মূল লেখায় যান

পাথর জীবন

মামুনগল্প৮টি মন্তব্য

আজানের শব্দে ধ্যান ভাঙ্গে মিলির। বারান্দা থেকে মাথা নীচু করে নিজের রুমের দিকে পা বাড়ায় সে। আসরের আজান দিয়ে দিলো?! এতটা সময় ধরে এখানে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে ভেবে অবাক হয়! মেয়েরা কি করছে কে জানে। গত সন্ধ্যা আর আজকের দুপুরটার মধ্যে ডুবে গিয়েছিল। এতো সুখী একটা সময় শুধু দুই একটা অসতর্ক শব্দের জন্য এমন করে… [বিস্তারিত]

তুমি চলে যেতেই…..

সাঞ্জনা চৌধুরী জুঁথীকবিতা৪২টি মন্তব্য

তুমি চলে যেতেই... গাঢ় পেইন্টে ঢেকে ফেলি দেওয়ালের সব স্মৃতি কাঁচের জানালা থেকে ধুয়ে ফেলি সে চোখের দৃষ্টি সন্দেহ ভরা আয়নাটা, একার ঘরে বড়ই বেমানান দেওয়াল জোড়া আয়নায় দেখি নিজেকে দেখি খুব সুক্ষ্ন দৃষ্টিতে.... শরীরে কোথাও তার হাতের ছোঁয়া রয়ে গেলো কিনা! তুমি চলে যেতেই... সন্ধ্যা দরজায় রাখিনা কোন প্রতিক্ষায় চোখ মান-অভিমানের পাট চুকিয়ে বিছানা… [বিস্তারিত]

শ্রদ্ধা নিবেদন

শুভ মালাকারকবিতা১১টি মন্তব্য

শ্রদ্ধা নিবেদন =============================== এখনো যার জন্মিছে ধরায়- স্বাধীনতা জন্মেই তারা চায়। মোদের পিতারাও চেয়েছিল তা- তাই মোরা পেয়েছি স্বাধীনতা। কত মাতা পুত্র হারা, কত বোন ভাই হারা- হয়েছিল সেই সংকটময় ক্ষনে। স্বাধীনতার বাহক তারা, স্বাধীনতার ধারক তারা- স্বাধীনতা পাওয়াও কেবল তাদের গুণে। আজ এই ডিসেম্বরের ষোল-য়- স্বাধীন ভাবে নাচ্ছি, খেলছি, গাইছি গান। শত আনন্দের মাঝেও… [বিস্তারিত]

স্বগত

অরণ্যএকান্ত অনুভূতি, কবিতা১২টি মন্তব্য

আমারও কিছু করার আছে অনেক কিছুই বাকি! আমি শালা কোন ‘বোকাচো’ এক হুদাই! নিজেকে দিয়েছি ফাকি। ‘ছয়’-এ যে তোকে যেতেই হবে কে বলেছে তোকে, কোন ভাই? ‘তিন’-ও ঠিক ঠিক মহাখালীই যায় ভাবছিস শালা ছাই। তিন-ছয় শালা বাদও দিস যদি টেম্পু, ‘সাতাশ’-ও কাছে; বাস না পেলে শালা ওপারে যা তুই দেখ, রিক্সা দাঁড়িয়ে আছে। এসবও শালা… [বিস্তারিত]

বৈশাখ মাসের তীব্র গরম। প্রখর সূর্যের আলোয় পুড়ছে নগর, পুড়ছে মানুষ। একটু আদ্রতার আশায় ক্লান্তিহীন ডাকা ডাকছে নগরের কাক। উত্তপ্ত নগরের উত্তপ্ত নাগরিক ব্যস্ততায় আক্রান্ত মানুষের কি আর সেসবে কান দেওয়ার সময় আছে। মানুষ হাঁটছে, শিশুরা স্কুল থেকে ফিরছে, যুগলেরা রিকশার হুড তুলে শরীরের উষ্ণতা দিয়ে প্রকৃতির উষ্ণতাকে ঢাকার ব্যর্থ চেষ্টা করছে। কোন এক বৃক্ষ… [বিস্তারিত]

