দশটি আঙ্গুল ছুঁয়ে থাক
দশটি দিগন্তকে!
কনিষ্ঠায় থাকুক আলো
আর একটাতে থাক অন্ধকার!
অনামিকায় থাক চঞ্চলতা
আর একটাতে থাক নীরবতা!
মধ্যমায় থাক ব্যস্ততা
আর একটাতে থাক অপেক্ষা!
তর্জনীতে থাক অব্যক্ত কথা
আর অন্যটাতে শোনার অধীরতা!
বৃদ্ধাঙ্গুলে থাক পাশে থাকার আকাঙ্খা
আর অন্যটাতে হারাবার ভয়!
এভাবে জীবন চলুক
প্রতিটি প্রহর ধরে
দশটি দিগন্তকে ছুঁয়ে!!
মোট পড়েছেনঃ ৩,৩৮৪জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
সৃজনশীল সাহিত্যকর্ম নিঃসন্দেহে।
শুভেচ্ছা অফুরন্ত! মন্তব্য পড়লেই উৎসাহ বাড়ে।
কবিতা গভীর অর্থবোধক। তবে লেখাটা আরো উন্নত হতে পারতো।
যেমনঃ অনামিকায় থাক চঞ্চলতা, “আর একটাতে” থাক নীরবতা!
এখানে “আর একটা” বলতে কোনটা? নিশ্চয়ই অন্য হাতের অনামিকাকে বুঝিয়েছেন।
আমার কাছে মনে হচ্ছে সেটা স্পষ্ট করে লিখলে কবিতাটি আরো সুপাঠ্য লাগতো।
তাড়াহুড়ো করে লিখেছেন কি? একটু সময় নিয়ে লিখবেন। কবিতা লেখা একটা শিল্প, প্রতিটা কবিতার জন্যই পর্যাপ্ত সময় প্রাপ্য।
সেডরিকের সাথে একমত আপনার লেখা নিয়ে।
শুভ কামনা।
দশটি আঙ্গুল বলতে জোড়া বোঝানো হয়েছে।মন্তব্য ভালো লাগলো।এটা ১৯৯৬ সালের লিখা।
ভালো লেগেছে কবিতা। চমৎকার উপস্থাপন।
ধন্যবাদ।উৎসাহ পেলে ভালো লাগে
এভাবে জীবন চলুক প্রতিটা প্রহর ধরে – অপূর্ব লিখেছেন আপু, ধন্যবাদ।
মন্তব্য ভালো লাগলো
শুভেচ্ছা আপু।
বাহ! দশ আঙুলের কাব্য।
ভালো লেগেছে খুব।
এটা১৯৯৬ সালে লিখেছিলাম।দশ বলতে দুইজনার কাব্য!
কী অদ্ভুত জানেন দশ আঙুল নিয়ে আমিও একটা লেখা লিখেছিলাম। বহু আগে। তখন আমি ক্লাশ টেনে মনে হয়। তাই আরোও বেশি ভালো লেগেছে আপনার কবিতা।
দশভুজ সকল প্রাপ্য পূর্ণ হোক। সব আঙ্গুলের চাওয়া সফলতা পাক।
পূর্ণ হোক তবে!
কেমন করে যে লিখে যাও কবিরা ভাবি মনে মনে আলপনা আকতে পারিনা।
এভাবেই লিখতে থাকুন আপু। নতুন লেখক হিসেবে আপনি বেশ স্বচ্ছন্দ ভাবে সোনেলায় বিচরণ করছেন দেখে অনেক ভালো লাগছে।
ব্লগে লেখার সমালোচন হবেই। এটাকে পজিটিভ ভাবে নিন। দেখবেন ক্ষুরধার লেখক হতে সময় লাগবেনা।
শুভকামনা জানবেন।
আমার সমালোচনা ভালো লাগে।ভালো টা ওখান থেকে উঠে আসে।ধন্যবাদ
আঙুল নিয়ে যে এভাবে লেখা যায় তাতো মাথাতেই আসবেনা। কী সুন্দর!
খেয়াল করে দেখলাম অনেক সময় এক জোড়া মানুষ তাদের কনিষ্ঠা আঙুল ধরে ধরে হাঁটে। ব্যাপারটা ভাবতে ভালো লাগলো একজন অন্ধকার আর একজন আলো নিয়ে হাঁটছে, তাই বুঝি কখনই সম্পর্ক অন্ধকার হয়না।
ভালো লেগেছে খুব।
আপনি ঠিক ধরেছেন। প্রেমিক প্রেমিকার দশ আঙ্গুল।ধন্যবাদ আপনাকে