করুন দৃশ্য - জাহাঙ্গীর আলম অপূর্ব মহামারী অনাহারী বসে কাঁদে লোককথা যত ব্যথা শত মনে শুধু শোক।পেটে ঋণে বেশি দিনে যায় নারে চলাএত কথা যথাতথা যাবে কিরে বলা। কোথা সুখ শুধু দুখ বেশি মনে পড়েকবে খাবো শান্তি পাবো পেটে খানা ভরে।বন্দী দশা প্রাণ চষা কাটে নারে তবুবসে ঘরে শুধু পরে ডাকি তোমা প্রভু। দিন ভালো… [বিস্তারিত]
বিভাগ: কবিতা
বিলাসিতা - জাহাঙ্গীর আলম অপূর্ব অর্থের তরে জীবন যাদেরবিলাসিতার স্বভাব,অর্থ কড়ি মাঝে তাহারবিবেক বোধের অভাব। বিলাসিতার নামান্তরেজীবন করে পারি,নানা পাপে পাপে তরেআখের হবে ভারি। মিতব্যয়ী হলে পরেভালো হবে তবে,সুখ উল্লাসে দুঃখ কাহনআসবে তোমার যবে। বিবেক জাগাও বোঝে তবেভালো মন্দের তরেকুক্ষিগত করে না আরঅন্যের সম্পদ ঘরে। মনুষ্যত্ব বৃদ্ধির জন্যমেশো ভালোর সাথে,একলা বসে ভাবো তুমিএই না গভীর… [বিস্তারিত]
শেষ ফেরী চলে গেলো এ পাড়ে বসে আমি একলা। অথচ আমার ছিলো কত তাড়া। গত হাটে কেনা-বেচা শেষে বাড়ি ফিরলো দোকানী, আজ কোথাও হাট বসেনি। আমি কিছু সদাই কিনবো ভেবেছি। কুপি বাতির সলতে পুড়ে নিভেছে আলো, জোনাকির বুক চিঁড়ে আলো কেড়ে নিলো.. আমিও চেয়েছিলাম কিছু আলো যা গত হয়ে গেলোপাইনি, সব কেড়ে নিলো একদল দস্যি… [বিস্তারিত]
সময়ের নিষ্ঠুরতার ব্যবচ্ছেদ করতে আসিনি - কঠোরে কোমলে সন্তর্পণ করতে আসিনি কোন সমবেদনা সহমর্মিতা- সে তোমার জন্যে নয়, বরং তুমি ছিলে - আপন অক্ষে স্বকীয়তায় বলিষ্ঠ নিদারুণ নির্ভীক কন্ঠস্বর।। তুমি ছিলে রিপ্রোডাক্টিভ প্রাণশক্তিতে পরিপূর্ণ নক্ষত্রের মতো - চিরভাস্বর, আপনার রঙে রাঙিয়ে গেলে এই জলসা- এই আত্মভোলা পাখিদের কলরবে তুমি দিয়েছ যে সুর আজ সেই আমরাই… [বিস্তারিত]
কবি, লেখক এবং ব্লগার আরজু মুক্তার আকস্মিক মৃত্যুতে আমার নিবেদন।। হঠাৎ করেই তোমার সাথে পরিচয়, হৃদতার বেড়াজালে বেঁধে ফেলা, অনুরোধ আর নির্দেশনায় সোনেলা ব্লগের পাতায় মিশে গেলাম শুধু তোমার আন্তরিকতায়। বিশ্বাস করো, সোনেলা ব্লগের মুল পাতায় লিখবো লিখবো করে বহুবার, বহুভাবে চেষ্টা করেছি। বহুবার সাইন ইনের ধূম্রজালে, ব্যর্থতার ভারে, কষ্টের সীমান্তে, বারবার কাঁটাতারের বাঁধায় রক্তাক্ত্ব… [বিস্তারিত]
কেমন আছেন চলে যাওয়ার পরে আরজু বোন? কেমন আছে আপনার দীপ্ত আঁখিদুটি? কেমন আছে সুখে দুঃখে ফিক করে হেসে উঠা মলিন ঠোঁট দুটি? কেমন আছেন নক্ষত্রের নীল শুভ্র ফুল আরজু মুক্তা? কেমন আছে আপনার কবিতা? কেমন আছে আপনার কলম? কেমন আছে আপনার ছোটগল্প? কেমন আছে আপনার ছোঁয়ায় বেড়ে উঠা জোৎস্নার আলো? কেমন আছে বৃষ্টির দিনে… [বিস্তারিত]
উৎসর্গঃ প্রয়াত শ্রদ্ধাভাজন আরজু মুক্তা আপু হারিয়ে যাচ্ছে অসংখ্য পাতা! একদিন আমার পাতাও হারিয়ে যাবে বুঝতে পারি না- জানতেও পারি না কোন পাতার সুঘ্রাণ- বড় মধুময়; অথচ কষ্ট হয় তখনী, যখনী শুনতে হয় সে পাতা আর নেই- ঝরে গেছে গভীর মাটির মমতায়- কোথায় হারালো জানা হলো না শুধু অভিমানে চলে গেলো! কোথায়? সবটুকু মমতার কায়া… [বিস্তারিত]
বেকার জীবন - জাহাঙ্গীর আলম অপূর্ব শিখে লেখাপড়া খেয়েছি যে ধরাবেকার জীবন আজ,ঘুরি পথে পথে জীবনের রথেনাহি মেলে কোনো কাজ। বেকার যে প্রাণ কষ্টেরসতত করতে হায়,পরিজন নিয়ে কাঁদে মোর হিয়েখাবার নাহি যে পায়। শিক্ষিত হয়ে সকলের তয়েহয়ে গেছি তবে বোঝা,যুগল বন্দী জীবনে ফন্দিচলা নাহি ভাই সোজা। কাজের জন্য জীবনে তরায়মেলে নারে ভালো জুড়ি,মাতাপিতা বলে এরূপ… [বিস্তারিত]
