পশ্চিম তীরে সীমান্তের এই পারে দাঁড়িয়ে শালপ্রাংশু বৃদ্ধটি কাটাতারের বেড়া ছুঁইয়ে আসা বারুদের গন্ধে নাক কুঁচকায় তার পেছনে দীর্ঘ মিছিল, লাশের এবং জীবন্মৃতদের। তার বায়ে দাঁড়ানো শিশুটির পিতা নেই , মা নেই মাতৃভূমিও না সে কখনো শোনেনি আদুরে ঘুমপাড়ানি গান তার লুন্ঠিত শৈশব জুড়ে কেবলই ছুটে চলা কেবল মুহুর্মুহু বিস্ফোরণ আর ধাওয়া ,ধোঁয়া, রক্তের [বিস্তারিত অন্তর্গত ক্ষয়]
ট্যাগ যুদ্ধপরাধ
লাদিসলাউস সিৎসিক-সাতারি। পেট নেম লাজলো। একজন অশীতিপর বৃদ্ধ, দেখতে নিরীহ। মানে বয়স হলে যেমন হয় আরকি। কিন্ত এই আশিতিপর নিরীহ বৃদ্ধটি হচ্ছে একজন ভয়াবহ খুনী এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধকারী ভয়ংকর নাজী অফিসার,লাজলো সাতারি, ১৯৪৪ এর রয়্যাল হাঙ্গেরিয়ান পুলিশের ‘কমান্ডার’ । ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার পরই ইউরোপ ছেড়ে পালিয়ে যান লাজলো। পাড়ি দেন [বিস্তারিত লাদিসলাউস সিৎসিক-সাতারি (২য় বিশ্বযুদ্ধের জীবন্ত বিভীষিকা)]
বুশেনওয়ার্ল্ড। Buchenwald মানবতার সমাধি, উদ্ধত দুর্বিনীত এবং অমানবিক থার্ড রাইখের রক্তের বিশুদ্ধতায় শ্রেষ্ঠত্ব তত্বের উল্লাসভুমি। যার প্রবেশপথে লেখা ছিল “Jedem das Seine” অর্থ “everyone gets what he deserves” যার সম্বন্ধে বলা হয় বুশেনওয়ার্ল্ড হলো গ্রীক পুরানের স্ট্রিং। মৃত্যু যেখানে ছিলো নৈমিত্তিক অনুলেখ্য ঘটনা। ধারনা করা হয় বন্দীর সংখ্যা ছিল ২৫০,০০০ এবং মৃতের সংখ্যা আনুমানিক [বিস্তারিত লেবার ক্যাম্প বুশেনওয়ার্ল্ডঃ (২য় বিশ্বযুদ্ধের অন্ধকারতম অধ্যায় )]
প্রোগ্রাম টি ফোর পৃথিবীর নৃশংসতম পরিকল্পনা গুলোর একটা জার্মান রাইখস ফুয়েরার হিটলারের বিশুদ্ধ এবং শ্রেষ্ঠ রক্ত ধারনার প্রতিষ্ঠার নৃশংস পরিকল্পনা। এই প্রোগ্রামের লক্ষ্য ছিলো সমাজকে সুষ্ঠ কর্মক্ষম মানুষের জন্য রাখা , যার ফলশ্রুতিতে আবিষ্কার পরবর্তী কালের আতংক গ্যাস চেম্বার,অসুস্থ দুর্বল আনপ্রোডাকটিভ লোকজন যারা রাষ্ট্রের বোঝা তাদের নিশ্চিনহ করে দেওয়া ।এই প্রোগ্রামের আওতায় প্রথমদিকে মুলত বৃদ্ধ [বিস্তারিত প্রোগ্রাম টি ফোর (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্ধকারতম অধ্যায়)]