” ২২ শে ফেব্রুয়ারি ” দিনটি ছিল শনিবার। সকাল থেকেই সুপ্রিয় নিজের অফিসে যাওয়ার পায়তারা করছে।কিন্তু সে যে অসুস্থ সেদিকে তার একদম ই খেয়াল নেই। যেতে হবেই,এবং সে যাবেই। যেন পণ করে বসে আছে। মাত্র একদিন আগেই হাসপাতাল থেকে জোড় করে বাসায় এসেছে।মনে হয় শান্তির নীড়ে ফিরে এসেছে। টানা ১৮ দিন দুই হাসপাতালে থেকে [বিস্তারিত ২২ শে ফেব্রুয়ারি।]
ক্যাটাগরি গল্প
জিসান ভাই #স্বপ্ন দেখার মাঝে সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে ঘুম ভেঙে নিজেকে খাটের তলায় আবিষ্কার করেছেন থ্রি স্টার মোটেল সোনালু’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ব্লগার ছাইরাছ হেলাল ভাইয়ের কাছ থেকে এমন খবরে বুকটা ধ্বক্ করে উঠলো। এই বয়সে কোমরে চোট লাগলে সমস্যা হবারই কথা। সোনেলার ব্লগারদের মিলনমেলা উপলক্ষে ঢাকায় যারা যাবো তারা অনেকেই হেলাল ভাইয়ের মোটেলেই উঠবো [বিস্তারিত স্বপ্ন || ৪ ( ব্লগারদের সম্মিলিত গল্প )]
পূবের মাঠ পেরোলেই ছাতিম, আর জারুলের বাগান। জমিদারবাড়ির পান্থপথে বিশাল আকৃতি দুটো সাইনবোর্ড লাগানো। একটা মিস্টার নগেন জ্যোতিষীর আরেকটা ডাক্তার নীলুদা শঙ্করের। প্রথম সাইনবোর্ডে লেখা, পূর্ববঙ্গ হতে আগত তান্ত্রিক, মহাতান্ত্রিক, মহাসাধক নগেন জ্যোতিষী। যাঁর রয়েছে অগণিত নানা সনদপত্র। বশীকরণ, যাদুকরণ,ভূতপ্রেত সাধনা,পরী সাধনা, অবিবাহিতাকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া,তাবিজ ও যাদুটোনা। কড়ি চালান,বাটি চালান ইত্যাদি আরও কতকিছুতে পারদর্শী। [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কাণ্ড” পর্ব-২৯]
রুদ্র গাড়ি স্টার্ট দিয়ে এগিয়ে চলেছে, পুরো গাড়ি জুড়ে নিস্তব্ধতা ছেয়ে রয়েছে, অনিলা এখনো কাঁপছে দেখে রুদ্র হাত বাড়িয়ে অনিলার হাত ধরে ধীরে চাপ দিলো, বুঝালো ভয় নেই। কিছু সময় পর জিজ্ঞেস করলো, তোমার বাসা কোথায়? অনিলা ফিরে তাকালো রুদ্রর দিকে এরপর বললো, আফতাব নগর। রুদ্র গাড়ি ছোটালো, গুলশান এক হয়ে হাতিরঝিল হয়ে বেরুবে। পুরো [বিস্তারিত রঙ্ধনু আকাশ (৯ম পর্ব)]
আলম ভাইয়ের মোবাইলের চিৎকারে তাঁর স্বপ্নটা ভেঙে গিয়েছিলো। কি আশ্চর্য একই সাথে আমারও মোবাইল বেজে উঠলো। গত রাতে ঘুম হয়নি তেমন, মোবাইলের রিং এর শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছিল বলে রক্ষা, নইলে তো দুপুর হয়ে যেত ঘুম থেকে জাগতে। কে বলতেই তৌহিদ ভাই কথা বলে উঠলো, জিসান ভাই ঠিক বারোটায় আসবো তো সবুজ ছায়া রেস্টুরেন্টে? উত্তর [বিস্তারিত স্বপ্ন || ৩ ( ব্লগারদের সম্মিলিত গল্প )]
