মুল্যবোধ।

সমাজে সত্যবাদিতা ও ন্যায় শৃঙ্খলা বা সত্য সুন্দরভাবে পাশিপাশি বসবাসে যে আদবকায়দা আচার ব্যাবহার তাই মূল্যবোধ।

আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের ভিতরে থাকা আদর্শ, সততা, নৈতিকতা খুইয়ে যাচ্ছি কোন না কোন কর্মে। যেমন বাসে উঠে ভাড়া মিথ্যা বলে কম দেওয়া, ছাত্রনা তবুও ছাত্র ফলাও করে ভাড়া কম দেওয়া।  বিভিন্ন স্থানে আমি অমক কিন্তু আপনি কিছুই না। যেমন পাচ টাকা ভাড়া দিলেন কন্ট্রাক্টর বললেন কোথায় যাবেন? যাত্রী -আগারগাও। কিন্তু তিনি আগারগাও তো নামলেন না গেলেন মহাখালি পার হয়েও আর দূরে। । এতে আমরা সাময়িক আর্থিক সুবিধা পাচ্ছি। কিন্তু বিনিময়ে কি হারাচ্ছি।

আমরা বিনিময়ে ব্যাক্তি বিশেষ হারাচ্ছি, যেমন ১. জন্মদাতা বাবা-মার চাচা, দাদার আদর্শ। ২. নিজের ব্যাক্তি ইমেজ। ৩. পাশে বসে থাকা একজনের নিকট মিথ্যাবাদি। ৪.  পেশাভেদে হারাতে পারেন স্যার থেকে মনে মনে নিচু কিছু গালি।

সমস্টিক জিবনে।

১. মানুষ সৃষ্টির সেরা জিব থেকে আপনার বিবেক লোপ। ২. সমাজে কিছু আদর্শ প্রতিষ্ঠা করার ব্যত্যয় ঘটবে আপনাআপনি। ৩. সমাজে আপনার অবস্থান আপনাআপনি কমে যাবে( অন্তর দিয়ে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, স্নেহ থেকে বঞ্চিত)।

মূল্যবোধ স্থানকালে, পাত্রে বিভিন্ন রকম হয়। সমাজে আচার আচরণ নিয়ন্ত্রনের সামাজিক মানদণ্ডও। আমরা সামাজিক মুল্য অবক্ষয়ে জর্জরিত হয়ে আমাদের বিবেকের নিকট নিজেই প্রতারিত হচ্ছি। তাই আমরা সমাজবদ্ধ মানুষ হিসেবে সমাজের প্রতি দ্বায়বদ্ধতা থাকা অতীব জরুরী।

মোট পড়েছেনঃ ১,১৬৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬টি মন্তব্য

  1. আমরা সবাই বেশি ভালো থাকার চিন্তা করতে করতে আরো বেশি মূলত খারাপের দিকে যাচ্ছি। সমাজটাকে বেঁধে রাখার প্রচেষ্টা কেউ করছে না।
    ভালো লেখা।

  2. দিনে দিনে আমরা কেমন যেন হয়ে যাচ্ছি দাদা। সৃষ্টির সেরা জীব মানুষের আজ হুশ নেই। স্বার্থের টানে বেহুশ। অনেকদিন পর সোনেলায় ঢুকে আপনার লেখা পরে শুধুই ভাবছি দাদা। আপনিও দিনদিন কেমন যেন বদলে যাচ্ছেন। লেখার দিক দিয়ে বর্তমানে খুবই ভালো লিখছেন ।আশা করি এভাবে আমাদের জন্য লিখে যাবেন, আমরা পড়বো।

  3. আমরা নিজেরা এতো “আমি,” “আমি” করি যে, নিজেদেরকে দিয়েই সমস্ত কিছুর চিন্তা করতে গিয়ে কতোটা যে শূন্য হয়ে যাচ্ছি! খেয়াল করছি না।

    মজিবর ভাই আপনার নিজস্ব চিন্তাধারা সম্পর্কিত এই লেখাটা ভালো লেগেছে।

  4. আমি অমুক, আমি তমুক এইকথাটি কারা বলাচ্ছে ?? বিশেষ একটি শ্রেণী ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই নীতি ধরিয়ে দিয়েছে, আর অপর পক্ষ সেটা ধারন করে নিয়েছে।অমুক তমুক না হলে তারাও কাউকে পাত্তা দিতে চাচ্ছে না। তবে সবাই কিন্তু বোধহীন হয়ে যায়নি।যেমন আপনি নিজে।বোধ না থাকলে এই বিষয়ের উপর লিখতেন না। ভালো লাগলো লেখাটি পড়ে।

    1. আপু আমি আপনি মানে ক্ষমতাহীনরা উপলদ্ধি করার উপর তেমন কোন প্রভাব পড়েনা, যারা দেশ পরিচালনায় আছেন তাঁদের বোধশক্তি জাগ্রত হলে এবং সে মোতাবেক চলতে পারলে আমাদের দেশের ঘুনেধরা সমাজ ও মানুষকে সোজা পথে আনা যেত। এক্ষেত্রে কঠিন সাজা ও ডান্ডা দিলেও দিতে হবে।
      আপনাকে সুভেচ্ছা অবিরত।

      1. কঠিন সাজা আর ডান্ডার বিকল্প থাকে না। এই কথাটি এই জন্যেই বলছি যে, আমাদের দেশের লোকজন যখন ক্যান্টনমেন্টের ভিতর দিয়ে যাই ভদ্র ও সজ্জন হয়ে যাই, সে ড্রাইভার হোক আর জনতা হোক, তখন লাইন, লেইন, এরো সব মেনে চলে।
        ধন্যবাদ আপু।

মন্তব্য করুন