ফিলিস্তিনীরা অস্ত্র চায়

মাছুম হাবিবী ১২ অক্টোবর ২০২৩, বৃহস্পতিবার, ১২:০৯:২৬পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২ মন্তব্য

ইসরাইলে রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তাছাড়াও ফ্রান্স থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ হামাসের বিরোদ্ধে লড়াই করার জন্য ইসরাইলের বিমান ধরেছে। ইউক্রেন, পোল্যান্ড, গ্রিস থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন হিহুদিবাদী দেশ ইসরাইলকে সহযোগিতা করছে। অথচ বিশ্বে এত এত মুসলিম দেশ থাকার পরও ইসরাইলের আক্রমনে প্রতিবাদ এবং নিন্দা জানানো ছাড়া শক্ত কোনো ভূমিকা নেয়নি কোনো মুসলিম দেশ। সৌদি, মিশর, ইরান, ইরাক, তুরস্ক, পাকিস্তান প্রায় প্রতিটি শক্তিশালী মুসলিম দেশগুলো তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো ছাড়া আহামরি কিছুই করেনি এখন পর্যন্ত।

এখন আপনারাই বলুন যেখানে গাজা ফিলিস্তিনী নাগরিকদের লাশের স্তুূপে পরিণত হচ্ছে। সেখানে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এসবে আদৌ কাজ হবে? সেদিন এক ভিডিওতে দেখছিলাম ‘ফিলিস্তিনী এক আলেম কেঁদে কেঁদে বলছেন ;আমাদের জন্য গাজায় এসে যুদ্ধ করতে হবেনা। আমাদের জন্য কারো জীবন দিতে হবেনা। আপনারা শুধু আমাদের অস্ত্র দিন। যুদ্ধ করার মত শক্তি এবং সায়মিক সরঞ্জাম দিন। তারপর আপনারা বসে বসে দেখবেন ফিলিস্তিনীরা কি করতে পারে। আমাদের জন্য এখন চোখের পানি না ফেলে, আমাদের জীবন রক্ষা করতে অস্ত্র প্রয়োজন। চোখের পানিতে আর কাজ হবেনা। ঠিক এই কথাগুলো কেঁদে কেঁদে বলছিলেন একজন ফিলিস্তিনী আলেম। এবার চিন্তা করুন কতটা অসহায় ফিলিস্তিনী মুসলিম ভাইয়েরা।

তাই আমি মনে করি ফিলিস্তিনীদের নির্যাতনের দৃশ্য দেখে এখন আর কাঁন্নাকাটি করে লাভ নেই। চোখের জন্য উনাদের জীবন বাঁচাবেনা। আপনি আমরাসহ বিশ্ব মুসলিম নেতাদের শোক প্রকাশ এবং তীব্র নিন্দা গাজার শিশুদের বৃদ্ধদের প্রাণ বাঁচাতে পারবেনা। গাজাবাসীদের এখন অস্ত্র দরকার। যুক্তরাষ্ট্রের মত সহযোগিতার দরকার। যদি অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করতে না পারেন, তাহলে তীব্র নিন্দা জানিয়ে গাজাবাসীর দুঃখ আর বাড়াবেন না। আমরা সবাই নামে মুসলিম। তবে এই ধরণের মুসলমান হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে। হাতে চুড়ি পরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে গাড়ি আটকিয়ে টাকা আদায় করা ভালো।

 

২৭৯জন ২২৫জন
0 Shares

২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