ব্যাস্ত শহর ছেড়ে একটু শান্তির প্রত্যাশায়।

জীবনের তাগিদে ছোটে চলেছি আমরা প্রতিনিয়ত এখান থেকে সেখানে ।কর্মব্যস্ততা  আমাদের ঝেকে বসেছে। মাঝে মাঝে খুব হাপিয়ে উঠি। মিস করি সে দিনগুলি যে দিনগুলি গ্রামে কেটেছে। এখনও গ্রামে গেলে একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়তে পারি। সেই দিনগুলি আসলেই কত না ভাল ছিল সেই গ্রামের পথে ঘুরে বেড়ানো ছেলেদের সাথে দলবেঁধে খেলাধুলা বা হই হুল্লোড়। কাঠফাটা দুপুরে পুকুরে ঝাপাঝাপি। সবই এখন শুধু স্মৃতি । শরের এই যান্ত্রিক জীবন সব কেড়ে নিচ্ছে প্রতিনিয়ত। এই জঞ্জাট থেকে একটু রেহাই পেতে মনচায়। সামনে ঈদ একটা উপলক্ষ পাওয়া গেল তাই এই কথা গুলা আরও বেশী মনে পড়ছে। এখন হয়ত ছেলেদের সাথে হই হুল্লোড় করা হবে না তাদের সাথে পুকুরে ঝাপ দেয়া হবে না কিন্তু গ্রামের সেই চিরচেনা পথ চিরচেনা বাতাস চিরচেনা গাছপালা ঠিকই আমায় আপণ করে নিবে। প্রিয় গ্রাম আমার আমি আসছি।  কে কে আছেন যারা আপনাদের ছেলেবেলা মিস করেন?? গ্রামে যাওয়া নিয়ে কে কতটা উৎফুল্ল??

আমার লেখাগুলা ফেসবুক স্ট্যাটাস হয়ে যাচ্ছে আমি জানি এটা ব্লগের সাথে মানান সই না। কিন্তু সারাদিন কাজ করার পর আর এনার্জি পাই না। লিখতে বসলে ভুলে যাই তাই যা মনে আসে লিখে ফেললাম। আশা ব্লগার বন্ধুরা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিদিয়ে দেখবেন। চেস্টা থাকবে পোস্টের মত পোস্ট করার।

মোট পড়েছেনঃ ১১,২২০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

  1. আমি অনেক আগেই চলে এসেছি । শান্তি আসলে শহরে নেই ।
    আপনার এই লেখা যদি ফেইসবুকের স্ট্যাটাস হয় তবে আমার লেখা কি ? মনের আনন্দে আন্তরিক ভাবে লিখছি এখানে । লিখতে থাকুন আপনিও।

  2. এটি কি আপনার প্রথম লেখা এখানে ?
    আমি আপনার আরো কোন লেখায় মন্তব্য করছি বলে মনে হচ্ছে কেন ?

    যা মনে আসে তাইতো লিখবেন , এত চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই ।

  3. আমি তো গ্রামেই থাকি।বাসা থেকে মোটামুটি দুই কিলোমিটার দশদিকের এক দিকে গেলেই ক্ষেতের পর ক্ষেত। ধান আর ধান তারই মাঝে দূরে দূরে ছোট ঘর বাড়ি। পুকুর। নাই ইলেক্ট্রিসিটি।

  4. মাঝে মাঝে গ্রামে যাওয়া মানে উদাত্ত প্রকৃতির কাছ থেকে কিছুটা নতুন প্রাণশক্তি নিয়ে আবারো শহরের যান্ত্রিক জীবনযুদ্বে নামার সাহস ফিরে পাওয়া ।।

  5. আপনার কি ব্যাস্ততা আজো কমেনি? পরবর্তী পোষ্টের অপেক্ষায়, আর মানানসই না হলেও কেনো জানি লিখতে হয়, মানানসই হবার জন্য লিখালিখ কেমন যেনো লেখা হচ্ছে মনের খোড়াক, এনার্জি ফিরে পাবেন প্রত্যাশা রইলো

     

মন্তব্য করুন