“খাঁচার ভীতরে বাইরে থাকা প্রাণী”

সচরাচর আমি চিড়িয়াখানা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কারণ পশু পাখি থাকবে জঙ্গলে আর মানুষ থাকবে সমাজে ( সুস্থ সমাজে ) ।
যে মানুষটা এ খাঁচা পদ্ধতি চালু করেছিলো পশু পাখি দেখে বিনোদন আর জ্ঞানে অর্জনের জন্য সে নিশ্চয়ই বুঝতে পারে নাই একটা সময় মানুষ পশুর মতো আচরণ করা শুরু করবে ।
কিন্তু ঠিকই ওই সময়ের পর থেকে মানুষ পশু পাখি এসব প্রাণীদের খাঁচায় বন্ধী করছে আর নিজেরা মনুষ্যত্ব নামক চাঁদর খুলে এক জানোয়ার নামক খোলসে নিজেদের বন্দী করে নিচ্ছে ।
তাই প্রত্যেক মানুষের উচিৎ কিছুদিন পর পর চিড়িয়াখানায় ঘুরতে যাওয়া , এতে করে সবাই বুঝতে পারবে খাঁচার ভীতরে থাকা প্রাণীটা আর খাঁচার বাহিরে থাকা প্রাণীটার মধ্যে পার্থক্যটা কতো বিশাল ।
– গালিবা ইয়াসমিন
(২৬/০৫/২০১৮)

মোট পড়েছেনঃ ৬৭১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৩টি মন্তব্য

  1. ভিন্ন ধরনের চিন্তায় লেখা একান্ত অনুভুতি ভাল লেগেছে। মানুষ আসলেই এখন খাঁচার বাইরে থাকা জানোয়ারের মত আচরন করছে।
    লেখুন নিয়মিত এবং অন্যের লেখা পড়ে তাকে লেখায় উৎসাহিত করুন।

  2. লেখায় দাঁড়ি ও কমার দিকে একটু খেয়াল রাখবেন। দাঁড়ি ও কমা ঠিক না থাকলে, লেখা পড়তে অসুবিধা হয়।
    মানুষ আর পশুর মধ্যে পার্থক্য আসলে কি তা বুঝতে আমারই মাঝে মাঝে সমস্যা হয়।
    দানিকেলের বই পেলে পড়ে দেখবেন।

    1. জী আপু , আপনি আমার সমস্যা ধরতে পেরেছেন । আসলে আমি দাড়ি কমা না দিয়ে নিজে নিজের মতো এক টানা লিখে যাই তারপর দাড়ি কমা বসাই , এই জন্য সমস্যা টা হচ্ছে । সামনে থেকে খেয়াল রাখবো , ইনশাল্লাহ 🙂

মন্তব্য করুন