অঝর শ্রাবনই যথেষ্ঠ।
না হয়নি! ভুল ছিল তা।
এখনো ঘর্মাক্ত নগর। ঘিনঘিনে বাতাস। বদ্ধ।
গুমোট বাতাসে এখনো ঘামের গন্ধ!

 

কিছু জীব তবু খুশী। বোবা-প্রায়।
মানুষ বলিনা এদের। আদম-কীট।
খুশীতে কিলবিল। এরা অবুঝ।
এদিকে পঙ্কিল সরকারী বেসরকারী রাস্তাগুলো।
অথছ এখনো সমানে তৃষিত কৃষকের মাঠ! জঘন্য!

 

শুধু শ্রাবণে হবেনা, বুঝেছি এখন।
মেঘের জলের বান চাই। নদীর জলে বড় ক্লেদ।
বানে ধুয়ে দেব ঘাম। কৃষক হাসবে তাজা হাসি।
যত আদমকীটের হবে সলিল সমাধি।

 

নগর শুদ্ধ হবেই। সতেজ হবেই।
নাগরিকগুলো সব হবে হয় কবি নয় পাঠক।
আমি নাছোড়বান্দা।

.
মোট পড়েছেনঃ ১,০৩২জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

    1. আপনার কথাটা ঠিক বুঝতে পারছিনা ভাই।
      কী দেখা যায়, কী দেখা যায় না একটু খুলে বলুন দাদা।

      আর এব্যাপারে আমি এডমিনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

      1. প্রজন্ম৭১ , হ্যা এই কবিতায় প্রথম পাতায় ভিন্ন একটি ছবি দেখা যায় , যা বিস্তারিত কবিতায় গেলে দেখা যায় না । বিস্তারিততে ভিন্ন আর একটি ছবি।
        ভালোই লাগছে দুটো ছবি , থাকুক না এভাবে !! 🙂

মন্তব্য করুন