ঘরে একমাত্র নাতি প্রিন্স।বয়স অনুমানিক ছয় সাত বছর।নানাকে ছাড়া একদন্ড তার ভালো লাগতো না।নানাও নাতিকে খুব ভালবাসতেন,আদর করতেন।সারাদিন ব্যবসায়ীক কর্মকান্ড সেরে যতটুকু সময় পেতেন ঘরে ফিরে গিয়ে শুধু নাতিকেই সঙ্গ দিতেন।নাতির হাজারো প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে মাঝে মধ্যে হিমসিম খেয়ে যেতেন।নানা এ বিষয়টা খুব এনজয় করতেন কারন ব্যক্তি জীবনে সূচিবায়ুওয়ালা এই নানা তার ব্যবসায়ীক স্থান… [বিস্তারিত]
সর্বশেষ লেখা
বর্ণের সমাহারে এঁকে যাই অক্ষরের আঁকিবুঁকি- একদিন হয়ত সত্যিই কিছু লিখতে পারব....আশা রাখি, আশাতেই বাঁচি" ৩ বছর ১১ মাস ১৭ দিনে প্রমান করেছেন প্রতিটি লেখায়- তিনি কতটা লিখতে পেরেছেন/ লিখছেন। শুধু লেখা? তাঁকে যাদুর কাঠি বললেও কম বলা হবে। তিনি অন্যকে দিয়ে লিখিয়ে নিতেও পারঙ্গম সফল ভাবে। কাকতালীয় বলে বাংলায় যে বিষয়টাকে আমরা সাধারণত জোড়াতালি… [বিস্তারিত]
চেয়েছিলাম আমার জীবনের প্রথম প্রেমিক পুরুষ তুমিই হবে প্রেমিক পুরুষ! অথচ তুমি হলে এক তৃষ্ণার্ত যাযাবর, দিকভ্রষ্ট, স্বার্থপর প্রেমিক, যে কিনা হাজার নদীতে নোঙ্গর ফেলে মিথ্যে আর নিছক আলোর সন্ধানে হাতড়িয়ে মরে, সাতার কাঁটে অস্বচ্ছ পানিতে পদ্মে ভাসা কাকভেঁজা জল ফড়িং এর ন্যায়! এভাবেই কেটে যায় তোমার সময় তবুও মেলে না আলোকিত অলিন্দ। এভাবেই অবিরাম… [বিস্তারিত]
অস্বস্তিগুলো কেমন চারপাশ ঘিরে থাকে, পাছে তোমার সাথে দেখা হয়ে যায়। জানি, তোমার কিছুই হবে না, শুধু আমার টিনের কৌটো খুঁলে বসবে তার পুরোনো বাক্স পেটরাদের। যেখানে রাখা ভালোবাসা নামক অজস্র অবহেলা। চাই আর কখনোই দেখা না হোক তোমার সাথে! কারণ এই বেশ আছি তোমাকে ছাড়া, আমাকে একা করতে চেয়েছিলে সেই আমি একা নই মোটেও।… [বিস্তারিত]
জ্ঞান প্রভু দাও আমায় তুমি আপন ভেবে অন্তরে - কান্দি আমি ধুলায় শুয়ে ভুল করে! বিষম কাতরে - কান্দি আমি ধুলায় শুয়ে ভুল করে! দেহ ফেলে দাম দিয়েছি কিনে রঙিন জামা, সোনা বিনে আজ বুঝি তাই ভান্ডে শুধুই তামা। না যদি পাপ করলে ক্ষমা তুলবে কে কও হাত ধরে - কান্দি আমি ধুলায় শুয়ে ভুল… [বিস্তারিত]
ইচ্ছে করে, স্বপ্ন গুলো উড়িয়ে দেই পাখির ডানায় টুকরো টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পরুক সবুজের প্রান্তরে কিছু লেপ্টে থাকবে আকাশের নীলে কিছু গিয়ে আছড়ে পড়বে দুরন্ত নদীর বুকে কিছু স্বপ্ন তপ্ত হয়ে ফুটতে থাকবে আগ্নেয়গিরির লাভায় প্রবল আক্রোশে কিছু স্বপ্ন নেমে যাবে পাহাড়ি ঢলে। গুটিকয়েক স্বপ্ন টুপটাপ খসে পড়বে পাখির পালকের মতো, বাতাসে ভেসে যাওয়া কদমের… [বিস্তারিত]
তুমি প্রেম ছুঁয়ে দেখো নি বলে আমি কি তোমায় ছুঁতে পারি না? দুচোখ ভরে দেখব বলে, তোমার দিকে নির্নিমেষে কি চেয়ে থাকতে পারি না? তোমার চুলে যখন রাঙামাটির ফুল গুঁজে থাকে তখন ভীষণ ঈর্ষা হয় তোমার প্রতি। নদী যখন তোমায় ডাকে আমি তখন তোমায় মধুমাধবী রাগে থামিয়ে রাখি! তা কি তুমি জানো? আজ বৈশাখের প্রথম… [বিস্তারিত]
