প্রেমের সাত কাহন

আরে ও মুনিয়ারে!
কিরে মনা !! ডাকিস ক্যারে !

তাল গাছের ঐ পাতার ফাঁকে
মস্ত বড় ভুত যে থাকে
ভর দুপুরে একা হলে
ভুতটা শুধুই কাছে ডাকে
জানিস ! জানিস !

-হুমম- জানিনে, জানিনে
তাল গাছের কাজ নেই
তোর শুধুই ঘুম নেই !

-তোকে আমি ভাল জানি
মানিস ! মানিস !

-হুমম মানিনে মানিনে
-কেনে মুনিয়া কেনে !!

-ভুতটা থাকে তালগাছে
তুই লেগেছিস মোর পাছে !
ব্যাপারকি বল ব্যাপারকি !!

-রাগলে তোকে লাগে বেশ
তুই ছাড়া এই আমি শেষ
জানিস ! জানিস !

– অতশত বুঝি না
এই আমি মুনিয়া
ম্যালা কিছু জানতি চাই
হাতের মুঠে আনতি দুনিয়া

– আহা !! কি কহ ! কি কহ
সবই কি কঠিণ ! কি ভয়াবহ

– ঐ বাড়ির পুরীনে
ঘর করে সতীনে
মারধোর রোজ করে যতীনে

– আমি কি আর যতীনে
তোর থাকবে না কোন সতীনে
বিশ্বাস কর আমারে ! আমারে !

– সিদ্ধান্ত নিবো কিডা সংসারে !!
তুইতো পুরুষ ব্যাটা আহারে !
সব কাজে মাতুব্বরী কররে !

– আহা ! আমি পুরুষ মানুষ
কর্তা আছি সব জনে
সিদ্ধান্তটা ভাগ করিমু
দুজন মিলে এক মনে !!!
রাজি ! রাজি ! রাজি !

-টাকা চাই নে, গইনা চাই নে
চাই আমি সম্মান
আমিও দিতে চাই
তোমায় যোগ্য মান !!

– ঠিক ঠিক ঠিক
মারামারি বাদ করিমু
সুখ দুঃখ ভাগ করিমু
রাজি ! রাজি ! রাজি !

– ঐযে দূরের তাল গাছে
ভুত গেছে ঐ দূর দ্যাশে
আমিও তোরে ভাল জানি
এক্কেবারে সব শেষে ! সব শেষে !!!

 

১ ডিসেম্বর,২০১৮

মোট পড়েছেনঃ ৯৪৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১২টি মন্তব্য

  1. আমি কিন্তু ছন্দে ছন্দে পড়ে নিলাম। কেমন এক তাল ছিলো কবিতায়।
    বেশ চমৎকার এক অন্যধারার লেখা।
    অনেক অনেক অভিনন্দন এমন লেখার জন্য।
    এমন লেখা আরো চাই।

  2. নিয়মিত আসুন। এভাবে লেখা পড়তে চাই।
    ছন্দে ছন্দে পড়লাম। তবে ছন্দের ভেতর তাল মাঝেমধ্যেই খেই হারিয়ে ফেলছিলো বোধহয়।

    লেখা চলতে থাকুক।

    1. অনেক দিন ব্লগে আসি না, ব্লগে এসে আপনাকে দেখছি না আপু। আসুন, লিখুন——হুমম একটু ভিন্ন ধাচের লিখতে চেষ্টা করেছিলাম, জাস্ট কথোপকথন টাইপের–তাই আপনার নিকট মাঝে তাল কেটে গিয়েছে মনে হয়েছে—- শুভকামনা নিরন্তর

মন্তব্য করুন