দুখিঃত বলিনি কখনো - ভেবেছি বলবার প্রয়োজনই নেই। আমি দুঃখ পেলে জেনেছিলাম - তোমার স্বর বিষন্নতার ফুল ফোঁটায়। তোমার বুকে ডাকে মেঘ, জল ছলকায়। তাই, দুখিঃত বলিনি কখনো, ভেবেছি বলবার প্রয়োজনই নেই। জানিনি কখন অঙ্গুলীস্পর্শ ছেরে হয়েছি সূদূর এমন, দুরত্ব বেড়ে কবে হয়েছে এমন পরবাস - অয়নান্তরেখায় দাড়িয়ে স্থির জানতেও পারিনি, আমি আর নেই কিছুতেই… [বিস্তারিত]

আগুন রঙের শিমুল
- নিবন্ধন করেছেনঃ ১২ বছর ৫ মাস ২৮ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ১২৪টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ১৭৮৫টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৩৮৭টি
একদিন দেখা হয়ে যাবে ঠিক - নিরাকপরা ভাদ্র দুপুরে, চেনা শহরের গলিপথে ; অথবা জৌলুসহীন কোন অনাত্মীয় নগরে। একদিন ঠিক দেখা হবে। ততদিনে, তোমার মসৃণ ত্বকে আকুঞ্চন আমার চোখের আলো ক্রমশ ম্লান, বয়সী খোলসে আটসাঁট দুইজন ; অচিন মানুষ। কাছাকাছিই দাড়াবো হয়তো - চিনে নিতে লাগবে খানিকটা সময়, অতলে চাপা ব্যথার পাথর গড়ালেই উঠবে সুঘ্রান,… [বিস্তারিত]
প্রিয় বৈচীবনের বিরহে কাতর নারী, আমি ছিলাম অভিমানের দোলাচলে, আর অনুভুতিরা রয়ে গেছে সব অব্যক্ত। তাই লিখছি, তবে সম্ভাবনা প্রায় শুন্য এ চিঠি আপনি পর্যন্ত পৌছনোর। আপনি যখন কারও কমেন্টের উত্তর হাসির ইমু দেন, বা কারো স্ট্যাটাসে হেসে কমেন্ট করেন, আমি ঈর্ষায় নীল হয়ে যাই। অদ্ভূত এক জ্বালাপোড়া হয় ভেতরে। এ অনুভূতি আমার অচেনা। মনে… [বিস্তারিত]
শহরবন্দী মেঘে তুমুল বৃষ্টি নামুক - ধুয়ে নিয়ে যাক এই অছ্যুৎ পরবাস, আর কতকাল সয়ে যাবো এই একলা বিনিদ্র রাত নির্ঘুম এপাশ ওপাশ। শহরে যেদিন আকাশ আধাঁর বৃষ্টি নামে - সেদিনও আমি খুব একাকী, তবুও মাঝরাতে বৃষ্টি এলে, তোমাকে ভেবেই নির্জন পথের পাশে হঠাৎ থামি - শুন্যে মেঘের খুব তোরজোড় যেদিনটাতে সেদিনও সেই একলাই থাকি,… [বিস্তারিত]
সে ও তার কথা (১ম পর্ব) "সময়ের ছারখার, অথচ তোমার মুখে আলো। কালকেউটে এখুনি কামড়ালো কাকে যেন, কাকে? এবারও কি লখিন্দর পাবে বেহুলাকে? " এই লাইন কটা পড়ার পরই প্রতিবার মনে হয় একটা সিগারেট খাওয়া দরকার। “সে” বইটা উল্টে রেখে একটা সিগারেট হাতে বারান্দায় এসে দাড়াতেই আবার সেই দুরাগত ভুবন চিলের ডাক। এখন আর চমকায়… [বিস্তারিত]
ছেলেটি তার প্রেমিকার আহবানে সারা দিয়ে, মুখের চুইংগাম ছুড়ে ফেলে ঠোঁট ডুবিয়ে দেয় প্রেমিকার ঠোঁটে। - ছুড়ে ফেলা চুইংগামের দলাটিকে সঙ্গীনির জন্য খাবার সংগ্রহে আসা রবিন পাখিটি ঠুকরে দেখে, তার সঙ্গীনি তাদের ভবিষ্যৎ বংশধর আনছে ডিমে তা দিয়ে।। - প্রেমিকাটি চলে গেছে দিন দুই আগে, এক মিলিয়নিয়ার প্লেবয়ের ইয়টে চরে সমুদ্র বিহারে। ভগ্নমনোরথ প্রেমিকের পায়ের… [বিস্তারিত]
দেরাজের কোনে কিছু মায়া পরেছিলো নাকি , কালো শার্টের সাথে জড়িয়ে অথবা কিছু স্মৃতির ঘ্রাণ , সময়ের আচরে হলদেটে কিনারে - কিছু অদ্ভুত জোনাক খেলা করছিলো কি বিপন্ন আধারে, ছিলো নাকি কিছু চোরাটান অদৃশ্য মায়া ; অথবা কেবলি বিভ্রম? আমারে কি পরেছিলো মনে, কোন উতল শ্রাবনে - নাকি আমিও হারায়েছি, যেমন হারায় সব সময়ের আড়ালে… [বিস্তারিত]
