তুমি এলে ফাগুনে

ঘুমহীন এক রাতে মায়াবী চাঁদের জোছনায়
একেঁ ছিলাম আমার প্রিয়’র ছবি,
তোমার ছবি ।

তুমি এসেছো বসন্ত হয়ে এই ফাগুনে,
স্বপ্ন-সমুদ্র পাড়ি দিয়ে, আর-জনম জয় করে।
অথচ, তোমায় স্বপ্নে দেখবো বলেই বন্ধ রেখেছিলাম
সকল স্বপ্ন-দ্বার !

হৃদয়ে যে ছবি আঁকা ছিলো
সেই প্রতিবিম্ব নিয়েই এসে দাড়িয়েছো সম্মুখে,
যতকথা কথা বলার ছিলো,
তোমার আগমনে
সব ভাষা গেলো হারিয়ে।

তোমায় দেখার পর,
চমকে উঠা হৃদি-যন্ত্রটি যেনো থমকে গেলো
তিল-বিরতি নিয়ে জানান দিলো সে বন্ধ হয়ে যায়নি।

ভীরু হাওয়া নিরবতা ছিন্ন করে দমকা রূপে
হিস-হিসিয়ে ফিস-ফিস করে বলে গেলো
তারও প্রাণ আছে।

আর আমি ?
আকণ্ঠ-ডুবে গেলাম তোমার অথৈ প্রেম-সুধায়।

* বসন্তের অ- কবিতা *

মোট পড়েছেনঃ ১,৮৮৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩০টি মন্তব্য

  1. তুমি এসেছো বসন্ত হয়ে এই ফাগুনে
    স্বপ্ন সমুদ্রে……. বাহ্….. ভাসুক তবে স্বপ্ন সমুদ্রে ভালোবাসার সাম্পান। শুভ কামনা।

  2. আপুরে, যার জন্য এত ভালোবাসা তিনি খুবই ভাগ্যবান। তবে হৃদযন্ত্র থেমে গেলে কিন্তু সমস্যা, হার্টে পাম্প করার যন্ত্র তেনার কাছে আছেতো!!

  3. যাক, শেষ-মেষ অ-কবিতায় ভর করে হলেও বসন্ত এসে পড়েছে ডাকাবুকো বাবুটি হয়ে
    শুনলেও ভাল লাগে। আসুক আসুক বারে বারে আসুক, এসে-টেসে লুটিয়ে পড়ুক লুতুপুতু করে তাই-ই চাই।
    পাঠক বলে কথা, সে কবিতার যত ভ্য়-ই করুক, কবিতাকে ঠেকিয়ে রাখা যাবে না, যায়নি যেমন আগেও।
    ফাগুনের কাখে চড়ে সে আসবেই।
    আহা, চাঁদের জ্যোৎস্না-খেলা আমরাও কল্প চোখে আবছা মত দেখতে পাচ্ছি।

    চালু রাখুন,
    এমন জ্যোৎস্না-কেলি
    আমরাও ভাসি নিরবধি।

    1. লুতুপুতু ! চার ু দিয়ে এক কথায় এত দারুন মন্তব্য দেখে আমার আবেগে একদম লুটিয়ে পরার দশা হয়ে গেছে মহারাজ 😂

      জোছনা কেবলই ভাসায়, ভাসতে থাকুন স্বপ্ন-জোছনার জলে। কেমন লাগলো আমাদেরও জানিয়ে দিবেন নিজের মতো করে- আপন সৃষ্টি মহিমা দিয়ে।

      অপেক্ষায়, শব্দের প্রতিশব্দে …

      1. আধো-স্বপ্ন-ঘুম-জাগরণে খেলাচ্ছলে ভাসানো নৌকা
        সত্যি সত্যি ভেসে যেতে চাইলে একাকীত্বের হাড়-কাঁপানো শীতল-ছুরি
        আমুল বিঁধে যেতে পারে বুকের গহিন-গভীরে,
        ব্যর্থতার হুল্লোর পায়ে দড়ি বেঁধে ফেলে রেখে হেঁটে যেতে পারে
        পাশ কাটিয়ে, জ্বর-হৃদয় অন্ধকারের সুগভীর গহ্বরের ফেলে দিয়ে।
        বসন্তপুরে বসন্তেরা লুকিয়ে থেকে শূন্যে শূন্য হয়ে ভাসে।

