মূল লেখায় যান

কথা বলা চন্দনা টিয়া

শামীম চৌধুরীপরিবেশ২৫টি মন্তব্য

চন্দনা টিয়া আকারে কাকের চেয়েও বড়। টিয়া প্রজাতির মধ্যে আমাদের দেশে চন্দনা সবচেয়ে বড় টিয়া। এর দৈর্ঘ্য ৫৩ সে.মি.। দেহ সবুজ। পুরুষের গলায় লাল মালা ও থুতনির নিচে কালো। বিশাল লাল ঠোঁটের শেষ প্রান্ত কমলা। চোখ লেবুর ভিতরের অংশের মতো মাঝে কালো। সবুজ দেহের ডানার দুই পাশে লাল রঙের দাগ আছে। মোট কথা দেখতে খুবই… [বিস্তারিত]

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ একাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বলছে, বর্তমানে নতুন যেসব রোগ দেখা যাচ্ছে, তার ৭০ শতাংশ পশুপাখি থেকে আসছে। সোয়াইন ফ্লু, বার্ড ফ্লু, নিপাহ ভাইরাস আসে পশুপাখি থেকে। মানুষ, প্রাণী ও প্রতিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট হওয়ায় এসবের উৎপত্তি হচ্ছে। একই সঙ্গে মানুষ ও পশুপাখির ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এসব রোগের বিস্তার বেশি। আসুন জেনে নেয়া যাক পশু-পাখি থেকে… [বিস্তারিত]

গত মার্চ মাসের ৮ তারিখ পাখির ছবির জন্য ঘর থেকে বের হয়ে সর্বশেষ সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওড়ে গিয়েছিলাম। করোনাকালে দীর্ঘ সাত মাস পাখির ছবির জন্য কোথাও যাওয়া হয় নাই। এই ৭ মাসে আমাদের দেশে সামার ভিজিটর বেশ কিছু পাখি প্রকৃতিতে উড়ে বেড়িয়েছে। কপাল মন্দ থাকায় ওদের সঙ্গে সাক্ষাত হয়নি। করোনার প্রভাব কিছুটা দূর্বল হওয়ায় গত ২৮… [বিস্তারিত]

সাইবেরীয় চুনিকণ্ঠীঃ

শামীম চৌধুরীপরিবেশ২৪টি মন্তব্য

সাইবেরীয় চুনিকণ্ঠী বা Siberian rubythroat পাখিটি উত্তর এশিয়ার খুবই পরিচিত একটি ছোট পাখি। শীত মৌসুমে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে আমাদের দেশে আসে। এরা পরিযায়ী পাখি। আমাদের দেশে মূলত খাদ্য সন্ধানে আসে। এখানে তিন থেকে চার মাস অবস্থান করার পর প্রজননের জন্য আবার চলে যায় নিজ আবাসে। এরা মূলত ঠান্ডা থেকে দূরে… [বিস্তারিত]

কাও ধনেশ বা পাকড়া ধনেশ বিউসেরোটিড (Bucerotidae) পরিবার বা গোত্রের অন্তর্গত একটি মোটামুটি বৃহদাকার ধনেশ প্রজাতির পাখি। ভারতীয় উপমহাদেশের পূর্বাংশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উত্তর-পূর্বাংশের বিভিন্ন দেশ কাও ধনেশের প্রধান আবাসস্থল। বাংলাদেশ, ভারত (উত্তর-পূর্বাঞ্চল), ভুটান, নেপাল, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড , ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, লাওস, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, সিঙ্গাপুর এবং চীন (দক্ষিণাঞ্চলে ইউনান প্রদেশ) কাও ধনেশের প্রধান আবাসস্থল। এরা… [বিস্তারিত]

