নভেল করোনাভাইরাসের প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে। ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাপী মহামারিতে রূপ নিয়েছে কোভিড-১৯। এই অবস্থায় ‘লকডাউন’ শব্দটি বেশ আলোচনায় এসেছে। ‘লকডাউন’ শব্দটি করোনাভাইরাস আবির্ভূত হওয়ার পরেই আমি প্রথম শুনেছি।
এই ‘লকডাউন’ শব্দ দ্বারা আমরা কী বুঝি? ‘লকডাউন’-এর শাব্দিক অর্থ তালাবদ্ধ করে দেয়া। শব্দটির ব্যাখ্যায় ক্যামব্রিজ ডিকশনারিতে বলা হয়েছে, কোনো জরুরি পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষকে কোনো জায়গা থেকে বের হতে না দেয়া কিংবা ওই জায়গায় প্রবেশ করতে বাধা দেয়াই হলো ‘লকডাউন।’ এছাড়া অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারিতে বলা হয়েছে, জরুরি সুরক্ষার প্রয়োজনে কোনো নিদিষ্ট এলাকায় জনসাধারণের প্রবেশ ও প্রস্থান নিয়ন্ত্রণ করাই ‘লকডাউন।’
তবে ‘লকডাউন’ শব্দটির সরল বাংলা ‘অবরুদ্ধ’ কিংবা ‘প্রিজনে রাখা’ বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার মুনতাসির হাসান। এই মতটিকেই সমর্থন করে ইংরেজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, “এই শব্দটি নতুন আসায় এর বাংলা প্রতিশব্দ এই মুহূর্তে বলা কঠিন। তবে এর অর্থ ‘অবরুদ্ধতা’ হতে পারে।”
তিনি আরো বলেন, ‘জরুরি প্রয়োজনে কোনো এলাকায় প্রবেশ ও প্রস্থানের নিষেধাজ্ঞাই অবরুদ্ধতা।’
তবে আমি ‘লকআপ’ শব্দটি বহু আগে থেকেই শুনে আসছি। ‘লকআপ’ এর বাংলা প্রতিশব্দ সমূহ হচ্ছে কয়েদখানা, কারাগার, হাজত প্রভৃতি। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ‘লকআপ’ এবং ‘লকডাউন’ দুটো ভিন্ন শব্দ হলেও অর্থগত দিক হতে এদের মধ্যে কিছুটা সাদৃশ্য বিদ্যমান। তবে বর্তমানে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে লকডাউন তার সঠিক অর্থ হারাতে বসেছে। লকডাউন উপেক্ষা করে কিছু কিছু মানুষের অযথা বাইরে ঘোরাঘুরি এবং আড্ডাবাজি ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে যা মোটেও কাম্য নয়। মহান আল্লাহ আমাদের এই মহামারী হতে রক্ষা করুন। আমিন।
ভালো লিখেছেন। আমরা সবকিছু কেই অন্যরকম অর্থ তৈরি করতে ওস্তাদ।এটিই আমাদের কৃষ্টি কালচার হয়ে উঠেছে। ভালো থাকুন সবসময়
ধন্যবাদ দিদি। আপনিও ভালো থাকুন।
করোনার কারনে কিছু ইংরেজি শব্দ বহুল ভাবে প্রচলিত হয়ে গিয়েছে। যা সাধারন মানুষের কাছে দুর্বোদ্ধ। এগুলোর বাংলা অর্থ কি তাই সাধারন মানুষ জানেনা। যে কারনেই অজ্ঞতা হেতু মানুষ মজা নিয়ে বাইরে চলে আসছে।
সব কিছু আবার স্বাভাবিক হয়ে উঠুক।
অনেক দিন পরে লিখলেন,
শুভ কামনা।
সত্যিই লকডাউন এর অর্থ অনেকে বুঝতে চাইছে না আর বুঝতে পারলেও অনেকেই তা আমলে নিচ্ছে না। সবকিছু আবার স্বাভাবিক হয়ে উঠবে এই প্রত্যাশা করছি। ভালো থাকবেন প্রিয় জিসান ভাই।
লকডাউন, কোয়ারেন্টিন বা কোয়ারেন্টাই শব্দগুলো আগে কখনো শুনিনি, সবই করোনা ভাইরাসের অবদান।
আপনার মত আমিও আগে শুনিনি।
লকডাউন শব্দট শুধু করোনার ক্ষেত্রে নয় অনেক ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তবে আমরা অনেকেই প্রথম শুনছি।
ভালো লিখেছেন তবে এটি স্বাস্থ্যবার্তা বিভাগের লেখা কিনা বুঝতে পারছিনা। ভালো থাকবেন ভাই।
লেখাটি স্বাস্থ্য বার্তা বিভাগের কিনা সেটা আমিও বুঝতে পারছি না। ভালো থাকবেন তৌহিদ ভাই।
মানুষ মানুষের জন্য। জয় হবেই মানবতার l
মানবতার জয় হোক।
লকডাউন শব্দটার সাথে পরিচিত হয়েছি করোনার আবির্ভাব হওয়ার পর থেকে। এর বিস্তারিত অর্থ যাইহোক, আমরা লকডাউন বলতে এখন ঘরে থাকাকেই বুঝি 🙂
দুঃখজনক সত্যিটাই বলেছেন। আমাদের দেশের মোট জনগণের একটি বৃহৎ অংশই লকডাউনের তোয়াক্কা করছেন না শুরু থেকেই। তারা এই সময়টাকে সাধারণ হরতাল বা সরকারি ছুটির মতোই হয়তো ভেবে নিয়েছেন। আর এর ফলাফল আমরা দেখতে শুরু করেছি। মাসের চার তারিখে যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিলো শতকের ঘরে, সেখানে এখন সাত হাজার অতিক্রম করেছে। আগামীতে কত হবে তা ধারণা করা মুসকিল।
অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম, এখন থেকে নিয়মিত হবেন এটাই প্রত্যাশা করি।
ভালো থাকুন,
শুভ কামনা 🌹🌹
সত্যিই লকডাউন এর ব্যাপারটিকে অনেকেই তোয়াক্কা করছে না। অদূর ভবিষ্যতে যে কি হবে আল্লাহই জানে।
লকডাইন শব্দটির যথার্থ ব্যবহার করা আমাদের মত গবেট জাতির পক্ষে অসম্ভব। এইটাই সত্যি
লকডাউন, কোয়ারেন্টাইন প্রথম শোনা শব্দ। কোয়ারেন্টাইন উচ্চারণ করতে গিয়ে কতবার নাজেহাল অবস্থা হয়েছে তা বলে বোঝানো যাবে না।
প্রথম প্রথম কোয়ারান্টাইন শব্দটি উচ্চারণ করতে আমারও বেশ সমস্যা হয়েছিল।
সৃষ্টিকর্তা কখন কাকে কি শেখায় বলা মুশকিল
ঠিক বলেছেন ভাইয়া। সবকিছুই উপরওয়ালার ইচ্ছাতেই হয়।