আজ বুকটায় বড় যন্ত্রণা! এই মাত্র পেলাম বহুল কাঙ্খিত একটি সফল বেদনা, বাম স্কন্ধে সুখের মত রিনরিনে ব্যাথার আনাগোনা! এ ব্যাথা হৃদযন্ত্র টের পায়না, টের পায়না মনের গোপন আয়না! তোমার আধেক ব্যাথা শুষে নেয় নিকোটিন, আধেক নেয় আকাশের নীল। আমি যে বন্দিনী! কুৎসা জুগুপ্সার ভয়ে সূর্য দেখা হয়নি কোনদিন। আমার ব্যাথার কথা বলা বারণ, হৃদয়টাই… [বিস্তারিত]
এখানে জেগে থাকে চাঁদ নাগরিক কোলাহলে বুকের মলাট খুলে এগিয়ে যায় শব্দের সহস্র মিছিল ধীর পায়ে, প্রভাত ফেরির মৌন বেদনায় কুলুপে আটা থাকে মুখ - নিশ্চুপ স্যাঁতসেঁতে দেয়ালে। তারপর নেমে আসে রাত,আর্তনাদ সামুদ্রের নীল জলে। এখানে কবুতর উড়ে গেলে আরেকটা কবিতা লেখা হয়, এখানে আত্মহত্যা গোপনে বৈধ হয়। এখানে বিকেল হলে ঝুপঝাপ নেমে পড়ে বেদনা… [বিস্তারিত]
পরম প্রিয় সাত ঋষি, কেমন আছো আমাকে অভিশাপ দিয়ে? আমার ডায়রির প্রতিটা খসড়াপাতা দিয়ে যাব পোষ্টমাস্টারের দরজায়। বলে দিব পৌছে দিতে তোমার ঠিকানায়। আমার মুখ দেখা যে তোমাদের হবে না তাই। তোমাদের অভিশাপে এক মোহকালের ভারি বস্তু যেনো আমি। এতো সুগন্ধ নিয়ে জন্মেও অযত্ন অবহেলায় পড়ে থেকে থেকে আজকাল আমি হাঁপিয়ে যাই বার বার দু'দন্ডকাল… [বিস্তারিত]
রুক্ষ মরুভূমিতে বৃথা ফুল ফোটানোর শত সহস্র বছরের সব প্রচেষ্টাকে একপাশে ঠেলে বেদুঈন দিগ্বিজয়ের ক্লান্তিতে যেন এক দিশেহারা বাউলা পথিকে রুপান্তরিত হয়েছে। খাপমুক্ত তরবারিতে শান নেই, মাথার পাগড়ি হারিয়ে গিয়েছে মরুঝড়ে। নিত্যকার সঙ্গী উলউলের কেশরে জটা লেগেছে। চামড়া কুঁচকে বুড়ো হতে হতে প্রাণীটি এখন শুধুই একটা দূর্বল অশ্ব। ছুটে চলার সেই শক্তি সাহস কোনটাই তার… [বিস্তারিত]
স্কুল কলেজ বন্ধ হয়ে গেছে। ঈদ, ছুটি, আম,কাঁঠালের আমেজ চলছে চারদিক। ছুটি পেয়ে কেউ কেউ জমিয়ে খাচ্ছে, লিখছে, গান শুনছে আরও কতো কি? আর আমার মন ভালো নেই! কেন জানেন? কথায় আছে না, অলস মস্তিস্ক শয়তানের কারখানা। তাই আমিও সবার ক্রাশ,হার্টথ্রব বিদ্যুৎ মিয়ার প্রেমে পড়ে হাবুডুবু। আর সে আমাকে কোনভাবেই পাত্তা দিচ্ছে না। কদিন আগেও… [বিস্তারিত]
ডায়রী'৭১ ------------ সেই শকুন, সেই কালো শকুন আবারো ধারালো নখ নিয়ে লোভী চোখের নজর দিয়েছে লাল সবুজের পতাকায়। সেই কালো কুকুরটা যে ছোট শিশুর কঁচি শরীরের কাঁচা মাংস খেয়েছিল একদিন উদরপুর্তি করে, সে আবারো ঘুরছে পুরনো দিনের ছবি নতুন করে দেখছে বলে। সেই মুক্তিসেনা যে বস্তা ভরা বাঙ্গালীর চোঁখ পেয়েছিল কনসেন্ট্রেশন ক্যম্পে, যাদের হত্যা করা… [বিস্তারিত]
‘আমি বেশি জানি, এটা জ্ঞান হীন দের কথা’ ‘আমি কিছুই জানিনা , জ্ঞানী দের কথা,’ সক্রেটিস বিষের পেয়ালা হাতে দেয়া হল বিষ পান করার জন্য । মৃত্যুর খুব কাছে সক্রেটিস । এখনো সময় আছে যদি তুমি ভুল স্বীকার করো । সক্রেটিসের এক কথা।তাঁর সিদ্ধান্তে তিনি অটল । তিনি বলেছিলেন যে সমাজে সত্য কথা বলার জন্য… [বিস্তারিত]
শূন্যতা,, তোমার শূন্যতা থেকেই গেলো বাস্তবতার আড়ালে জমে থাকা স্মৃতির দেয়ালে, উষ্ম উত্তাপে, বিবর্ণ শব্দের আকারে! তুমি অকারণে পঞ্চচূড়া নিয়েও চিন্তামগ্ন। আমি নৈমিত্তিক মরণের সুর - শূন্যতার কাছে এসে পারে থাকি ঝুলন্ত ফ্রেমে, স্বপনের সাজসজ্জা লুকিয়ে থাকি কান্তি মায়া নির্ঘুম চোখে জল গভীরে নিঃসঙ্গ এক পাখি। তব তোমার স্নিগ্ধ মায়া, মধুর আলিঙ্গন ক্ষান্তি দেয় ফিরে… [বিস্তারিত]





