বসন্ত বাউরি বিভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন বসন্ত বউরি, বসন্ত বাওড়ি, বসন্ত বৌরি ইত্যাদি। এই পাখির গড় দৈর্ঘ্য ১৬-১৭ সেন্টিমিটার। কপাল, বুক পরিষ্কার লাল। চোখের দুই পাশ থুতনি ও গলা হলুদ। মুখাবয়ব কালো। পিঠ ঘাসরঙা সবুজ। নিচের দিকে খাড়া খাড়া মোটা রেখা। ওড়ার পালক কালচে। বুক উজ্জ্বল লালের সঙ্গে সোনালি হলুদের পট্টি। লেজ খাটো। লেজের শেষ… [বিস্তারিত]

রাজার নৈশভোজে দালান জাহান ভাই হাতের কব্জি ডুবিয়ে ও পেট ফুঁলিয়ে যে হারে খাচ্ছিলেন তাতে জিসান ভাইজান পৃথিবীতে ফিরতে হবে মনে না করিয়ে দিলে তিনি রাজ-মেহমান খানায় ঘুমানোর সুযোগটাও নিতেন। আমরা পৃথিবীতে ফিরতে পারায় সবাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়লাম। যতক্ষন রাজার দেশে ছিলাম ততক্ষন মনে হচ্ছিল ওরা লিলিপুট আমরা ববডিগনান। এ যেন গালিভার ট্রাভেলসকেও হার মানায়।… [বিস্তারিত]

বিলুপ্তির পথে চামচঠোঁটি

শামীম চৌধুরীপরিবেশ২৪টি মন্তব্য

চামচঠোঁটি পাখিটির দৈর্ঘ্য ১৭ সেন্টিমিটার। ডানা ১০ সেন্টিমিটার, ঠোঁট ২ দশমিক ২ সেন্টিমিটার, ঠোঁটের চামচের মতো অংশ ১ দশমিক ১ সেন্টিমিটার, পা ২ দশমিক ১ সেন্টিমিটার ও লেজ ৩ দশমিক ৮ সেন্টিমিটার। এর উপরের অংশের রঙ অনেকটা ফিকে ধূসর ও নিচের অংশটা সাদা। আকারে চড়ুই পাখির থেকেও ছোট। ভেজা বালি-কাদার ওপরের স্তর থেকে এরা খাদ্য… [বিস্তারিত]

সাপ নয় সাপপাখি

শামীম চৌধুরীপরিবেশ৩২টি মন্তব্য

সাপপাখি বা গয়ার চিকন দেহ ও লম্বা গলার বড় জলচর পাখি। ঠোঁট লম্বা, সরু ও সুচালো এবং চ্যাপ্টা। দেখতে অবিকল চাকুর মতো। পৃথিবীতে দুই প্রজাতির সাপপাখি দেখা যায়। কিন্তু আমাদের দেশে এক প্রজাতির সাপপাখির বসবাস। এরা Anthinga melanogaster গোত্রের অন্তর্ভূক্ত ৯০ সে.মি. দৈর্ঘ্যের বড় দেহের জলচর পাখি এবং ওজন ১.৫০০গ্রাম থেকে ১.৭০০গ্রাম। লেজ লম্বা অনেকটা… [বিস্তারিত]

বড় গলার গগণবেড়

শামীম চৌধুরীপরিবেশ৩১টি মন্তব্য

‘বড় গলা গগণবেড়’ Pelecanidae পরিবারে অন্তর্ভুক্ত একটি বৃহদাকার জলচর পাখি। পাখিটির দৈর্ঘ্য ১৮২ থেকে ১৮৫ সে.মি. এবং ওজন ১১ থেকে ১২ কেজি। বিশ্বে ৯ প্রজাতির Pelican বা গগণবেড় দেখা যায়। বর্তমানে বাংলাদেশে কোথাও এই পাখির অস্তিত্ব নেই। তবে গত ২০১৭ সালে নভেম্বর মাসের শেষ দিকে রাজশাহীর পদ্মার চরে এক ঝাঁক রাঙ্গা মানিকজোড়ের সঙ্গে একটি গগণবেড়… [বিস্তারিত]