কবি ও কবিতা

প্রলয় সাহাকবিতা১৬টি মন্তব্য

- আমি কে? : তুমি কবিতা - আর আঁপনি! : আমি তোমার জন্মদাতা- যাকে বলে কবি। - আমার জন্ম কিভাবে হলো? : কাল্পনিক সঙ্গমে। - সঙ্গম কি! : আত্মাকতৃক একে-অপরের মিলন। - মিলন কি? : অন্তরের মিল। - অন্তর কাকে বলে? : হৃদয়। - আমি কি তাহলে, আঁপনার হৃদয়ে বাসা বেঁধেছি? : একদম ঠিক। শুধু… [বিস্তারিত]

তেরঃ বেজ ক্যাম্পে ফিরতে ফিরতে বিকেল হয়ে গেলো। তবে আশ্চর্য ব্যাপার হচ্ছে, নীলসাধুর সাথে দেখা করার পর থেকেই অদ্ভুত শান্ত হয়ে গেছে মনটা। আগের মত অস্থিরতা নেই। কারণটা বোধহয় স্মৃতিশ্বরকে টেক্কা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে এমন অস্ত্র আছে আমার কাছে। বেজ ক্যাম্পে ফিরে চিন্তা করে নিলাম একটু। কিন্তু সত্যিকার অর্থে কোন ফল নেই এই চিন্তায়। আরিশার… [বিস্তারিত]

প্রজাপতির কবিতা!

নিবিড় রৌদ্রএকান্ত অনুভূতি, কবিতা৫টি মন্তব্য

প্রজাপতি - নিবিড় রৌদ্র প্রজাপতি প্রজাপতি রঙিন পাখা মেলে যাচ্ছো উড়ে কোথায় এদিক ওদিক দোলে? সঙ্গে নেবে আমায়? আমিও উড়বো কিছুক্ষন, নাইবা হলাম উড়তে যেয়ে পাখির মত দক্ষ- বিচক্ষণ প্রজাপতি প্রজাপতি নাও না আমায় দলে কোন মায়াতে মাতাল হয়ে এড়িয়ে যাও চলে? মানুষ মাঝে প্রেম নেই সোনা প্রজাপতি আমার মানুষ কেবল স্বার্থ বুঝে আর্থ হৃদয়… [বিস্তারিত]

সাকিবের পায়রা

আলমগীর মুহাম্মদ সিরাজগল্প১১টি মন্তব্য

(শিশুতোষ ছোটগল্প) পড়া বলো। স্যার আমি পড়া শিখিনি। কেন? স্যার আমার মন খারাপ। কেন? দুচোখে তার কথার সমুদ্র লুকানো। মুখটাও মায়াবী। চোখ আর মুখ দিয়ে যেন ভিতর থেকেই প্রতিভাত হচ্ছে, আজ তার মন খারাপ। আমারও আর বুঝতে বাকি রইলো না। ক্লাশ সেভেন। অনেক ছাত্রছাত্রী। ক্লাশে সবার ছোট সে। সবার মাঝ থেকে এই পিচ্ছি সাকিবকে আলাদা… [বিস্তারিত]

মা​ঝি

অরুণিমা মন্ডল দাসকবিতা১১টি মন্তব্য

ঢেউয়ের কাছে চোখ নামালে নৌকার দাঁড় শিউরে উঠে! গরিব মাঝির পেটে সদ্য দুপুরের গরম ভাত, কাঁচালঙ্কা, কাতলা মাছের ঝোলের গন্ধ ন্যাপথলিনের মত ছড়িয়ে পড়ে! বাটা কোম্পানির ছেঁড়া জুতো দিয়ে,মহাকাশের সন্ধ্যাতারা দেখতে দেখতে ঝপাৎ ঝপাৎ শব্দ করে নৌকাটি এগোতে লাগল! সারাদিনের কটা টাকা রোজগারের পর বাড়ি ফেরে বৌ এর মুখের দিকে তাকালেই চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে… [বিস্তারিত]

আমার স্মৃতি কথা!

