মহামান্য শেখ মুজিব হে প্রমিথিউস বাংলার

মহামান্য শেখ মুজিব, হে প্রমিথিউস বাংলার, আরও একবার আপনি উঠে আসুন টুঙ্গীপাড়া, সবুজে সবুজে মোড়া ছবির মতন সেই গ্রাম থেকে, কিংবা উঠে আসুন ধানমণ্ডির ৩২ নাম্বার, ঢাকার প্রতিটি রাজপথ থেকে। মহামান্য হে স্থপতি, পদ্মা মেঘনা যমুনার কোল বেয়ে আরও একবার ফিরে আসুন আম জাম কাঁঠালের নিবিড় ছায়া, এই সাধের বাংলায় আপনার। টুঙ্গীপাড়া থেকে উঠে আসা [বিস্তারিত মহামান্য শেখ মুজিব হে প্রমিথিউস বাংলার]

সমকালীন গুচ্ছ কবিতা!

(১) ঘাতক দালাল সরব যখন শীর্ষ জোটের মাঠে; বুঝতে হবে দেশটা তখন হাঁটছে কেমন পথে! (২) রাজাকারকেও বলেন যখন একাত্তরের যোদ্ধা; বুঝতে তখন বাকিটা কী চাইছেন তারা কোনটা! (৩) ইসলাম এখন বিরাট ইস্যু নোংরা নীতির খেলায়; আটকা তাতে লাখো মানুষ মরছে হেলায় হেলায়! (৪) একাত্তরে ছিলেন যারা হানাদারদের পক্ষে; তারাও এখন দেশপ্রেমিক বাংলাদেশের বক্ষে! ২৯ [বিস্তারিত সমকালীন গুচ্ছ কবিতা!]

আমাদের তুলে নাও, তুলে নাও ‘হে রাব্বুল আলামীন’

এরা বেঁচে থাকুক, থাকুক বহাল তবিয়তে, থাকুক এরাই বেঁচে হে মহান রাব্বুল আলামীন তারচে আমাদের তুলে নাও, তুলে নাও অদৃশ্য হাতে তোমার ! কেনো না কসাই কাদের কিংবা সাঈদীর বিচার চেয়ে ভুল করেছি আমরা ভুল করেছি রক্তে লেখা ইতিহাসের পাতা খুলে বড়ো ভুল করেছি প্রজন্মের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ! কেনো না বোঝা উচিত ছিলো আমাদের ভুল [বিস্তারিত আমাদের তুলে নাও, তুলে নাও ‘হে রাব্বুল আলামীন’]

হে স্বাপ্নিক, তোমাকে নিবেদিত পংক্তি মালা

মধ্য আগস্টের সেই কালো রাতে অকৃতজ্ঞ মীর জাফরের দল যখন বিশ্বাস ঘাতকতার ধারালো অস্ত্রে বিদীর্ণ করলো তোমার পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইল ব্যাপ্ত বুক, অতঃপর বত্রিশ নম্বর থেকে নেমে আসা অমল রক্তের স্রোত সিক্ত করলে বাংলার দূর্বা মাটি জল, ততোক্ষণে স্বপ্নের স্বদেশে সেঁটে গেছে তোমার অমোচনীয় কলংক তিলক, সর্বনাশের আর কিইবা বাদ আছে তখন ! তোমার লাশ [বিস্তারিত হে স্বাপ্নিক, তোমাকে নিবেদিত পংক্তি মালা]

দুঃস্বপ্নের বন্দরে দাঁড়িয়ে…

  এত বিভীষিকা, রক্তমাখা এত জামা কিংবা দীপ্তিহীন এত কান্না কোথায় রাখি কোথায় রাখি আমি ও আমরা হৃদয়হীন ধর্মীয় আচার ? কোথায় রাখি নৈরাজ্য প্রতারণা নির্মমতাকে এত কোন কাঁধেইবা বয়ে যাই রক্তমাখা এত লাশ ? জ্বলজ্বলে চোখের যে ছেলেটি পড়াশুনা করতো শহরে কিংবা অসহায় মায়ের শেষ আশ্রয় মেয়েটি যে কাজ নিয়েছিলো গার্মেন্টসে লাশ হয়ে ফিরেছে [বিস্তারিত দুঃস্বপ্নের বন্দরে দাঁড়িয়ে…]