মূল লেখায় যান

আত্মহত্যা এবং কয়েকটি মূহুর্ত

মনিরুজ্জামান অনিককবিতা৬টি মন্তব্য

••

আত্মহত্যার আগে আমি কিছুটা স্থির ছিলাম।

একটার পর একটা সিগারেট পুড়িয়েছি।

এক গ্লাস ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়েছি – এর বেশি জল ছিলোনা; হয়তো বরাদ্দ শেষ।।

আমার পোষা কুকুরকে বললাম ভালো থেকো বন্ধু।

সে কিছু বলল না লেজ নাড়িয়ে দৌড়ে চলে গেল। খানিক বাদে একটা পুরনো ডাইরি মুখে করে নিয়ে এলো।

আমি ডাইরিটা হাতে নিলাম।

প্রথম পৃষ্টায় লিখা, ওগো জলফরিং মেয়ে

আমার আকাশ হবি। আমার বৃষ্টি হবি।

আমার বুকের সন্ধ্যা হবি।

আস্তে আস্তে পাতা উল্টাতে লাগলাম।

একটা ছবি পেলাম অনেক পুরনো।

ছবিটা আমাকে বললো কি করতে যাচ্ছো?

আমি কাঁপা কাঁপা গলায় বললাম নিজেকে মুক্তি দিতে যাচ্ছি,সব আয়োজন শেষ।

ছবিটা কিঞ্চিৎ হেসে বললো, বুদ্ধু কোথাকার,

মুক্তি বলতে কোন শব্দ আছে নাকি?

আমাকে ভালোবাসো?

আমি মাথা নাড়িয়ে বললাম – হ্যাঁ।

সে বললো আমি কোন কাপুরুষকে ভালোবাসি না।

এরপর ছবিটি আর কোন কথা বলেনি।

আমি ফিরে এলাম।

কারণ আমি যাকে ভালোবাসি সে কোন কাপুরুষকে ভালোবাসেনা।

ভালোবাসা আমাকে বাঁচিয়ে দিলো,

ভালোবাসা আবারো আমাকে গৃহবন্দী করে দিলো।।

মোট পড়েছেনঃ ৯২১জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৬টি মন্তব্য

  1. দারুন লিখেছেন ভাই। জীবনে যাইহোক না কেন আত্নহত্যা মহাপাপ। তবে এই লেখা পড়লে মানুষের বিষন্নতা কেটে যাবে, মানুষ কেন হেরে যাবে??? নতুন করে নতুনভাবে বাঁচতে হয়।।।
    পজিটিভলি উপস্থাপন করেছেন।
    শুভকামনা।