“উফ আর কতক্ষণ, পা তো ব্যথা করছে। এবার একটু থামো”। হাঁপাতে হাঁপাতে কথাগুলো বলল রেশমা। রফিক এমন ভাব দেখাল যেন রেশমার কথাগুলো সে শুনতেই পায়নি। এদিকে রফিকও বেশ হাঁপিয়ে উঠেছে। বড় বড় নিঃশ্বাস ফেলছে। কপালে ঘাম জমছে আর মাঝে মাঝে বৃদ্ধা আঙ্গুল দিয়ে ঘামগুলো ফেলছে। নাহ এখন থামা যাবে না। আরও খানিকটা সময় চালিয়ে যেতে হবে।
“কি বলছি শুনছো না? বললাম পা ব্যথা করছে। এবার শেষ কর, আমি আর পারছি না”। রফিক তার গতিটি এবার একটু মন্থর করলো, কিন্তু থেমে গেল না। দৃষ্টি দিল রেশমা দিকে। কেমন যেন মলিন হয়ে গেছে ওর মুখটি। ঘামে সিক্ত হয়ে গেছে ওর সারা দেহ। দুহাত দিয়ে মুখমণ্ডলের ঘাম মুছতে মুছতে বলল, “খুব বেশি কষ্ট হচ্ছে? এইতো শেষ হয়ে যাবে, একটু ধৈর্য ধর”। কথাগুলো বলেই রফিক তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে গেল। এখন গতি মনে হচ্ছে খানিকটা বেড়ে গেছে। উপায়ন্তর না দেখে রেশমাও নাছোড়বান্দা রফিকের গতির সাথে তাল মিলিয়ে যাচ্ছে।
রফিক বা হাতটি উঁচু করে হাত ঘড়ির দিকে তাকাল। আগে থেকেই নির্ধারণ করা সময়টি শেষ হতে আর বেশি বাকি নেই। দুজনের বয়স এখন এমন পর্যায়ে যে অল্পতেই যেন হাঁপিয়ে যায়। আগের মত শক্তি-দৃঢ়টা এখন আর নেই। দুজনের শরীর বেশ ভারি হয়ে গেছে। বেশ মেদ জমেছে শরীরে। চিকিৎসকের পরামর্শে প্রতিদিনের মত ভোরে এ দুজন হাঁটতে বের হয়েছে এক ঘণ্টার জন্য। বাড়তি মেদ ঝরানোর প্রচেষ্টা চলছে। দেহকে তো সুস্থ রাখতে হবে।
হুমম, ভালোবাসার গল্প সাজিয়েছেন।
ধন্যবাদ।
ভালোবাসার হাঁটাহাটি খুব-ই দরকার এ সময়ে।
একদম।
পাঠককে নির্দিষ্ট সময় আটকে রেখে গল্পের শেষ পর্যন্ত নিয়ে যেতে সবাই পারেনা,,,, আপনি তা নৈপুণ্যের সাথেই পারেন। দারুন লিখেছেন।
সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে হাটা-হাটি করাটা বেশ জরুরী। সাথে সঙ্গী থাকলে আরো ভালো লাগে।
শুভ কামনা 🌹🌹
ঠিক পাশে সঙ্গী থাকলে হাঁটতে বেশ ভাল লাগে। বিশেষকরে প্রিয়জন।
আসলেই হাঁটাহাঁটি দরকার। সুস্থ থাকতেই হবে।
ওজন বেড়ে গেছে আমার। তাই হাঁটার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কমপক্ষে সারাদিনে ৭৫০০ পদক্ষেপ হাঁটা উচিত।
সুস্থতার জন্য নিয়মিত হাটাহাটি করা জরুরী। তবে শেষবয়সে দুজন দুজনার প্রতি চরম নির্ভরশীল হয়ে পড়ে বিধায় আবেগ অনুভূতিগুলি বেশী বেশী পরিলক্ষিত হয়।
ভালো লিখেছেন
ধন্যবাদ তৌহিদ ভাই।
কথায় আছে, ধন শুকায় ঘাটায়, মানুষ শুকায় হাঁটায়”। কিন্তু যাঁরা আজাইরা খাইয়া দাইয়া আর পরের বোস্কা মাইরা নিজের দেহ বানাইছে, হেরা হালার হারাদিন বইরা আঁইটাও দেহের ওজন কমাইতে পারতেছে না। এইডার কারণ কী? বুঝবার চাই!
কারণ অভিশাপ দাদা।
ভারি সুন্দর একটা গল্প।
আবার সাস্থ রক্ষার কবজ ও দিলেন।
চমৎকার।
ধন্যবাদ বাবু ভাই।
সুস্থতার জন্য নিয়মিত হাটাহাটি করা জরুরী।
খুব সুন্দর একটা গল্প।
বেশ ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ সঞ্জয় দাদা
ভালো, তবে রেল লাইন দেখে ভাবছি আমার ঢাকা থেকে চিটাগাং যাওয়ার পোষ্টগুলো দিয়েই দেই সোনেলায়।
ধন্যবাদ কামাল ভাই। কিন্তু রেললাইনের ব্যাপারটা মাথায় ঢুকল না এই অধমের।
তাহলে আপনার দেওয়া ছবির ওটা হয়তো ট্রাম লাইন।
একটা বয়সের পরে দেহ আর ইচ্ছে মত কাজ করেনা,
সুস্থ্য থাকতে হাটা হাটি জরুরী আমার, বলেছেন ডাক্তার।
শুভ কামনা।
ধন্যবাদ জিসান ভাই। শুভ কামনা আপনার প্রতিও।
বয়সের ভারে নুয়ে পরলে প্রিয়তমের সঙ্গ ছাড়েনি
দারুণ লিখেছেন
এ বয়সে একে অপরের প্রতি নির্ভরতা বেড়ে যায় । রুমন আপনার উপস্থাপনা বেশ ভাল । শুভ কামনা রইল।
ধন্যবাদ প্রিয় জসিম ভাই।
আরে বাহ, সিওমাইল ভাইও এখানে। আমরা সবাই চলে এসেছি এখানে।
দৃষ্টি দিল রেশমা দিকে। – রেশমার র নেই।
আগের মত শক্তি-দৃঢ়টা এখন আর নেই। এখানে দৃঢ়টা= তে তা হইবে।
দারুন লেখা।
ধন্যবাদ আপু।