নিবিড় রৌদ্রএকান্ত অনুভূতি, কবিতা১২টি মন্তব্য

স্নিগ্ধ আলোক ছুঁয়ে ফুল গাছটা নূয়ে হিমেল আদর বা'য়ে ভেজা মাটি পায়ে শিশির, মেঘ আর সোনারোদের প্রীতি এইটা আমার সকাল বেলার স্মৃতি। বেলা বাড়তো যখন উজ্জ্বল নীল গগন বিদ্যালয়ে বইয়ের পাতায় আলো খুঁজার লগন ছুটির দিনে উড়ি, ডাঙ্গুলী আর ঘুড়ি এমনি করে দুপুর আসতো বাড়ি। কাঠফাটা রোদ নামে নির্জন পাড়া গ্রামে বিষন্নতা কিনতে হতো অল্প… [বিস্তারিত]

মুখোমুখি

প্রলয় সাহাকবিতা২২টি মন্তব্য

: মায়া - বলো প্রদীপ। : ভালোবাসার রং কি? - ভালোবাসার রং? নীল। : নীল কেন? দুঃখ দিই বলে? - মোটেই না ।নীল আকাশে চিঠি দাও বলে। : কিন্তু, চিঠির লেখা গুলোতো কালো? - তাতে কি? চিঠি তো আর অঞ্জন না? : তুমি কি অঞ্জন দিতে ভালোবাসো না? - বাসি তো। তাইতো অঞ্জন লাগিয়ে তোমায়… [বিস্তারিত]

বই পড়ার সময় এপিগ্রাম গুলি সহজাত ভাবেই আমার চোখে পড়ে, আর সেগুলিকে আলাদা করে টুকে রাখাটা আমার স্বভাব। শত শত বইয়ের এপিগ্রাম দুটি ডায়রিতে লেখা আছে। এখনও বই পড়ার সময় এই অভ্যাস নিরবে কাজ করে যায়। তারই ফল এই সুনীল গঙ্গপাধ্যায়ের লেখা কাকাবাবু সিরিজের- “পাহাড় চূড়ায় আতঙ্ক” বইয়ের এপিগ্রাম। ১। ইচ্ছে থাকলেই পারা যায়। ২।… [বিস্তারিত]

নৈঃশব্দ বাড়ী নেই

নীলাঞ্জনা নীলাএকান্ত অনুভূতি, কবিতা৩৮টি মন্তব্য

{}হ্যালো, হ্যালো নৈঃশব্দ কি বাড়ী আছেন? রঙচঙে মোড়কে সাজিয়ে বেশ একটি উপহার পাঠিয়েছেন আপনি, গ্রহণ করার মতো ক্ষমতা আমার নেই। হ্যালোওওওওওওওও, নৈঃশব্দ কি আছেন? ফোনের ওপাশে কে? দেখুন খুব দরকার উনাকে। হয় কথা বলুন, নয়তো রেখে দিন। নীরবতা পাবার জন্যে ফোন বিল দেয়া সম্ভব না আমার পক্ষে। অদ্ভূত তো! ---"কে বলছেন? নৈঃশব্দ এখন বাড়ীতে নেই।"… [বিস্তারিত]

দশঃ ঠিক কতক্ষণ সময় কেটে গেছে হিসেব রাখতে পারিনি। নিজেকে আত্মরক্ষা করতে করতে যখন মনে হচ্ছিল আর বুঝি সম্ভব হলো না সে সময়েই টের পেলাম পিছন থেকে বেশ কিছু মানুষের সাড়া শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার সামনে থেকে আসা আক্রমণের জবাবে তীব্র পরিমাণে ফায়ারিং শুরু হলো। বিডি-৮ অ্যাসাল্ট রাইফেলের গুলির শব্দ কোনদিন বোধহয় এত… [বিস্তারিত]