কত সভা কত সেমিনার মধুর মধুর ভাষণ সবই যেন গালভরা বুলি মিথ্যে প্রহসন- নিষ্পাপ শিশু অমূল্য রতন লেখাপড়া শিখে গড়বে সুন্দর ভুবন। আজও দেখি কত শিশু অনাহারে কোমল হাতে করে কাজ কাঁদিতে কাঁদিতে কর্তাদের বাড়ি আর কারখানাতে শিশু অধিকার বন্দী শুধু কথার ঝুলিতে। কত কচি মন মুকুলেই যাচ্ছে যে ঝরে পায়না খেতে করে কাজ পাঠশালা… [বিস্তারিত]
বিভাগ: কবিতা
মাগো একটি ছবি আকব অনেকক্ষণ বসে ভাবছি রং তুলি হাতে আছে কি ছবি আকব ভেবে পাচ্ছি না। অকস্মাৎ আমার মনে পড়ে ১৯৪৩ সন। মাগো, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইংরেজরা বাংলাকে হেলা করেছে সেই হেলার কারণে বাংলায় নাকি দুর্ভিক্ষ হয়েছিল তখন নাকি বাংলার অলিতে-গলিতে এমনকি রাজপথে ফুটপাতে লাখ লাখ মানুষ না খাদ্য পেয়ে ধুঁকে ধুঁকে ঢলে পড়ে… [বিস্তারিত]
অচেনা আবেগের সমুদ্রে ভাসছি অবিরত,কষ্টের বিশাল ঢেউয়ে মন মিশে একাকার।স্মৃতিগুলোও আজ নীল তিমির পেটে,হাঙ্গরের গ্রাসে স্বপ্নগুলোও ভেঙ্গে চুরমার।দুঃখের পাহাড়ে হয়তো ঠেকে যাবে দেহ! কোথায় আছে সেই এক বিন্দু ভালবাসা?যার রশ্মির ঝলকে নীরব হয়ে যাবে সব,ফিরে পাব চেনা সেই পুরোনো রূপ। [বিস্তারিত]
আমি এমন একটি রাষ্ট্র চাই যে রাষ্ট্রের সবাই প্রেমিক প্রেমিকা নেই কেউ খল। আমি এমন একটি রাষ্ট্র চাই যে রাষ্ট্রের সবাই ফুলকে ভালোবাসে কেউ পদতলে নিষ্পেষিত করে না ফুলকে। আমি এমন একটি রাষ্ট্র চাই যে রাষ্ট্রের সবাই পাখিকে রক্ষা করে কেউ মারে না একটি ও পাখি। আমি এমন একটি রাষ্ট্র চাই যে রাষ্ট্রের সবাই পরিশ্রমী… [বিস্তারিত]
কি অদ্ভুত! একে বারে কথা শোনলো না উল্টো হাতের চর দেখালো- তারপর মিছিল স্লোগান ধর- ধর- শালাকে মার- মার শালা; জ্ঞানের আলো অন্ধ! এভাবে জীবন চলে, নিয়মকানুন তৈরি করে নাকি সে! কাকে বুঝাতে আসছো নিয়ম! হু সে তো কিল ঘুশি খাইবেই- ধৈর্যের অগাত সাহসে কিল ঘুশি মারা থেকে বিরত থাকলাম। তবুও জ্ঞানের আলো অন্ধ নয়,… [বিস্তারিত]
কতোটা দুঃখ ছুঁয়ে গেলে ? বেদনার নীলে কতোটা সুভাষিত হলে ? জানতে চেয়ে বারবার হারিয়ে গেলে। তুমি সত্যি করে কাছে এলে ঠিকই, কিন্তু বুঝতে পারোনি, কতোটা বিশালতা নিয়ে অপেক্ষমাণ ছিলাম। তোমায় সুদীর্ঘ পথ কেটে রাস্তা দেখিয়েছি। তোমার অব্যক্ত অনুভূতিতে শব্দ জুড়েছি। তবু তুমি জানলে না, ভালোবাসার হৃদয়ে কতোটা ক্ষত প্রসারিত হল। যখন বললে; নিজেকে ভালোবাসো।… [বিস্তারিত]
এই গগন নক্ষত্রের তলে আছে অজস্র লোকালয় এই পৃথিবীর অজানা দীর্ঘ পথ দৃপ্ত পায়ে হেঁটে হেঁটে দূর্গম দূর্ভেদ্য অন্ধকার আমি অতিক্রম করতে চাই দেখব আমি পৃথিবীর অপার সৌন্দর্য ঘুরে ঘুরে প্রকৃতির সম্ভারে প্রবেশ করে কখনো উঠব পাহাড় পর্বতে কখনো ও বা পাখির ডানায় ভর করে দেখব অপার সৌন্দর্য সত্যি সত্যি দেখব আমি পৃথিবীর অপার সৌন্দর্য… [বিস্তারিত]
একদিন আমি ফুলজোড় নদীর তীরে বসে নিঝুম নিরালায়ে একাকি শৈশবের স্মৃতির খোঁজে কাটিয়েছি অজস্র সময় অতীতের কথা ভেবে, এখানেই আমি হারিয়ে ফেলেছি আমার শৈশবের সোনালী দিন গুলো। করেছ স্নান ভোজ এই ফুলজোড় নদীর জলে আর কত হারিয়েছে আমার সুন্দর মূহুর্ত গুলো, শৈশবের স্মৃতি ডায়েরি খুলে ছিড়েছি কত পাতা আর বসে দেখেছি কত ধবল বকের খেলা,… [বিস্তারিত]
