সজনেপাতার ফাঁকে চড়ুইপাখির প্রেম
কিংবা পায়রার ঠোঁটে ঠোঁটে মধুচুম্বন
দেখে আমারও জাগে সাধ, গড়ি প্রণয়
আর প্রেমের কাব্যসম্ভার লিখে যাই।
কিন্তু “আব্বু ওঠো, কথা কও” অবুঝশিশুর
কাঁদোকাঁদো আধোবোল আমায় ভীষণ ভীষণ
নাড়া দেয় তাড়া দেয়, বলে- লেখো না এখন
প্রেমের কাব্য কবি, এ নয় প্রেমের সময়?
অকারণ বুলেট-গুলি, সূতীক্ষ্মচাকুর ফলায়
হঠাৎ ঝরে যায় যে অবুঝশিশুর পিতৃপ্রেম
দু’চোখজুড়ে বয় কলিজার তাজাখুন–
তা-ও কি দেখবে না, লিখবেনা কি তা-ও!
নিথরপ্রেমিকের বুকে আছড়ে পড়ে রুদ্ধবাক
কত না পবিত্রপ্রেমের এমন অবুঝফসল?
নিরেটজমিনও শুষে নেয় সেই কষ্টের জল
তুমিও কি নেবে না কবি, কিছুকান্নার ভাগ!
মোট পড়েছেনঃ ২,৯৫১জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
অকারণ বুলেট-গুলি, সূতীক্ষ্মচাকুর ফলায়
হঠাৎ ঝরে যায় যে অবুঝশিশুর পিতৃপ্রেম
দু’চোখজুড়ে বয় কলিজার তাজাখুন–
তা-ও কি দেখবে না, লিখবেনা কি তা-ও!
মনে রেখাপাত করে গেল কবি।
অনেক ধন্যবাদ ভাল্লাগায়
অনেক ভালো লাগা রইলো কবিতায়।
ধন্যবাদ
পড়লাম। শিশুরা আসলে সব সময়ই চায় বাবা একটু সময় বের করুক তার জন্য।
তবে আপনার লেখায় শব্দ গুলো, সজনেপাতা, অবুঝশিশু, নিথরপ্রেমিকের এমন কেন?
ধন্যবাদ। জী আমি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক লিখেছি নাউন হিসেবে সজনেপাতা কিন্তু ২টি নাউন হিসেবে ‘সজনে’ ‘পাতা’ নয়। তেমনই অন্যগুলোও ঠিক। অভিধানে দেখবেন ‘দীপ্তশপথ’ সঠিক।
ভাল লেগেছে কবিতা।
ধন্যবাদ