কাজলা দিদি কইরে আমার
কাজলা দিদি কই?
যার জন্য রাত নিশিদিন
একলা জেগে রই।
কাজলা দিদির সংসারে নেই
একটু খানি সুখ,
এসিড মেরে ঝলসে দিল
কাজলা দিদির মুখ।
যৌতুকেরই দায়ে কত
কাজলা দিদি মরে,
নির্যাতনের কষ্ট সয়
বাংলার ঘরে ঘরে।
বুকে কত কষ্ট নিয়ে
কাজলা দিদি কাঁদে,
মনে ব্যাথা নিয়ে বুকে
পাথর সে যে বাঁধে।
নিরপত্তা হীনতায় সে
পথে ঘাটে চলে,
ধর্ষিতা হয় কত দিদি
ভাসে চোখের জ্বলে।
অপমানের কষাঘাতে আজ
জর্জরিত যে সে,
তাইতো দিদি পৃথিবি ছেড়ে
গেছে অবশেষে।
প্রতি মূহুর্তে আমার ভিতরের শত আকুতির মাঝে, অন্তরের একটা বিদিন্ন আকুতিরা চিৎকারে বলে, যেন আমার আর কোন কাজলা দিদি নর পিশাচের ছোবলে না পড়ে। আসুন এই সব নর পিশাচদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই। সবার জন্য শুভকামনা।
মোট পড়েছেনঃ ৭৬৮জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন

অবশ্যই নর পিশাচদের রুখতে হবে ।
অবশ্যই রুখতে হবে।
চমৎকার
ধন্যবাদ।
ভালো হয়েছে —
আর কোন কাজলা দিদি যেন নর পিশাচদের কবলে না পরে (y)
সেই প্রর্থনাই করি মামা।
রুখে দাড়াতে হবে সেটা আপনিও জানেন আমিও জানি কিন্তু পাশের বাড়ির মদন তা দেখে বলে আমরা নাকি পাগল হয়ে গেছি। রুখে দাড়ানোর আগে আগে ওই সব মদনের সায়েস্তা করতে হবে. অনেক ভালো লাগলো ছড়াটি। মুগ্ধ হয়ে কয়েকবার পরলাম। শুভেচ্ছা আবারও।
এই সব মদনদের সকাল বিকাল প্যাদানি দেন।
🙁 আদৌ কি হবে কোনদিন?
অবশ্যই হবে একদিন।
রুখে কিন্তু আমরা দাঁড়াইনি কখনও ।
কে বলেছে ভাই। দাঁড়িয়েছি। প্রতিবাদ করেছি এবং করছি।
তাই তো দিদি পৃথিবি ছেড়ে
গেছে অবশেষে……. -{@ (y)
অনেক কষ্টের পর এই কথাটা আজো আমাদের বলতে হয়।
অনেক ভাল লাগা কবিতায়
ধন্যবাদ এবং শুভকামনা নিরন্তর।
ধন্যবাদ এবং শুভকামনা.
অনেক ভাল লাগা ছড়ায়
ধন্যবাদ এবং শুভকামনা।
আসুন এই সব নর পিশাচদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই।
চমৎকার লেখা ।
চলুন।