সকল পল্লব আজি পড়ছে ফাল্গুনের হিল্লোলে, হাহাকার হৃদয়ে দাড়িয়ে অসীম শূন্যতার মাঝে, কোনো এক পূনর্তার লোভে প্রতীক্ষ্যমান অপলক চোখে! বেদনাবিধুর হৃদয়ে তারি লাগি আজো, সহস্রবছর সাধনার ধ্যানে। কবে সে বলে ছিল সে কবেকার কথা! মনে তা গাঁথিয়া রাখিছি যক্ষের ধনে। নিয়তির পরিহাসে তারি দ্বারে ফিরে ফিরে আসি। আমিতো আবার সাজবো নতুন পল্লবে, তাহাকে কোথা পাইবো… [বিস্তারিত]
এক সাগর রক্তের দামে কেনা বাংলা চাইলে পারে না কেউ করতে হামলা। বাংলা আমার মা বোনের ইজ্জতের দামে কেনা চাইলে থাকতে পারে না বাংলায় কোনো হায়েনা বাংলার মাটি শহীদর রক্তে ভেজা পারে না করতে চাইলে যখন যে যা। লাল আর সবুজের পতাকা উড়বে বাংলায় যতদিন মুজিব, মুজিব, মুজিব বাঙালি বলবে ততদিন। রচনাকালঃ ১৫/১২/২০২০ [বিস্তারিত]
তোমার শহরে ফাগুনের ইন্দ্রধনু, আমার শহরে কালবৈশাখীর ধূসরতা। তোমার শহর সুকন্ঠী পাখির কলকাকলিতে মুখরিত, আমার শহর শকুন, চিল আর কাকের ছড়াছড়িতে অতিষ্ঠ। তোমার শহরে দক্ষিণা মলয়ের সুমিষ্ট লহরী, আমার শহরে পঁচা লাশ, ধর্ষন আর ক্ষুধার্তের প্রলয় বাঁশরী। তোমার শহরে ভালোবাসারা করে লুটোপুটি, আমার শহর ঘৃণা, ক্রোধ আর লোভের বেসাতি। তোমার শহরে হ্যামিলনের বাঁশির সুর ব্যঞ্জণ,… [বিস্তারিত]
আবার যে দিন দেখা হবে তোমার সাথে কোনো জ্যোৎস্না শোভিত রাতের গভীরে অথবা ভোরের দোয়েলের মিষ্টি গানে হয়তো বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সময় যখন তুমি উড়বে বুনো শালিকের দলের সাথে আমি উড়ব তোমার মিলন পাওয়ার আশায় তোমার স্পর্শ পাওয়ার জন্য গুনবো প্রতীক্ষার প্রহর গোলাপ ফুলের সৌরভে মুখরিত হব কখনো দুজন না হয় কোনো মিছিলে অংশ নেবার… [বিস্তারিত]
রঙ বদলে গ্যাছে হৃদয়ের ঢেউটিনের নখের শরীরে জ্বর ঠান্ডা আঙুলের ঠোঁটে আহাজারি! পদচিহ্নের উঠোনে পান্তা ভাতের বাসর খেয়াল নেই- খামখেয়ালি চুলের মেরুদণ্ড, নাকের দুপাড়। তুমি নেই! কদম ফুলে কাকের বাসর। রঙ বদলে গ্যাছে আত্মার হ্যারিকেনের পিঁপড়ে খেয়ে গ্যাছে গোটা যৌবন! শরীরের গন্ধে মাছির ঝাঁক মশারা উড়ে গ্যাছে আত্মা পচনের দুর্গন্ধে নিশ্বাস নেই- নৃত্য করে মৃত্যু… [বিস্তারিত]
আকাশ শূন্য- বাতাস ধন্য তারাগুলো তারার কাছে ছুটে যেতে চায় মন পূর্ণ! সীমারেখাহীন- ঠিকানাবিহীন নীল নীলিমায়ায়- যে নীল একচোখে দেখে- অন্যচোখে নিভাই; তবুও সোনালি কথার ভিরে, সমুদ্রের ঢেউ তুলে মনের কিনারায়- এভাবেই অজানা ব্যথাগুলো সবুজ ঘাসে হারায়- রঙবিরল প্রজাপতি রঙে থাকুক ঘিরে- ধুলি বালি- মন মেঠোপথ মাখানো এক ধূসর মুখচোর ছবি- যে ছবি কথা কয়… [বিস্তারিত]
আমি তো উপন্যাসিকের সেই উপন্যাসটা যেথায় উপন্যাসিক সযত্নে লেখে সুখী মানুষের সুখের কথা আর দুঃখী মানুষের দুঃখের কথা। আমি তো প্রেমিকার অপ্রয়োজনীয় ডায়েরির সেই কষ্টের পাতাটা যে ডায়েরির পাতার নেই কোনো প্রয়োজন শুধু অবহেলা আর অবহেলা। আমি তো নিঝুম দুপুরে তৃষার্ত পথিকের জল পানের সেই দৃশ্যটা যা তৃষার্ত পথিকের জন্য আনন্দদায়ক। আমি তো বর্ষাকালে প্রকৃতির… [বিস্তারিত]






















