সাহীন খুব মনোযোগ দিয়ে তার অদ্ভুত চশমাটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে। চশমার হাতের সাথে থাকা সূক্ষ্ণ সংযোগ দেয়া তার গুলি বার বার চেক করছে যেন ভুল করেও কোন ভুল না থাকে। তারপর সেটা হাত থেকে রেখে নিজের তৈরি ছোট্ট সার্কিটটা চেক করতে বসলো। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সব দেখে যখন সবই ঠিক আছে এমন মনে হল [বিস্তারিত সমান্তরাল ভবিষ্যৎ]
ট্যাগ ডায়েরী
কে জানি একজন! কিছু বোঝার আগেই একটা অদৃশ্য সুতো হাতটায় বেধে দিল। সুতোটা সারাক্ষণ আমায় সামনের দিকে টেনে নিয়ে চলেছে। মাঝে মাঝে যখন সুতো টানে এগিয়ে চলায় বিরক্ত হয়ে দাড়িয়ে পড়তে চাই তখন বুঝতে পারি, এই সুতোটার টানের ক্ষমতা। আমার সর্বশক্তির প্রয়োগের পরও সে সেটা উপেক্ষা করে সে তার দিকে আমাকে টেনে হেঁচড়ে [বিস্তারিত অদৃশ্য সুতোর টানে অদ্ভুত ঐ লাইনটার দিকে এগিয়ে চলা….]
সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে আর সবার মত আমার রাত হয় না। আমার খোঁজের শুরুটাই হয় ঐ সময়টাতে। আমি প্রশান্তির গল্প গুলি খুঁজে বেড়াই এই শহরের কোলাহলের ভীরে। পরিচিত মুখ গুলি যখন আপন আলয়ে ফিরে যাবার জন্যে ব্যাকুল হয়ে ছুটাছুটি লাগায় তখন আমি তাদের মাঝেই দাড়িয়ে সময় কাটাই। আমার তো আপন আলয় বলতে কিছু [বিস্তারিত শহুরে প্রশান্তির গল্পের খোঁজে….]
ইব্রাহীম, বয়স ৭ বছর। দুষ্ট দুষ্ট চেহারার চমৎকার মিশুক একটা ছেলে। তার বাবার বাজারে একটা ফলের দোকান আছে। মসজিদের সামনে যে খেলার মাঠটা রয়েছে তার দক্ষিণ দিকে তাদের কলোনি। রোজ বিকেলে আজিজ চাচার ছেলে ফারুকের সাথে ঐ মাঠেই খেলে সে। আজিজ চাচাও তাকে অনেক আদর করে। মাঝে মাঝে বাজার থেকে ফিরে আসার সময় ফারুক [বিস্তারিত ধ্বংসস্তূপে সব হারিয়ে]
আকাশকে বলেছিলাম, আমার দুঃখ গুলি তোমার কাছে বিক্রি করবো কিছু উজ্জ্বল জোছনার বিনিময়ে। তুমি আমার দুঃখ গুলি তোমার আকাশে মেঘ করে ভাসিয়ে নিয়ে যেও। দূরে কোন আগ্নেয়গিরির উপর সেই মেঘের বর্ষণ রূপে ঝড়িয়ে দিও। সে আমার কথা শুনে পাগলের প্রলাপ মনে করেছিল। ভুল বুঝে দূর থেকে দূরে অবস্থান নিয়েছিল। এতটা দূরে যে এখন [বিস্তারিত জোছনার পেছনে ঐ আকাশটাকে দেখার গল্প]