ছায়া একটু শান্ত হলে অনিক কথা শুরু করলো, কেমন আছো? ছায়া ফ্যালফ্যাল করে তাকালো অনিকের দিকে। তুমি আমেরিকায় কখন এসেছো? গতবছর, ছোট করে এক শব্দে জবাব দিলো। রওশন কই, ও কি এসেছে? ছায়ার গাল বেয়ে বাধ ভাঙ্গা জল নামলো, আবার ফ্যালফ্যাল করে তাকালো। অনিক পাশের টেবিলে রাখা টিস্যুবক্সটা নিয়ে ছায়াকে এগিয়ে দিলে ছায়া টিস্যু নিয়ে… [বিস্তারিত]
বিভাগ: গল্প
স্কুল থেকে ফেরার পথে গলির ভেতরর প্রায়ই সমক্লাশের পাপ্পু'কে একটা ঘরের সামনে বসে বাংলা সিনেমার অর্থবহ গান গাইতে দেখছে ইদানীং মিনু।মিনুর সঙ্গে কনক থাকে। কনকের বাড়ি অনেকটা দূরে। অর্ধেকটা পথ একসাথে অন্তত যাওয়া যায়।অর্ধেক পথেই মিনুর বাসা।তারপরও কনক বাকি প্রায় দু'মাইলের মতো একাই হেঁটে যায়।নবম শ্রেনী'তে পড়ুয়া মিনু এরকম পাগলাটে ছেলে ছোকরা বহু দেখা হয়ে… [বিস্তারিত]
- আমি তোকে খুব ভালোবাসিরে, শুধু বোঝাতে পারি না । আর তুইও পুরো কথা না শুনেই রেগে যাস। এতো রাগ করে থাকলে ভালোবাসা তোর চোখে পড়বে কেমন করে বল ? - শোন , মনে মনে ভালোবাসার কোনো দাম নেই। মুখে প্রকাশ করতে হয়, কথায়/ কাজে মিল রাখতে হয়। তাহলে ভালোবাসা-বাসি বোঝা যায়। তুই যদি খাবার… [বিস্তারিত]
সন্ধ্যা সাতটার কিছু পরেই অনিক ওর ফ্যামিলি সহ এয়ারপোর্টে হাজির হলো, রাত সাড়ে নয়টায় ওর ফ্লাইট, গাড়ী থেকে নেমেই অবাক হলো অনিক, ওর প্রিয় বন্ধু রওশন গাড়ীর সামনে দাঁড়িয়ে আছে লাগেজ ট্রলি নিয়ে। তুই এইখানে, অনিকের চোখ ছলছল করে উঠলো। দাঁড়া আগে লাগেজ গুলো নামিয়ে নিই, জবাবে বললো রওশন, দ্রুত পিছনের বনেট থেকে ব্যাগ গুলো… [বিস্তারিত]
ধূলির প্রসার-নিমজ্জনেও হৃদয়ে পুঁতে রাখা বিপুল আনন্দ-উচ্ছ্বাসের প্রাণ-উদ্দীপক ঘোরতে ভালোলাগার উত্তেজিত-আলোড়ন নিয়ে এলোমেলো ঘুরে বেড়ানো বই মেলা জুড়ে; গৃহগামীতার শজারু-শূলবিদ্ধতার পিছুটান মোটেই ছিল না। ধূলি-গুঞ্জনে ভেসে ভেসে লাস্যময়ীদের ঝাঁক এড়িয়ে এক স্টল থেকে অন্য স্টলের চৌহদ্দি পেরিয়ে পুস্তক মাখামাখি ধীর-ধীরতার সাথে, দ্রুততায় ও; নই ল্যাখক, পাঠক-ও!নই, নেই ধনাত্মক ঋণাত্মকের সঙ্কট, নেই তেঁতুল বৃক্ষের জমাট হাতছানি,… [বিস্তারিত]
