রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়। প্রজার জীবন যায়। এক রাজা হারে, আরেক রাজা জিতে। নতুবা দুজনের মধ্যে সন্ধি হয়। রাজাদের কিছু আসে যায় না। শুধু প্রজারা কিছু অচল সময়ের সাক্ষী হয়ে থাকে।
নিউ মার্কেটের দোকান আবার খুলবে। ক্রেতা- বিক্রেতার সমাগম হবে। বিক্রেতারা নানা পসরা সাজিয়ে বসবে। ক্রেতা তার পছন্দ অনুযায়ী পণ্য কিনে বাড়ি ফিরবে। শুধু নাহিদ আর ফিরে যাবে না তার মায়ের কোলে।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা আবার বইয়ের পাতায় দৃষ্টি দিবে। ক্লাস হবে, পরীক্ষা হবে, ফলাফল বের হবে। একসময় তারা নিজ সফলতার সীমানার প্রান্তে পৌঁছে যাবে। শুধু নাহিদ আর পৌঁছাতে পারবে না প্রিয়জনের কাছে।
এক মা তার সন্তানের জন্য গরম ভাত প্লেটে নিয়ে আর অপেক্ষা করবে না। বাবা আর বলবে না- কিরে বাবা, আজ এত দেরি করে ফিরলি যে? বেশি কাজ পড়ে গিয়েছিল বুঝি।ছোট ভাইটি আবদার করে বলবে না- আমার জন্য খেলনা আনতে হবে কিন্তু। প্রিয়তমা স্ত্রী মুখভার করে, গাল ফুলিয়ে অভিমানের সুরে বলবে না, আজও চুড়ি আনতে ভুলে গেলে। স্কুলপড়ুয়া বোন বলবে না – ভাইয়া আসার সময় নীলক্ষেত থেকে বইটি আনতে ভুলনা কিন্তু।
প্রতিদিন সূর্য উঠবে অস্ত যাবে। দিন গড়িয়ে বছর পার হবে। ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা আবার দলবেঁধে নিউ মার্কেটে যাবে। ফুচকা খাবে আড্ডা হবে। সাধারণ নাহিদের কথা কে মনে রাখবে। নাহিদরা এভাবে হারিয়ে যায়। পিচঢালা পথের রক্ত মুছে যায়। একটি পরিবারের স্বপ্ন, একটি পরিবারের আশা শেষ হয়ে যায়। কেউ মনে রাখেনা। কেউ মনে রাখতে পারে না। স্বপ্নে হারানো পরিবারটি শোকাবসন পরে বেঁচে থাকে। বেঁচে থাকতে হয়।
ছবি সংগ্রহ-নেট থেকে।
সব আগের নিয়মেই চলবে
পড়বে চঞ্চলা শ্বাস,
ফিরবে না নাহিদের আর শ্বাস।
দুঃখজনক!
আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জানবেন সতত।
চমৎকার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো।
দুঃখজনক। সহানুভূতি প্রকাশ করছি ।
ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো।
এঘটনা বড়ই দুঃখজনক এতদিন ক্ষমতা থাকার পর এরকম পরিবেশ হয় বড় দুঃখজনক
এরকম দুঃখ জনক ঘটনা ঘটেই চলেছে। সুন্দর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
দুঃখজনক। ঢাকা কলেজ, ভার্সিটি, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ সাথে মার্কেট একেবারে কোন পরিবেশই নাই। এরপরও এমন হতে পারে। সুরাহা দরকার।
সবাই একরকম ভাব নিয়ে চলে। সামান্য বিষয়ে হানাহানি। কি যে অবস্থা। অশেষ ধন্যবাদ আপা। ভালো থাকবেন।