আমি কৃষ্ণচূড়াতে হাসি আর শিমুলেতে কান্দি- রাঙা পথে দৃষ্টি ফিরে শীত বর্ষা বসন্তে আশি; রাজপথের মোড় ফাঁকা মিছিলে মিছিলেে আতর্নাদ আর মন ভেজা ঝলকানি কার হাতে গোলাপের পাপড়ি প্রশ্নের উত্তর বড় চমৎকার ওরা আবার সোনা ফ্রেমে ছবি হতে চায়- রাস্তার মোড়ে মোড়ে শিউলি হাসনাহেনা পলাশ ওদের মধ্যস্থ দেখে দেখে তবু কেনো হয় রক্তাক্ত ফুল অতঃপর… [বিস্তারিত]
মেঘ জমেছে - জাহাঙ্গীর আলম অপূর্ব জমেছে মেঘ আকাশ প্রাণেঘ্যাঙরঘ্যাঙর ব্যাঙের গানেমনে লাগে ভালো,দেয়া ডাকে হঠাৎ করেথেকে থেকে বৃষ্টি পড়েনীল আকাশে কালো। বাবুইপাখির বাসা দোলেকৃষক ছেলে পথটি ভোলেপায়না বাড়ি খুঁজে,জুই চামেলি ফুল যে ফোটেমধুর জন্য অলি ছোটেআঁখি দু’টি বুঁজে। আউশের ক্ষেত জলের তলেকৃষকের চোখ ওই ছলছলেবিষাদগ্রস্ত মনে,করিবে কি ভেবে চলেবর্ষাকালে নানা ফলেথাকে ফলজ বনে। তমাল… [বিস্তারিত]
উত্তরের এই শহর, এই জনপদ, ইতিহাস আর ঐতিহ্যের নানা অলি গলি পথ পেরিয়ে, কয়েকশত বছর কে সাথে নিয়ে, টিকে থাকা এই জনপদ আমাকে টানে। আমি ফিরে ফিরে আসি বার বার। এই শহর আমার মাতামহের, এই শহর আমার মায়ের, এই শহর আমার জন্মভুমি। একটা সময় এই শহর আমাকে দিয়েছিল বেহিসেবী সাহস, দিয়েছিলো দুঃসাহস প্রতিবাদে, প্রতিরোধে। জায়গা… [বিস্তারিত]
শ্রেষ্ঠ জাতি - জাহাঙ্গীর আলম অপূর্ব শ্রেষ্ঠ জাতি মানব মোরাহিংসা দ্বেষে মনটা ভোরাতাতে হয় কি ভালো,পাপে পাপে ধরার বুকেমনে করে আছে সুখেতাদের জীবন কালো। হিংসা দ্বেষে মানব কূলেজীর্ণ শীর্ণ পাপের ভূলেঅনুতাপে তেজে,কারো কভু পাপের কথামন জাগে কি যথাতথাঅশ্রু গঙ্গায় ভেজে। হিংসা দ্বেষ ভাই নাহি করোসত্যের পথটি আঁকড়ে ধরোভ্রাতৃত্বের ওই বন্ধন,আল্লাহ নবীর আদর্শ মেনেচলো তুমি সবি… [বিস্তারিত]
নীলাম্বরী, দোয়ার খোলো। আমি ভিজে যাচ্ছি জোৎস্নায়! বাইরে কেমন মন খারাপের জোৎস্না বয়! কি চাপিয়েছ উনুনে? ভাত,আলু সেদ্ধ! দোয়ার খোল, চলো আজ পাখি হয়ে উড়ে যাই কোন আদিম বৃক্ষে। অন্ধকার শাড়ি পড়ে যে দাঁড়িয়ে থাকে। তার সবচেয়ে উচু ডালে দুজনে জিরিয়ে নিই, এক পৃথিবীর দীর্ঘশ্বাস মুছে দিই দুজনে। যেখানে থেকে পৃথিবীর কেনাবেচা আর স্পর্শ করবেনা… [বিস্তারিত]
চোখে বলা যায় না কিছু তবুও রাস্তার মোড়ে- মোড়ে হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে- ফাঁকে ধোঁয়া উড়ন্ত পথ অথচ ভাবে না উপকার কিংবা ক্ষতি বোতল গুলো যেনো আয়নার মতো পরে আছে মুখ দেখা যায় লাল ছবি এভাবেই চলছে, শাসন নেই- বারন নেই, চুপ শুধু হিংস্র বজ্রপাত দুনিয়াদারি সহ চেহেরাগুলো খুব ভয়! তবু ভাবে না বাতিঘরে সলক আঁধার… [বিস্তারিত]
জীবনের একটি সময় - জাহাঙ্গীর আলম অপূর্ব শৈশবকালে অনেক মজানানা রকম খেলা,দেখে সবার দিন ফুরাতোপ্রজাপতির মেলা। ইচ্ছে মতো দৌড়ে চলেসোনালী সেই দিনে,স্মৃতির পাতায় নেমন্তন্নশুধু মনের ঋণে। ঘাস ফড়িংয়ের পিছু ছুটেগেছে কত বেলা,পড়ার সময় করেছি যেকত শত হেলা। লুকিয়ে ওই পাখি ছানাধরেছি যে কতো,সবার মাঝে আমি হলামবড় নেতার মতো। ইচ্ছে খুশি পাশের বাড়িরফুল তুলেছে আমি,শুধু দিতো… [বিস্তারিত]














