আলো ও অন্ধকারের বৈপরীত্যের প্রয়োজনে একটি রেখার জন্ম হয়। কেন? কারণ বস্তুর দর্শনযোগ্যতা সৃষ্টির জন্য অথবা একটি আকৃতিকে বিকশিত করবার জন্য অথবা একটি অস্তিত্বের উদঘাটন এবং সম্প্রসারণের জন্য— অর্থাৎ আলো ও অন্ধকারের বিরোধাভাস নির্মাণ করতে হয়। এসব কথাগুলো তখনি বিশ্বাসযোগ্য যখন শিল্পী তার সাদা ক্যানভাসে চোখ তাঁর দূরদৃষ্টির প্রতিফলন ঘটান সেই ক্যানভাসে । এ-কথাগুলি বললাম এ-জন্য যে আমাদের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চোখ রাখলে বুঝা যায় , এখানেও আলো ও অন্ধকারের বৈপরীত্যের প্রয়োজনে একটি রেখার জন্ম প্রতিনিয়ত হচ্ছে বলেই আমরা সেই রেখার জন্মের সূত্র খুঁজার জন্য ছুটে যাই চিত্রকলার চিত্র প্রদর্শনীর গ্যালারীতে দর্শক হয়ে। এখানে আমরা সবাই— কেউ কেউ বিচক্ষণ দৃষ্টিতে, কেউ কেউ অসহায় দৃষ্টিতে, কেউ কেউ অবাক দৃষ্টিতে, কেউ কেউ ভবিষ্যৎ কল্পনার দৃষ্টিতে অথবা কেউ কেউ বর্তমান দৃষ্টিতে— কেউ কেউ নির্বিকার দৃষ্টিতে রেখার জন্ম সন্ধান অথবা অবস্থান কোথা থেকে আসছে আর যাচ্ছে আমরা জানবার জন্য ব্যাকুল। কিন্তু কিছুই বুঝতে পারছি না অথবা বুঝেও না বুঝার ভান করে আছি অথবা আমাদের বুঝার ক্ষমতা লোপ পেয়েছে অথবা আমাদের বুঝার ক্ষমতা হরণ করা হয়েছে তাই এখানেই চিত্রকর সার্থক কারণ আমাদের দৃষ্টিতে শিল্পীর দর্শনযোগ্যতা সৃষ্টির আলো ও অন্ধকার বৈপরীত্যের প্রয়োজনে একটি রেখার কেন জন্ম দিচ্ছে তাকি আমাদের মঙ্গলের জন্য নাকি অমঙ্গলের জন্য তাঁর উত্তর শিল্পী এখানে যেন একদম বাধ্য নন।
আপনার ছোট ছোট লেখাগুলোতে ভাবনার দ্বার বহুন্মুখি। লেখায় আপনি খুবই অভিজ্ঞ, ভাবনাতেও। চিত্রগুলোতে এজন্যই হয়তো পুরোপুরি আলো ফেলা হয়না, যা আমরা না বুঝেই বুঝতে থাকি বহুক্ষন। ভালো লাগলো লেখাটি।
আন্তরিক ধন্যবাদ।
অনেক গভীরধারার লেখা আপনার।
এই লেখাটিও ব্যতিক্রম নয়।
ভালো লাগা রইলো লেখায়।
আন্তরিক ধন্যবাদ।
শিল্পীর তুলি চলে তার খেয়ালেই। যেমন চলে রাজনৈতিক নেতার। ভালমন্দ বুঝে নেওয়ার ভার দর্শকের। আসলে বুঝেও বুঝি না আমরা এই সব অর্থ। যেটুকু বোধগম্য হয়, তা তার স্পষ্টতাও পুরো আসে না। সিদ্ধান্ত শিল্পীর, ভাবনাটা আমাদের।
খুব চমৎকার করে একটা উদাহরণে নিয়ে আসলেন।
খুব গম্ভীর ও ভারী শব্দের মধ্যে।
লিখুন নিয়মিত।
আন্তরিক ধন্যবাদ।
বিষয়টা কঠিন হলেও না বুঝার অবকাশ নেই, খুব ভালো লিখেছেন ভাই।
আন্তরিক ধন্যবাদ ভাই।
শুভকামনা ভাই।
ছোট লেখা আসলে ছোট না, বিশাল।
আন্তরিক ধন্যবাদ।
অনেক সুন্দর লিখেছেন।
ভালো লাগলো।
আন্তরিক ধন্যবাদ।