
উদোম শরীরে কিংবা ফিনফিনে পোষাকে যখন
দুলিয়ে তুমি কোমল দেহবল্লরী
উগ্র প্রসাধনে চলে যাও মুক্ত-স্বাধীন–
হৃদয়ে তখন আমার মাতাল হাওয়া বয়ঃ
আর দাপাদাপি করে শুধু নরকের কীট;
মনের পশুটাও ক্ষেপে ওঠে বেগতিক
ঠেকাই তাকে বলো, কী সাধ্য আমার?
সর্পিল গতি হেঁটে যাও তুমি—-
ভেসে চলে বাতাসে গন্ধ তোমার
পাগল আমি চেয়ে থাকি অপলক
পাপ যদি হয়, বলো দোষ কি আমার!
পতঙ্গের মতো হয়ে বেভুল-মাতাল
নিজেকে দিতে যদি না পারি সামাল;
কিংবা মোহের আগুনেই কভূ দিয়ে দিই ঝাঁপ
দায়ী কি হবেনা তবু তোমার শরীর
একাকীই নেবো আমি নিন্দার ভাগ!!
মোট পড়েছেনঃ ৯৮৫জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
ভাল হয়েছে
অনেক শুভেচ্ছা ভাল্লাগায়
কবিতাটি কেমন যেন অন্যরকম ভালো লাগলো। কবিতার গভীরে যে সুর আপনি এনেছেন, তা অনবদ্য। কবিতার কাঠামোটা অনেক আকর্ষনীয় হয়েছে। রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে এধরনের কবিতা আমি আর পঠন করিনি।
আপনার মূল্যায়নে আমি ধন্য হলাম ভাই -{@ -{@ -{@
সজীব ভাই…আপনি কি আপনার কমন কমেন্ট থেকে একটা এখানে মেরে দিলেন!! 😀
হুম
অনেক ভাল লাগল।
অনেক ধন্যবাদ
সবার ভাল লাগল তাই আমারও ভাল লাগল।
এ কেমন কথা ভাই, নিজের ভাল্লাগা কি নেই? তবু ধন্যবাদ
দোষ কি মেতে উঠতে
চাই তো হিয়া
চাই মন
চাই মত্ত
মাতামাতি
দোষ কি কবির
আকর্ষণে যদি
দিয় ঝাপ।
ভালোই বলেছেন, ধন্যবাদ