ছেলেটি তার প্রেমিকার আহবানে সারা দিয়ে, মুখের চুইংগাম ছুড়ে ফেলে ঠোঁট ডুবিয়ে দেয় প্রেমিকার ঠোঁটে।
– ছুড়ে ফেলা চুইংগামের দলাটিকে সঙ্গীনির জন্য খাবার সংগ্রহে আসা রবিন পাখিটি ঠুকরে দেখে, তার সঙ্গীনি তাদের ভবিষ্যৎ বংশধর আনছে ডিমে তা দিয়ে।।
– প্রেমিকাটি চলে গেছে দিন দুই আগে, এক মিলিয়নিয়ার প্লেবয়ের ইয়টে চরে সমুদ্র বিহারে।
ভগ্নমনোরথ প্রেমিকের পায়ের কাছে পরে আছে একটি অনাহারে মৃত রবিন। তার ঠোঁটে আর পাখনায় জড়ানো চুইংগামের আঠা।
মোট পড়েছেনঃ ৬৭০জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
ভালো লিখেছেন।ভালো লেগেছে।
ধন্যবাদ
কি বলবো, ভেবে যে পাচ্ছিনা।
বড়ো দু:সহ মেঘ-রোদ্দুরের গা মাখামাখি
নদীর জলে
ছটফট করে ভিনদেশী মেঘ
স্বদেশী জমিনে মাথা রাখতে।
আপনার লেখার সাথে যায়না। তবুও এখুনি মাথায় এলো, রেখে গেলাম।
সুরমা সহা না যায়ে …
জিস ন্যায়না মে পিয়া বাসে
….. লাগো পেয়ারো পরদেশ, হায়
“হায়গো ব্যথায় কথা যায় ডুবে যায় যায় গো”——-
-{@দু এক লাইনেই বুঝিয়ে দিলেন ভালবাসার টান।
ধন্যবাদ ভাই
আমি কিছু বুঝি নাই।
আমার জন্য বাংলা পাঠ্য বইয়ের মতো মূলভাব আবশ্যক।
মুলভাব? আচ্ছা।
জীবন।
এখানেই শেষ জিবনের পরিনতি!!!
🙂
এভাবেই মরে পরে থাকে প্রেমিকরা, রবিন পাখিরা
তারপরেও বহমান জীবন থেমে থাকেনা, জীবনকে চালিয়ে নিতে হয়।
দুঃখ কষ্টের এন্টিবায়োটিক কবে যে আবিস্কৃত হবে?
দুঃখ কষ্টের এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার হইলে জীবন পানসে হয়ে যাবেনা দাদা?
ছেলেটির মুখে বিষ ছিল? নাকি প্রেমিকার আহ্বানে? মৃত্যু ভালো না, জীবনের গান গাইতে হবে -{@
বিষ ছিল বিশ্বাসে
অনেকদিন পরে আপনার লেখা পড়লাম ভাইয়া। এসবই জীবনের অংশ।
🙂 ধন্যবাদ
প্রেমিকাটি চলে গেছে দিন দুই আগে, এক মিলিয়নিয়ার প্লেবয়ের ইয়টে চরে সমুদ্র বিহারে। (-3 এরা চলে যায় কেন ভাইয়া? 🙁
নিয়ম, প্রকৃতির নিয়ম 🙂
দারুণ লিখণ
ছলনাময়ীদের কারণে আর কত রবিন মরে পড়ে থাকবে তার ইয়ত্তা নেই।
শুভকামনা সুন্দর লেখার জন্য। 🙂
থ্যাঙ্কিউ
সর্বনাশ।
প্রেমিকা চলে গেছে চুইংগাম খেয়ে মুখে গন্ধ নিয়ে তাকে চুমু দেবার জন্য। অসহ্য মুখের গন্ধ।
চুইংগাম কত বাজে জিনিস। সব ধ্বংস করে।
চুইংগাম অত খ্রাপ নাহ, মানুষের মতো
দুই লাইনেও একটা গল্প হয়!
চুইংগাম ফালতু জিনিস আমি আগে থেকেই জানতাম! ;(
চুইংগাম ভালু, সিগ্রেট খাওনের পর বৌয়ের ঝারিত্তে বাচায় 😀
তার মানে চুইংগাম দেখলেই তো মনে হচ্ছে প্রশ্নবোধক (?) রেখে দিতে হবে! ;?