অনেক যতঁন করেই মঈনুল আলপনাঁ গুলো একেঁ শেষ করলেন।হারানোঁ ডায়রীটি যে তার চাই চাই এই ভেবেই হয়তো নিজের সেরাটা আলপনায়ঁ দিতে চেয়েছেন।ভাবছেন আলপনাঁতো শেষ এখন ওর মুখটিই আকঁতে হবে।সত্যিই সে অপূর্ব রূপের অধিকারিনী।এমন মেয়েকে কে না ভালবাসতে চায়।যেমন তার রূপ তেমনি তার গুণ।ভালবাসা হয় কেবল এক জনের সাথেই দ্বিতীয় বার যা হয় তা কৃত্রিম,যাতে মানুষ… [বিস্তারিত]
বিভাগ: গল্প
এক সপ্তাহ পর সন্ধ্যায়ঃ জীবন আপনি কষ্ট করছেন কেন, নদী বাধা দিলো জীবনকে। জীবন হেসে বললো, আপনার যা অবস্থা আপনি এইসব ঘুচিয়ে নিতে পারবেন। হাঁ পারবো, হুইল চেয়ারের চাকা ঘুরিয়ে নদী এগিয়ে এলো। ঠিক আছে আপনি চেষ্টা করে দেখুন আর আমি আসছি আপনার বিল সেটেলমেন্ট করে, বাই দা ওয়ে আপনার হেলথ ইন্সুরেন্স কার্ডটা দিন। নদী… [বিস্তারিত]
নদী সব খুলে বলতে লাগলো ওর মাকে আর ওর মা শুনে অবাক হতে লাগলেন মেয়ের জামাই কি করেছে শুনে আর বলতে লাগলেন, তুই নিশ্চয় এমন কিছু করেছিস না হলে জামাই হঠাৎ করে এমন মার মারবে কেন? মা এতোকিছু জানালাম আমি, এয়ো বললাম সে আগে থেকেই কি করেছে এরপরও তুমি ওকে সাপোর্ট করো কেন, নদী রেগে… [বিস্তারিত]
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, নদী ধন্যবাদ দিলো জীবনকে। ধন্যবাদ কেন? এই যে আমার জীবনটা বাঁচালেন। আপনি নিজেই তো আমাকে বাঁচিয়ে ছিলেন। নদী মিষ্টি একটা হাসি দিলো, দরজায় নক শুনে মুখ তুলে চাইলো, দেখলো চার পাঁচ জনের একটা দল এসে প্রবেশ করলো আর সবাই বাঙ্গালি। সালাম ভাবি, আমি রাশেদ রনির বন্ধু আর আমার ওয়াইফ সুমনা। নদী অবাক… [বিস্তারিত]
রাত জাগার অভ্যাসটি মঈনুলের সেই পুরনো।যখন থেকে বুঝতে শিখেছে সে শিক্ষিত হচ্ছেন তখন হতেই তার রাত জাগার অভ্যাসটির সৃষ্টি হয়।বলা যায় পরিচিত অপরিচিত যারাই তাকে চিনেন তাদের পর্যায়ক্রম নিমন্ত্রণে তার এ রাত জাগা।আর সব চেয়ে বড় কথা হলো রং তুলির স্পর্শের খেলার মজা রাতেই জমে।তাই যখনি কারো বিয়ের আলপনা আকাঁর দাওয়াত পেতো তখনি সে ছুটে… [বিস্তারিত]
অজো পাড়া গাঁ বলতে অউন্নত এলাকা যেখানে প্রচুর খাস অকেজু জমি থাকে।তেমনি একটি গ্রাম যেখানে সন্ধ্যা হলেই পুরো এলাকা জন শূণ্য হয়ে পড়ে।তার আরো একটি বিশেষ কারন হলো রাতের গভীরতার সাথে সাথে ডাকাত ছিনতাইয়ের উপদ্রব বেড়ে যায়।এখানেই লোক মুখে শুনা বহুকাল পূর্বে ইসলাম ধর্ম প্রচারে আসা সুদূর ইন্দোনেশিয়া থেকে এক সূধী দরবেশ বাবার আগমন ঘটে।যিনি… [বিস্তারিত]
আহত অজ্ঞান নদী পড়ে রইল নিজ ঘরে, চোখ একটা ফুলে কালো ভুশির বলের মতো ফুলে গেছে, চোখ মুখ কেটে রক্তাক্ত হয়ে পড়ে আছে, হঠাৎ কেঁপে উঠলো ও, ককিয়ে উঠলো, ব্যাথায় কুঁকড়ে গেল আরো বেশি এরপর চুপচাপ কোন সাড়া নেই, আবার নড়ে উঠলো নদী, চোখ খোলার চেষ্টা করে যখন দেখলো একটা খুলেছে বাকিটাতে সাড়া নেই, পড়ে… [বিস্তারিত]