জয় আর তিথী দুজনেই আমার অতি প্রিয়॥ ভার্সিটিতে জুনিয়র ছিল কিন্তূ সম্পর্ক বন্ধুর মতই।তিথী আমার মামাত বোন।সবরকমের দুষ্টুমি হয় ওদের সাথে।এটা আগে ছিলনা।জয় অসম্ভব মিশুক এবং দুষ্টু একটা ছেলে। আমি গম্ভীর হলেও ওর কাছে শেষ রক্ষা হয়নি। আমি প্রথম যখন জানলাম তিথী জয়কে পছন্দ করে। আমি না করে দিয়েছিলাম। বড় বোন বলে কথা।যত ভালোই হোক [বিস্তারিত তিথী পজিটিভ বনাম করোনা]
আংকেল আপনি এভাবে কথা বলছেন কেন, আপনারা বসুন, ঠান্ডা মাথায় কথা বলুন, নীল ভাইয়ার সমস্যা সাময়িক, উনি দ্রুত ঠিক হয়ে যাবেন, রুদ্র নিজের মেজাজ ঠান্ডা করে কথা কটি বললো। দেখো বাবা, আমাদের মেয়ের অনেক জীবন বাকি আছে, আমরা চাইনা আমার মেয়ে গুমরে গুমরে মরুক, অবিভাবক হিসাবে আমরা এ মেনে নিতে পারিনা। কিসের অবিভাবক তোমরা, যেদিন [বিস্তারিত রঙধনু আকাশ (৮ম পর্ব)]
অনিলার বিদায়বেলায় ঘরের সবাই গাড়ি বারান্দায় সবাই এলো, অনিলা রুহিকে খুব করে আদর করে চুমু খেয়ে বললো, আমার তো মা নেই, আজ থেকে তুমিই আমার আম্মু, ঠিক আছে? রুহি ফোকলা দাঁত দেখিয়ে হেসে বললো, আমি টুমার আম্মু। অনিলা আবার চুমু খেয়ে রেনুর কোলে দিয়ে বললো, ভাবী খুব ভালো লাগলো আপনাদের, একদিন আমাদের বাসায় আসলে খুশি [বিস্তারিত রঙধনু আকাশ (৭ম পর্ব)]
মাহবুবুল আলম মধুমেহ রোগের কারণে জিলেপি অামি খেতে পারিনা। তবে এটি আমার প্রিয় মিষ্টি, কী যে রসালো, স্বাদে টইটম্বুর। তাই বাসার সবারই জিলেপি খুব পছন্দ। তবে ঘরের মানুষের কড়া বারন ফ্রিজে জিলেপির বাক্সে কিছুতে হাত দেয়া যাবে না। আমি যাতে লুকিয়ে জিলেপি না খেয়ে ফেলি সেজন্যে বাচ্চা দুটোকে স্পাই হিসেবে পেছনে লাগিয়ে রেখেছে যাতে আমি [বিস্তারিত স্বপ্ন || ২ ( ব্লগারদের সম্মিলিত গল্প )]
তখন ডিসেম্বরের মাঝামাঝি শীত চাপিয়ে পড়েছে চারদিকে। রহমত আলী ফরেস্ট থেকে তিনদিনের সফর শেষ করে বাড়ি ফিরেছেন। সাথে করে নিয়ে আসলেন এক অদ্ভুত ভয়ংকর গা ছিমছিমে ও শিহরিত হয়ে উঠার গল্প। গল্প শুনার জন্য সবাই গোল হয়ে বসে আছে জমিদারবাড়ির দীঘির পাড়ে। তখন বিকাল প্রায় চারটের কাছাকাছি। সন্ধ্যা না হলে গল্প বলতে নারাজ রহমত আলী। [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কাণ্ড” পর্ব-২৮]