সন্ধ্যা সাতটার পর অনিক অফিস শেষে তার ফ্ল্যাটে ফিরে এলো, সে একাই থাকে এই ফ্ল্যাটে, ওর বাবা মা ভাই বোন সবাই দেশেই থাকে, ওই একমাত্র এই দেশ মানে আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরের থাকে। অনিক ফ্রেস হয়ে এসে নিজের জন্য অল্প কিছু খাবার রান্না করেখেলো, সে বাসী খাবার খেতে পারেনা সেই ছোটবেলা থেকেই, একি কারণে প্রতিবার সে… [বিস্তারিত]
খুবই সহজ-সংক্ষেপে দু’টি অতীব সাধারণ ঘটনা বলার চেষ্টা হবে,মহা-ব্যস্ত পাঠকের অতি মূল্যবান সময়-ক্ষেপণ না করে ধৈর্যচ্যুতির দায়ভার এড়িয়ে যাচ্ছি। ঘটনা.........১ সেবার হঠাৎ করে প্রস্তাব এলো বিশেষ কর্মের জন্য দূরগামী গন্তব্যের সাথী হতে হবে। ঘুরুক্কু মন (ঘোরতে ভাল্লাগে) বিনা পায়ে-ই এক বাক্যে রাজি, দেখি না কী কী হয়! যেতে যেতে যেতে ক্লান্তিহীন, প্রায় জন-মানবহীন এক ছাড়া-ভিটেয়… [বিস্তারিত]
আমি বেশ সাবধানে মোটরসাইকেল চালাই। খুব জোড়ে চালানো কিংবা রাস্তায় কারও সাথে টেক্কা দেওয়ার মতো কাজ আমি কখনোই করি না। তারপরও সেদিন একটা অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে গেল। কী একটা কাজে গোবিন্দগঞ্জ গিয়েছিলাম। গোবিন্দগঞ্জ আমাদের বাড়ি থেকে মোটামুটি বারো-তেরো কিলোমিটার দূরে। ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে গেল। চারদিকে আবছা অন্ধকার। রাস্তার দুপাশে সারিসারি গাছ। হালকা শীত আর শিরশিরে বাতাস।… [বিস্তারিত]
-মাথাটা ভন ভন করছে-ঘুরছে। -কেন?গত রাতে ঘুম ভাল হয়নি! -গত রাতে তুমি আমার পাশে ছিলে না? -ছিলামতো! অবাক হয়ে দুজনে দুজনের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলেন।এরপর কর্তী ফ্লোরে বসা তার ভ্যালেন্টাইল কার্ডে নাম লিখতে ব্যাস্ত।কর্তা তার শোবার খাটে শুয়ে মনোযোগ গল্পের বইয়ের পাতায় পাতায়।এর মাঝে কথা চলে বিচ্ছিন্ন ভাবে।হঠাৎ কর্তার সমুচ্চোরে হাসি এলো।হাসির অবস্থা এমন যে… [বিস্তারিত]
গোধূলি বেলায় কুহু তান তুলে ঈষৎ অবগুণ্ঠিত বসন্তকে হন-হনিয়ে পাশ কাটাতে দেখলাম হালকা তাচ্ছিল্যের সুবাস ছড়িয়ে, যাক বাবা, বেঁচে গেলাম এ যাত্রায়! আজকাল বসন্তদের খুশিতে ঠ্যালায় ঘোরতে ভাল্লাগে অবস্থা। বাঁক বদলে হঠাৎ হোঁচটের ঝাঁকি খাওয়ার মত করে থমকে দাঁড়ালাম, পুরোটা পথ আগলে বসন্ত দাঁড়িয়ে আছে , দাঁতি হয়ে!! অন্তরাত্মা কাঁপিয়ে, একরোখা সন্ধি চাইছে বিনা মধ্যস্থতায়;… [বিস্তারিত]
