ফিলিস্তিনের বাতাসে এখন বারুদের তীব্র গন্ধ
চারিদিক হতে ভয়ংকর রুপে রাহু করেছে গ্রাস
জীবন বাঁচাতে ছুটছে মানুষ সাথে নিয়ে ত্রাস
বোমা দেয়াল হয়ে ঘিরে ধরে তীব্র বিস্ফোরণে
তীব্র আর্ত-চিৎকারে মানুষ মরছে প্রতি ক্ষণে।
:
বোমার চোরাবালিতে আটকে পড়েছে মানবতা
শিশুর রক্তে লংঘিত হচ্ছে অধিকার
মায়ের রক্তে-বাবার রক্তে সন্তানের আহাজারি
আজ আকাশে ভয়ংকর রক্ত মেঘের ছড়াছড়ি।
:
হানাদার বাহিনী পাল্লা দিয়ে ধ্বংস করছে বাসস্থান
হাসপাতাল গুড়িয়ে দিয়ে বাবার কোলে তুলে দিচ্ছে সন্তানের লাশ
মানবতায় রক্ত ভিজিয়ে শত্রুরা করে উল্লাস।
:
উপর হতে বোম পড়ছে, ট্যাংকের গর্জনে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে জনপদ
“বাঁচাও আমাদের” শিশুর আবেদনে বাড়ায় দীর্ঘশ্বাস
প্রতি মিনিটে মানুষ মারছে-এ কি তবে পরিহাস!
:
বোমের আঘাতে মানুষের দেহ হচ্ছে ছিন্ন- ভিন্ন
মধ্যপ্রাচ্য তখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন
কে ধরিবে হাল, কে উড়াবে পাল, কে হাকিবে হেইয়ো
জাগো বিশ্ব, কণ্ঠে তোল প্রতিবাদ
মানুষ বাঁচানোর মিছিলে হও আগুয়ান।
:
২৯ অক্টোবর,২০২৩
মোট পড়েছেনঃ ৭২৮জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
মানবতাহীন বিশ্ব দেখছে মানুষ, স্বার্থ ও ধর্মের নিকট অসহায় মানুষ।
আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ মজিবর ভাই।
আসলে এখানে রাজনৈতিক স্বার্থ সবচেয়ে বেশি। আমারতো মনে হয় এখানে ধর্ম নয়-মধ্যপ্রাচ্যকে দমিয়ে রাখতে এবং সম্পদ আহরণ করতেই একটার পর একটা দেশে কৌশলে এহেন কাজ সুপরিকল্পিতভাবে করা হচ্ছে। যেখানে এখন মানবতা অসহায়। পশ্চিমারা মানবতা শেখায়-সেই মানবতাই এখন চার দেয়ালে ডুকরে কাঁদছে।
শুভকামনা ও দোয়া রইলো।
খুবই সত্য বলেছেন আপনি।
প্রিয় লেখক ! দোয়া করবেন যেন সব সময় সত্যের পক্ষে থাকতে পারি।
ফিলিস্তিনির এ দৃশ্য রক্ত ক্ষরণ সৃষ্টি করে। নির্বিচারে এতো মানুষ হত্যা করছে অথচ বিশ্ব নির্বিকার। এখন মনে হয় হিটলার কেন সকল ইহুদিকে শেষ করলো না। আর কতো রক্ত ঝরলে শান্তির পায়রা উড়বে। চমৎকার লিখেছেন। ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো।
আপনার গঠনমূলক সুন্দর মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। এখনই বিশ্ব বিবেক জাগ্রত না হলে পরিণতি ভয়ানক হতে অতি ভয়ংকর রূপ ধারন করবে। রাজনৈতিক মারপ্যাচের কুট চালে লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করছে।
শুভকামনা রইলো বোনটি আমার ।
সত্যি বড়ো কঠিন আর দুঃখ জনক দৃশ্য আমাদের দেখতে হচ্ছে। মানুষের বিবেক জাগ্রত হোক এই কামনা। শুভ কামনা ও ধন্যবাদ ।
আপা ! আসলেও আমাদেরকে কঠিন আর দুঃখজনক দৃশ্য দেখতে হচ্ছে-ঠিক অসহায়ের মত। বিশ্বের মানুষের বিবেক জাগ্রত হোক। মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়াক-এটাই কামনা।
আপনার জন্য অনেক অনেক দোয়া রইলো আপা।
যুদ্ধ কখনোই সমর্থন করা যায় না কিন্তু যুদ্ধ যদি হয় মতৃভুমির জন্য সেখানে সমর্থন দেয়া যায়।বিশ্ব রাজনীতির করলাগ্রাসে এখন ফিলিস্তিনি।তাদের আত্মত্যার তাদের স্বাধীনতা এনে দিবে।
ভাল লিখেছেন।
ভাই, অনেক দিন পর ব্লগে এসেছি। আপনার মন্তব্য পেয়ে ভীষণ ভাল লাগলো। ফিলিস্তিনিরা বিশ্বের বুকে একটি স্বাধীন দেশে বসবাস করুক-এটা হোক আমাদের প্রত্যাশা। সেখানে ইসরাইল দ্বারা গণহত্যা বন্ধ হোক।
আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো।
ভাল থাকবেন।ধন্যবাদ।