গির্জার দিকে মুখ করা বারান্দায় বসে আছি। বেশ ক'বছর থেকে ইনসমোনিয়া চলছে। বিষণ্নতাও। মধ্য বয়সে এসে সংসার নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটানোর কথা। হচ্ছে না। কোথায় যেন তাল কেটে গেছে। সংসারে প্রবল হাহাকার। সন্তান-সন্ততির।সব অপূর্ণতা সওয়া যায় না। কেন যায় না!উত্তর খুঁজেছি বহুদিন।মেলে নি। আধাঁর কাটছে ধীরে ধীরে।মোহ যেমন কেটে যায়। জামানের সাথে সংসার জীবনের সতেরো… [বিস্তারিত]
ব্যাগ হাতে স্টেশনের বাইরে আসা মাত্র সিএনজি ওয়ালারা যেভাবে ডাকা শুরু করলো যেন পারলে ঘার ধরে সিএনজিতে উঠিয়ে নেয়। কই যাবেন? কই যাবেন? আসেন, ব্যাগ দেন, এমন অত্যাচারে ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা। আরে ভাই আমি যাবনা, আমার সিএনজি দরকার হলে আমি নিজেই তো ডাকবো আপনাদের। না আমি হেঁটে যাবো, সিএনজি দরকার নেই, আমি… [বিস্তারিত]
জীবন জীবন, বাবা কেমন আছিস, বিদেশে কোন সমস্যা হচ্ছেনা তো তোর? না বাবা ঠিক আছি। আয় ওখানে বসি, বাপ ছেলে সামনের বারান্দার চেয়ারে গিয়ে বসলো, তোর মার খবর নিসতো ঠিক মতো? বাবা মা যেন কেমন হয়ে গেছে। কি করবি বাবা , নে বাদাম গুলো খাঁ। দাও বলেই জীবন হাত বাড়ালো আর ওর বাবা অনেক গুলো… [বিস্তারিত]
সন্ধ্যার আলো অন্ধকারে পতিত হওয়ার সাথে শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকে।প্রকৃতির শির শির শব্দ ব্যাতীত এই নিস্তব্ধ নির্জন লাউ ক্ষেতের পাশে অজ্ঞান হয়ে পরে আছে কেবল সজল।বাকী বন্ধুরা ভয়ে পালিয়ে যায়।এরই মধ্যে বাপ হারা সজলের মা আছেন তার এক মাত্র ভরসা,মায়েরও চোখের মণি সে।মায়ের নিকট ছেলের বন্ধুরা এসে যখন বলল তখন মা যেনো পাগলের মতো হয়ে… [বিস্তারিত]
জীবন হাসতে লাগলো আর নদী নাবিলাকে কোলে বসিয়ে চকলেট খাওয়াচ্ছে। আপনার বাড়ী কোথায়, জীবন জিজ্ঞেস করলো। বিক্রমপুর কিন্তু ঢাকাতেই সেটেল্ড, নদী জবাবে বললো। তা কে কে আছেন দেশে? বাবা, মা, ছোট ভাই। আর আপনি হাসবেন্ডের সাথে এখানে। নদীর চেহেরা বদলে গেল, চোখে মুখে বেদনার ছাপ পড়লো, ছোট করে বললো হাঁ। জীবন খেয়াল করলো নদীর বদলে… [বিস্তারিত]
তা কতদিন ধরে আছেন এইখানে, জীবন জিজ্ঞেস করলো নদীকে। দেড় বছর হয়, নদী জবাব দিলো। তাতো বেশি দেরি হয়নি। স্যার আপনার একশ বিশ পাউন্ড পঁচিশ সেন্ট হয়েছে, কম্পিউটারে দেখে নদী জানালো। ওকে, পকেট থেকে কার্ড বের করে দিলো জীবন। নদী মেসিনে পাঞ্চ করে রিসিট আর কার্ড দিলো আর জীবন রিসিটে সিগ্নেচার করে দিয়ে কার্ড মানিব্যাগে… [বিস্তারিত]
প্রায় নয়টা, নদী হেটেই ফিরছিলো ওর চাকরীস্থল থেকে, নদী এসেছে লন্ডনে বিয়ের ছয় কি সাত মাস পর, ওর হাসবেন্ড লন্ডনে থাকে আর সেই সুবাদেই নদীর সংসার লন্ডনেই, নদী যেমন শিক্ষীতা তেমনই সুন্দরী, লন্ডনে আসার পর ওর হাসবেন্ড উপরি ইনকামের জন্য ওকে এক গ্রোসারি শপে চাকরী করিয়ে দেয় আর সেইখান থেকেই ফিরছিলো সে, কিছুদূর এগিয়ে গেলেই… [বিস্তারিত]
বাবলু এই ঢাকা শহরেই বড় হয়েছে,জম্মের পর পরই বাবা মা ওকে নিয়ে ঢাকায় চলে আসে লঞ্চে করে, বাবা রিক্সা চালাতো আর মা ঘরে ঘরে ছুটা বুয়ার কাজ করতো, বাবলুর একটা বোন আছে যে এখন ক্লাস নাইনে পড়ে আর বাবলু মেট্রিক পরীক্ষায় ফেল করার পর আর পড়ালেখার মুখই দেখেনি বরঞ্চ এলাকার ছেলে পেলের সাথে ঘুরাঘুরিতেই তার… [বিস্তারিত]





