কৃতিত্ব আর কর্ত্বত্ব এক নয়

সংসার সুখের হয় রমনীর গুনে

গুনবান পতি যদি থাকে তার সনে।

 

আবার,

 

পৃথিবীর যা কিছু সুন্দর  চির কল্যানকর অর্ধেক গরিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর।

 

সুতরাং নারীকে মর্যাদা দিন এবং নারীর অধিকার রক্ষায় ইতিবাচক উন্নয়নে সহায়ক হউন। নারীর সরলতাকে দূর্বালতা বা বোকামী মনে না করে বন্ধুত্ত পূর্ন আচরন করুন। নারী মা, নারী কন্যা, নারী বধু, নারী ভাবী, নারী ননদ, নারী খালা, নারী ফুফু,নারী শাশুরী,নারী নানী, নারী দাদী, চাচী, মামী, কতটি চরিত্র একটি জীবনে পার করতে হয় স্তরে স্তরে। তবেই সে পুনাঙ্গ একটি ব্যক্তিত্ব।  নিজের মা, বোন কে যেভাবে হেফাযত করেন অন্যের মা বোন ও যেন আপনার দ্বারা হেফাযত থাকে সদা সেই দক্ষতা অর্জন করুন।

 

কৃতিত্ব আর কর্তৃত্ব এক নয়।

 

একদা একজন সাহাবী নবী করিম হযরত মুহাম্মদ (স:) কে প্রশ্ন করলেন আপনার নিকট সবচেয়ে  প্রিয় ব্যক্তি কে?

 

নবীজি তিন বারই উওর দিয়ে ছিলেন তার প্রিয় বা সম্নানের ব্যক্তি মা, মা, এবং মা। চতুর্থ বার বলেছিলেন বাবা।

কারন  হলো – মা ১০ মাস ১০দিন সন্তান গর্ভে ধারন করেন। প্রশব বেদনা ৭৫% সর্য্য করেন। যার ৪৫%একজন সাধারন মানুষ সর্য্য করার ক্ষমতা রাখেন। এবং মাতৃদুগ্ধ পান করান নবজাতকে। যার একটিও বাবাকে করতে হয় না। তাই মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেস্ত।।

 

মায়ের একদাগ দুধের দাম। কাটিয়া গায়ের চাম পাপোস বানালেও শোধ হবে না…………………..

আমার মা।

 

সেই মাকে যেন বৃদ্বাশ্রমে যেতে না হয়। অকালে দেখতে না হয় পরিবারের একমাত্র মেয়ের লাশ রের্পট হয়ে পরে আছে। যৌতুকের কারনে সংসার ভাংগায়  লোক-লজ্জায় সদ্য বিবাহিত  মেয়ের জুলন্ত লাশ কিংবা সত্য প্রতিবাদে চরিত্রহীনার অপবাদ। চাকুরী করা বা মেধাবী হলে পড়া লেখা না করতে দিতে চোখ তুলে দেওয়া বা হাতের আঙুল কেটে নেওয়া। অবশ্য এ সবই আমাদের সকলের নিত্য দিনের জানা ঘটনা।

 

তাই আসুন আমরা সকলে সচেতন হই। তাহলে সমাজ থেকে নারীকে অর্মযাদা ও নারী সতীত্ব হরন করার মত দুখজনক ঘটনা থেকে বিরত থাকতে পারবেন।

 

নারীকে সুশিক্ষিত হতে সহায়তা করুন। নারী সাবলম্বী হলে আপনিই বেশী উপকৃত হবেন।

আপনি, সমাজ ও রাস্ট্র নিরাপদ থাকবেন। কর্মস্হলে নারীকে সহায়তা করুন। যাতায়াতে নিরাপত্তা দিন।

সুন্দর করুন পৃথিবীর আবাস।।

 

সৈয়দা শাহানাজ পারভীন (খুকু)।

আপনালয়

  1. ২৫ জুন ২০২০
মোট পড়েছেনঃ ৮০০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৮টি মন্তব্য

  1. নারীর মাতৃত্ব, মর্যাদা নিয়ে সুন্দর এবং প্রাণবন্ত লেখা। নারী জাতিকে উপেক্ষা করে অবমুল্যান করে সমাজ এগুতে পারবে না। নারীকে তাঁর প্রাপ্য সম্মান ইজ্জত আর মর্যাদা দিতেই হবে শান্তির ধর্ম ইসলামও তাই বলে । ধন্যবাদ সুন্দর লেখার জন্য।

  2. একদম ঠিক, আমরা নারীদের কৃতিত্ব দিলেও কর্তৃত্ব দিতে একদমই চাইনা। এই মানসিকতার অবসান অচিরে হবে বলে মনেও হয়না।

    শিরোনামের কর্তৃত্ব বানানটি কর্ত্বত্ব হয়েছে। ঠিক করে দিন। চমৎকার পোস্ট লিখেছেন। শুভকামনা রইলো।

  3. অভিন্ন মতামত।

    শুধু বলবো- ধর্ষনের মতো জঘন্য একটি অপরাধের বিচার কার্যক্রমের মানদন্ড আরও মজবুত এবং স্বচ্ছ হওয়া চাই।

    একটা অবিচার যেন নিভৃতে না কাঁদে, আবার একটাও বিচার যেন বীনা অপরাধে কাউকে ভোগ করতে না হয়।

    মূল্যবান পোষ্ট

মন্তব্য করুন