শুনলাম/শুনতে পাচ্ছি বসন্তের নূপুর ধ্বনি, উৎকৃষ্ট প্রকৃষ্ট প্রাকৃতিক নিয়ম মেনে/নিয়ম করে যেমন আসে ফি বছর। আসুক। দহরম মহরম হবে, হয়ত হয়েছে/হচ্ছে গভীরতম গোপনে কিছুটা প্রকাশ্যে, জনারণ্যেও জনেক জনেকে/অনেক অনেকে; ঔচিত্য অনৌচিত্যেকে কলা (কাঁচা/পাকা) দেখিয়ে, গোমরা মুখে, কেলানো দাঁতে; প্রজাপতি রঙ বাহারের ডানা দোলাবে, ফুলেরা গন্ধ দেবে/বিলোবে, প্রজাপতি গুঞ্জরিবে; বসন্ত আসে নব নব রূপে, সবার জন্য… [বিস্তারিত]
আজ নীলু এসেছিলো। নীলু কে? নীলু আমার ছোটবেলার খেলার সাথী। আমার তিন বছরের ছোট সে, উচ্ছল শৈশবের নানান স্মৃতির সাক্ষী। ছোটবেলায় কতদিন কত বছর আমরা হাঁড়িপাতিল, দাড়িয়াবান্ধা, কুতকুত খেলেছি তার আর হিসেব নেই। দু'জনের কত খুনসুটি, লুকিয়ে তার মায়ের হাতে বানানো আঁচার চুরি করা খাওয়া, আমার বই তার বাসায় লুকিয়ে রেখে আম্মাকে বই হারানোর কথা… [বিস্তারিত]
১৬৯ স্ট্রিট সাবওয়ে স্টেশন থেকে বেরিয়ে হিলসাইড অ্যাভিনিউ ধরে বাড়ির দিকে হাঁটছে কামরুন নাহার। ক্লান্ত, অবসন্ন, ধীর পায়ে হাইল্যান্ড অ্যাভিনিউর দিকে হাঁটছে। কাজ শেষে এ পথটা হেঁটে বাড়ি ফেরা বেশ ক্লান্তিকর। শ্বাস ঘন হয়ে আসে। দুপাশে প্রকাণ্ড সব গাছ। পাহাড়ের মতো উঁচু রাস্তা। তবুও ফিরতে হয়। অন্য পথে ফেরার কোনো রাস্তা নেই। রোজ এই পথ… [বিস্তারিত]
রহিম মিয়া দশ বছর আগে জীবিকার উদ্দ্যেশ্য নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন। সাথে দুই ছেলে, তিন মেয়ে, স্ত্রী লতিফা ও বৃদ্ধ শাশুড়ীকে নিয়ে। দেনার দায়ে গ্রামের জমিজমা সবই বন্দক রাখতে হয়েছিলো তারও আগে। অন্যের জমিতে কাজ করে সংসার টানতে পারছিলেন না। ঢাকায় এসে দিনমজুরের কাজে যোগ দেন। লতিফা বেগম কাজ নেয় আসেপাশের বাসা-বাড়িতে,গৃহ কর্মীর কাজ। দিনগুলো কাটছিলো… [বিস্তারিত]
গতকালও বৈশাখের কাঠফাটা গরমে আবহাওয়াটা অসহ্য রকমের গুমোট হয়েছিল। কিছুক্ষন আগে একপশলা বৃষ্টি হয়েছোট। এখন থেমে গেলেও আকাশটা স্লেটের মত কালো হয়ে আছে। বাতাসে হিমেল আমেজ। এখানে বসে পাহাড় শ্রেণীর অনেকদুর দেখা যায় । বৃষ্টি ঝেড়ে ফেলা, পেজা তুলার মত হালকা সফেদ রঙা সাদা মেঘগুলি ভাসছে, ঠিক তার নিচে সবুজে ছাওয়া পাহাড়ী বন। বনের গাছ-গাছালির… [বিস্তারিত]











