১ তুবার লাশটা তখনো এসে পৌঁছোয়নি। আমি সামনের গোল বারান্দাটার সামনে উন্মুখ হয়ে দাঁড়িয়েছিলাম। চারপাশে অনেক লোকের ফিসফিস। গভীর নিঃস্তব্ধতার মাঝেও যেমন শব্দের কিছু কারুকাজ থেকেই যায় যাকে ঠিক সরব বলা যায় না আবার নীরবও বলা চলে না তেমনি একটা শান্ত সময়ের ভেতর দাঁড়িয়ে আমি তুবাকে বিদায় জানাবার সকল আচার মনে মনে ঝালাই করে নিচ্ছিলাম।… [বিস্তারিত]
শাকিলা তুবা
- নিবন্ধন করেছেনঃ ১৩ বছর ৩ মাস ২৫ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৪টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৫টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৩২টি
মন্টুর যাবার তাড়া ছিল না কিনতু ওকে বিদায় দেবার তাড়া আমারই ছিল। প্রথম যখন ওর চোখে তাকিয়েছিলাম বর্ষার নদী থেকে মাছের লাফিয়ে ওঠা একটা চমক দেখে বলেছিলাম, ‘তোমার চোখ দু’টো খুলে আমাকে দিয়ে দাও।‘ ও হেসে বলেছিল, ‘যতক্ষন এগুলো আমার ভুরুর নীচে ততক্ষনই ওরা মনোরম, হাতে নিলে দেখবে ব্যাবহার করা ফ্যাকাশে টিস্যুর মত মিলিয়ে যাচ্ছে… [বিস্তারিত]
দুই রঙের জল--- আবৃত্তিটি শুনতে এখানে ক্লিক করুন। আবৃত্তি করেছেন মনিকা আহমেদ কী এমন ক্ষতি হতো আমার বা তোমার যদি সত্যি তোমাকে ভুলে যেতে পারতাম! আমি বলতে পারতাম, আরেকদিন এসো বলতে পারতাম, এদিকের জল-হাওয়া ভাল। তুমিও তো ফিরে যেতে যেতে বলতে পারতে, তোমাদের এদিককার আকাশটা বড় ঘন ইচ্ছে করে দু’দিন আরো জিরিয়ে নিই ঘাটলার জলে।… [বিস্তারিত]
“সেদিন অনেক রাত অব্দি বাঁশী বেজেছিল নবীনা’দিদের পুকুরঘাটে। আমি তো নির্বাক শ্রোতা বা দর্শক। ঝুমুরের চোখ দু’টো করমচার মতো লাল দেখেছি, বুঝেছি অনেক কিছুই। বলতে কি পেরেছি কিছু?”----বলতে বলতে বড়’মা কাঁদছিলেন। বড়মা’র ছোট ফুফু ছিলেন এই ঝুমুর, সমবয়সী। অমন রূপবতী মেয়ে বুঝি আর হয় না, বড়’মার ভাষ্য। একানব্বুই বছর বয়েসী অশীতিপর এই বৃদ্ধা আমার মায়ের… [বিস্তারিত]