অসামাজিক হয়ে বাচা বড্ড গোলমেলে - আমি তো অসম্ভব দুরত্ব পেরিয়ে যেতে পারি নিমেষ মাত্রে, ব্যাক্তিগত স্বর্গের কাছাকাছি যেতে পারি আলোকবর্ষসম দুরত্ব পেরিয়ে ভেঙে দিতে পারি চাইলেই সামাজিক আটপৌড়ে ব্যবহার ,তুচ্ছ রীতিনীতি সকল তোমার অশ্রুজলের সাথে মিলিয়ে দিতে পারি আমার দুঃখ নোনাজল । - কিংবা দিতেই পারি, সরু পাড়ের নীচের উঁকি দেয়া পদযুগলে আমার উষ্ণ… [বিস্তারিত]
নীল পেয়ালায় রাখা ছিলো নিহিলা বিষের আরক - তাকে বলা হলো, এই মুহূর্তে দুইটা পথ খোলা তোমার সামনে । আটপৌড়ে একঘেয়ে জীবন , জ্বালা যন্ত্রনা নাই নিরুপ্রদব বেঁচে থাকবে । খাবে , ঘুমাবে , বংশবিস্তার করবে । অথবা নীল বিষের পেয়ালা তুলে নাও ... সমগ্র জীবনের তুলনায় পলকমাত্র তুমুল বেঁচে - তারপর আজীবন যন্ত্রনা ভোগ… [বিস্তারিত]
শরীরের কৌটায় ছটফট ছটফট, ভোমরার পরাণ - শরীরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বয় লু হাওয়া ; বুকজুড়ে অগ্নিস্রোত জ্বালা বলতো, মুক্তি কোথায় - কোথা গেলে মিলবে নির্বাণ। ব্যাক্তিগত স্বর্গের সুরভী হাওয়া বয় - ছুঁয়ে দিয়ে যায় ক্ষনিকের ভুলে ; তারপর নেমে আসে সামাজিক নিয়মের কাথাফোঁড় অগুনতি আটকে পরা দীর্ঘশ্বাস বুকের ভেতর নিয়মের বিবর্ণ ঘাসসম ইটচাপা পরে রয়।… [বিস্তারিত]
এক ছিলো রাজপুত্তুর , তার ছিলো একটা পঙ্খীরাজ ঘোড়া । নাহ, এইরকম গল্প অনেক হয়েছে - আজ তবে হোক সাধারন মানুষের কথা । এক ছিলো চন্দ্রগ্রস্ত অর্ধেক মানুষ, তার অর্ধেক জীবন নিয়ে সে বেচে থাকে হাসে গান গায় মাঝেমধ্যে পাগলামী করে - তাও অর্ধেক । একদিন দুইদিন করে অনেকগুলো বছর পেরিয়ে যাবার পর সে ভাবে… [বিস্তারিত]
বছর দশেক পর, এমনি এক মেঘমন্দ্র বিকেলে তুমি এসে সময়ের ধূলো ঝেড়ে সামনে দাঁড়ালে - মনে পরে যাবে সব, ভুলে যাওয়া কবিতা মুছে যাওয়া ছবি, বিস্মৃতির অতলান্ত থেকে আসবে বকুল ঘ্রাণ বিস্মিত চোখে দুজনেই তাকাবো পুরনো আমাদের দিকে ; ততদিনে অভিমান লোনাজলে ধুয়ে ধুয়ে ফিকে। বছর দশেক পর, এমনি এক অবেলায়, এমনি সঘন দেয়ার দিনে… [বিস্তারিত]
বিরহী ঘুঘুর ডাক খামচে ধরে বুকের ভেতরে - থেমে আসা কোলাহল, জমে থাকা হিম থমকে যাওয়া সময়ের নীল বিষের পেয়ালা, মিলেমিশে মুচড়ে ওঠে পরানের অতল গভীরে। শহর জুড়ে বৃষ্টি নামে - বৃষ্টি নামে অন্ধকারের শরীর জুড়ে, কবেকার দুঃখ ভিজে যায় কোন জলে। বেপথু মাতাল হাওয়া দীর্ঘ রাত্তির শেষে চেনা দীর্ঘশ্বাসের বারান্দা ছুঁয়ে যায় ভেজা বাতাসে… [বিস্তারিত]
তুমুল তারুন্যে তার সামনে ছিলো দুইটা পথ - সোনালী ভবিষ্যতের হাতছানি, ছিলো ইলিনয় ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে চলে গিয়ে জীবনের প্রয়োজন মিটিয়ে একজন সফল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে জীবন কাটিয়ে দেয়ার। আর ছিলো, দেশের ডাকে মাতৃদায় শোধ করবার ডাক। প্রমিথিউস হয়ে নিজের জীবন জ্বালিয়ে দেশকে , মাকে মুক্ত করার আহবান। নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বলে রুমী বেছে নিয়েছিলেন দ্বিতীয়টি, বেছে… [বিস্তারিত]
মার্চ। ভয়াল কালরাত্রির মার্চ। পিতার অঙ্গুলী হেলনে জাগরণের মার্চ,স্বাধীনতার অগ্ন্যুৎসবের মার্চ। একজন মাত্র মানুষের বজ্রকন্ঠ কাঁপিয়ে দিয়েছিল সেদিন সামরিক শাষকগোষ্ঠীর ভিত্তিমুল। শানিত চেতনাতে বাঙ্গালী জেগেছিল স্বাধীনতার জন্য। পৃথিবী অবাক তাকিয়ে দেখেছে একটা মাত্র মানুষ কেমন করে হয়ে ওঠে পুরো একটা দেশ, একটা জাতির স্বপ্নযাত্রা কেমন করে আবর্তিত হয় একজন মানুষের "এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম "… [বিস্তারিত]
