নীল পেয়ালায় রাখা ছিলো নিহিলা বিষের আরক –
তাকে বলা হলো, এই মুহূর্তে দুইটা পথ খোলা তোমার সামনে । আটপৌড়ে একঘেয়ে জীবন , জ্বালা যন্ত্রনা নাই নিরুপ্রদব বেঁচে থাকবে । খাবে , ঘুমাবে , বংশবিস্তার করবে । অথবা নীল বিষের পেয়ালা তুলে নাও … সমগ্র জীবনের তুলনায় পলকমাত্র তুমুল বেঁচে – তারপর আজীবন যন্ত্রনা ভোগ করবে ।
–
–
–
সে নিশ্চিন্তের হাসি হেসে নীল পেয়ালায় দীর্ঘ চুমুক দিল। তারপর ভাগ্যদেবীকে টেনে চোখ মেরে শিস দিতে দিতে হেটে চলে গেলো সেই পথে … যে পথের শেষ গন্তব্যের নাম – সুদূর ।
মোট পড়েছেনঃ ৮৭৯জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন

সোনেলার সবাইকেই মনরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যেতে হবে মনে হচ্ছে। একে একে সবাই মন খারাপের উদ্ভট আর অদ্ভুত আবেগী সব পোস্ট দিয়ে যাচ্ছে…
🙂
^:^
এমন হলে নীল পেয়ালাই বেঁছে নিতাম 🙂
ভালো লেগেছে
আমিও দাদা 🙂
সুদূরটা কত দূর?
একজন যতদূর যেতে পারে ততদুর 🙂
এ সাহস সবার হয় না, সবাই পারেও না টেনে চোখ মারতে……
হ্যাঁ দাদা 🙂
সুদূরে যাবার পথটায় কি কিছু ফেলে রেখে যায়নি?
খুঁজে এনে তারপর আমাদের দিন। 🙂
না , কিছুই ফেলে যায়নি
যারা ভাগ্য বদল করার ক্ষমতা রাখে বা ভাগ্যের সাথে লড়াইয়ে সাহস রাখে, কেবল তারাই পারে এমন পদক্ষেপ নিতে,,,,
তাদের সবাই ও পারেনা 🙂
একঘেয় জীবনের চেয়ে নীল পেয়ালা গ্রহন করাই ভালো।
হু , সেই ভালো 🙂
এখানে দেখি সবাই বিষ,ত্রিশ খাচ্ছে। থাকবো না এখানে। ভাগবো। 🙁
অদৃশ্য মডুদের দৃষ্টি আকষর্ন করছি। দৌড়ে পালানোত ইমো কই? স্রটা জলদি চাই।
;? :p
এই তাকে টা কে? তার জন্যই আজকে আমাদের সমগ্র মানব জাতীর এই অবস্থা 🙁
জগজ্জীবন, আহা! শিমূল ভাইয়া, লেখা শেখান। এরকম একটা হলেই চলবে, ঈমানে বলছি।
আমি শিখামু ;?
মাফ কইরা দেওন যায়না
কেমন করে এমন লেখা লেখেন ভাইয়া? (y) -{@
জীবন যা দেখায় আমি তাই লিখি লীলাবতী 🙂
পাঁচ তারকার উপরে আর কিছু আছে ভাইয়া?সব দিতে চাই আপনার এই লেখায়।
সজীব ভাই (3