দুর্লভ পাখি কাস্তেচরা

শামীম চৌধুরীপরিবেশ৩০টি মন্তব্য

মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ। খোলা আকাশের নিচে হাঁটছি। বেশ ক্লান্ত। বিশ্রামের জন্য বাইক্কা বিলের টাওয়ারে উঠে বসে আছি। টাওয়ারের সামনে অল্প পানিতে পদ্মপাতা ভেসে আছে। সেই পাতার নিচে খুঁজে খুঁজে শৈবাল খাচ্ছে জলচর পাখি।। এমন সময় পাখির একটি ঝাঁক এসে বসলো জলজ উদ্ভিদের উপর। পাখিগুলো দেখে প্রথমে ভেবেছিলাম বক জাতীয় পাখি। পরে এই পাখির পরিচয়… [বিস্তারিত]

স্মৃতি বড়ই মধুর

শামীম চৌধুরীস্মৃতিকথা৪১টি মন্তব্য

বছরগুলি ছিলো ১৯৭৫ থেকে ১৯৮০। তখন আমরা স্কুল ও কলেজে পড়তাম। ৬ষ্ঠ শ্রেনী থেকেই আমাদের মাঝে অনেকেই ধুমপানে অভ্যস্ত হয়। আবার অনেকে কলেজ জীবনে। নীচের ছবিগুলি আমাদের সময় সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য ব্রান্ড ও কম/উচ্চ মূল্যের সিগারেট ছিলো। ছবির বাহিরেও আরো বেশ কয়েকটি ব্রান্ড ছিলো। নেটে ছবি না পাওয়ার দরুন ছবি দিতে পারলাম না। আবার অনেকগুলির নামও… [বিস্তারিত]

মামাকে দেখতে যাওয়া- শেষ পর্ব

শামীম চৌধুরীভ্রমণ২১টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিঙ্ক-মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৯) শেষ পর্ব- বিকাল ৪:১০ মিনিটে আমরা ১ নাম্বার জোনের ভিতর প্রবেশ করলাম। দুই ধারে পাহাড়ের কোল ঘেঁষা পথ। চারিদিকে সবুজ গাছ-পালা ও গুল্ম-লতায় যেন বনটিকে সবুজ চাঁদরে ঢেকে রেখেছে। বনটিকে এক নজর দেখলে যে কোন প্রকৃতি প্রেমিক এই বনের প্রেমে পড়ে যাবে। আর নয়নাভিরাম সৌন্দর্য ঘেরা এই পথ ধরেই… [বিস্তারিত]

আমি ৯ বছরে পা রাখলাম।

শামীম চৌধুরীএকান্ত অনুভূতি২৯টি মন্তব্য

আজ যে শিশুটি ভূমিষ্ঠ হলো সে পৃথিবীর আলো দেখা শুরু করলো। এটাই প্রকৃতির ধারা। জন্মের পর শিশুটিকে পরিচর্যা করে গড়ে তুলেন বাবা ও মা। বসুন্ধরায় কতই না ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে সেই শিশুটি একদিন আলো ছড়ায়। আর সেই আলোয় আলোকিত হয় পরিবারের সকল সদস্য। সব পরিশ্রম স্বার্থক হয় বাবা-মা’র। ইহাই চিরন্তন সত্য। কে সোনেলার জন্মদাতাঃ ================… [বিস্তারিত]

মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৯)

শামীম চৌধুরীভ্রমণ২২টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিঙ্ক- মামাকে দেখতে যাওয়া (পর্ব-২৮) পর্ব-২৯ আমাদের ২০ জনকে নিয়ে কেন্টার বনের ভিতর ছুটে চললো। গাইড সঞ্জিত কে বললাম প্রথমে আমাদের কোন জোনে নিয়ে যাবে? জবাবে বললো ২ নং জোন হয়ে এক নং জোন হয়ে শেষ করবে। কারন যাইতে চাইলে বললো ১ নাম্বারে আগে গেলে এর অর্ধেক পথ ফিরে এসে ২ নাম্বারে যেতে… [বিস্তারিত]