সোনেলার নতুন অফিস উদ্বোধন আজ। আমি জিসান ভাইজানসহ হেলাল ভাইজান, তৌহিদ ভাই, মমি ভাই, মজিবর ভাই বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। আমাদের আলোচ্য বিষয় হলো সোনেলার মিলনমেলা আরও আড়ম্বরপূর্ণ কিভাবে করা যায়। আমি বললাম, করোনা কালে সবার জন্য আমি চিন্তা করি; ফোনে দু’একজনের সাথে যোগাযোগও হয়। ভাবি কবে আবার একসাথে আড্ডা দেব আমরা। এটি প্রায়ই ভাবি বাসায় [বিস্তারিত স্বপ্ন || ১ ( ব্লগারদের সম্মিলিত গল্প )]
রুদ্র ওর বন্ধুকে নিয়ে টেক্সটাইল ফ্যাক্টরি দেখাতে নিয়ে এসেছে, চিনু পাশাপাশি দুইটা ফ্যাক্টরি ঘুরে দেখে বললো, আমি এক কাজ করি বন্ধু, প্রথমেই কয়েকটা মেকানিক এনে সব মেশিন চেক করে নিই, এই মেসিন গুলো সেকেন্ড হ্যান্ড হলেও অনেক উন্নত, তুই লোক নিয়োগ দেওয়ার ব্যবস্থা নে, ততদিনে মেশিন গুলো রেডি হয়ে যাবে, প্রডাকশন করার মতো অবস্থায় এলে [বিস্তারিত রঙধনু আকাশ (৬ষ্ট পর্ব)]
পৃথিবীর প্রতিটি দেশে যুদ্ধ হয়েছে। আর এ যুদ্ধের সাথে বিবর্তন ও পরিবর্তন হয়েছে ভূতপ্রেতের। ভূতেরা নাকি কামান ও ভয়ানক আগ্নেস্ত্রাকে ভয় পেত। সে ভয়ে অনেক ভূত পালিয়েছে। তেমনি হরিবাবুর জমিদারবাড়িতে হয়েছে। যা একসময় আফ্রিকান ভূতপ্রেতেরা হরিবাবুর সপ্ততরী করে চলে আসে। গ্রামের লোকজন সন্ধ্যা হলে জমিয়ে দিত নানান গল্প। আর এ গল্প ভূতপ্রেতকে নিয়ে। যা আজকাল [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কাণ্ড” পর্ব-২৭]
কেবিন নং ৫০৭ পরপর দুটো বাচ্চার পর ছোট মেয়েটা যখন পেটে এলো, সত্যি বলতে কি, তেমন কোন অনুভূতি আমাকে ছুঁয়ে যায়নি। নিয়তির এ অবধারিত রীতিকে অবশ্যম্ভাবী বলেই ধরে নিয়েছিলেম। পিঠেপিঠি দুটো ছেলেকে বড় করে তুলতে গিয়ে আমি সত্যিই খুব ক্লান্ত ছিলাম। আমার স্বামী ডাক্তার। কাজের ক্ষেত্রে সফল তিনি। হাসপাতাল চেম্বার মিলিয়ে সারাদিন বাইরেই থাকেন। আমাকে [বিস্তারিত কেবিন নং ৫০৭]
ভূতপ্রেতরা অদ্ভুত জগতের এক বাসিন্দা। তাদের বসবাস মনুষ্য সমাজ থেকে বহুদূর। মনুষ্য সমাজ তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গেলে ঘাড়চেপে ধরে। বিশেষ করে গ্রামের লোকজন ভূতপ্রেতে বিশ্বাসী। এ বিশ্বাসকে মনে করিয়ে জমিদারবাড়িকে গ্রামের লোকজন নাম দিয়েছে ভূতবাড়ি। তান্ত্রিক মহাতান্ত্রিকরা হার মেনেছেন বাগানবাড়ির বিদেশি ভূতপ্রেতের কাছে। এইবার ঠিকে আছেন ডাক্তার নীলুদা ও মিস্টার নগেন জ্যোতিষী। লোকজন মনে করে [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কাণ্ড” পর্ব-২৬]