  4. হায়রে ফাগুন লাগলো আগুন
    হোটেল রেস্তোরাঁয়,
    প্রেমিক যুগল ঘুরে বেড়ায়
    রাস্তায় রাস্তায়।

    ফাগুন এলে জ্বলে আগুন
    কোকিলের গায়,
    তাই কৃষ্ণচূড়ার ঢালে বসে
    কোকিল গান গায়।

    ফাগুনের আগুন জ্বলুক সবার মনে।

    1. ফাগুনের আগুনে কোকিলের গা জ্বলে ! জানতাম নাতো ! আমি মনে করতাম ওদের গলা জ্বলে তাই গলা ছেড়ে ডাকতে থাকে 🤔

      সবার মনে আগুন জ্লাটা বোধহয় ঠিক হবে না। পরে রাস্তা ঘাট, পার্ক, স্টেডিয়ামেও স্থান সংকট দেখা দিবে।

      শুভ কামনা দাদা, ভালো থাকবেন।

      1. ফাগুনের আগুনের তাপমাত্রা এতই বেড়ে যায়, বাকি সব ঋতুই জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যায়। কোকিলের গায়ে যদি ফাগুনের আগুন নাই-বা গালতো, তাহলে কোকিল ঋতুরাজ বসন্ত ছাড়াও গান গেয়ে যেত। ফাগুনের আগুনের তাপেই এই ঋতুতে কোকিল একটি বেশি গান গায়।
        আর রাস্তা জ্যামের কথা বলছেন? ফাল্গুনি উৎসবে দেখা যায় রাস্তাঘাটের অবস্থা। নদীর পাড়ের ঠাই পাওয়া যায় না, বসন্তীদের ভিড়ে। এ থেকে নিরাপদে থাকুন!
        ধন্যবাদ অজস্র।

    1. অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে। ব্যস্ত সময় পার করার পরেও এসে মন্তব্য করেন এই জন্য অবশ্যই কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।

      ভালোবাসা নিরন্তর ❤❤,

  5. তুলির আঁচরে কত কিছু একে যান একজন চিত্রকর,
    সবই কল্পনায়।
    আপনিও কল্পনার একজন _ তুমিকে আঁকলেন নিপুন ভাবে।

    বসন্ত বইয়ে সোনেলায় জোরে সোরেই,
    অ- কবিতা লিখলেই তা অ-কবিতা হয়না…….

  6. ঘটনা টা কী? সোনেলায় দেখি বসন্ত একেবারে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছে। থীম ছিলো নাকি বসন্ত নিয়ে লেখার জন্যে? চিন্তার ইমো।
    কবিতাতে তো পুরাই কিশোরী প্রেম দেখছি। 🙂

    1. সোনেলায় বসন্ত এনেছেন মহারাজ। শীত শেষে শিমুল তলায় গিয়ে কান্নারত বসন্তকে ধরে এনেছেন, আমাদের কাছে। আর আমরাও চেষ্টা করছি বসন্তের মুখে হাসি ফোটাতে। এটা অঘোষিত থিম।

      প্রথম প্রেমতো কিশোরী বেলা থেকেই শুরু হয় আপুমনি, সেই যেদিন থেকে রঙগুলোকে আলাদা করে চেনা শুরু হয়। প্রেমটাও এমনই। দেরীতে এসেছে, কিন্তু মনের কৈশোরের বেলাটাও কাটেনি আগে।

      বসন্ত লেখার আমন্ত্রনে সাড়া দিন, অপেক্ষা করবো।

      ভালোবাসা নিরন্তর প্রিয় ❤❤

মন্তব্য করুন