,অরুদা, তোমার চিঠিটা একটু আগে মাত্র পড়ে শেষ করলাম।প্রথম দু'মিনিট অবশ্য বুকভরে শুধু ঘ্রান নিয়েছি,তারপর বুকে ছুঁইয়ে রেখেছি,তারপর পড়েছি। পড়ার সনয় চোখ দুটো বার বার ঝাপসা হয়ে যাচ্ছিল। চোখ মুছে মুছে পড়তে হলো।ওহ, হ্যা,তোমার উপর খুব রেগে আছি আমি। এভাবে যদি খাওয়া- ঘুম বাদ দিয়ে ক্যাম্পে ক্যাম্পে লোকের সেবা করতে থাকো,একদিন দেখবে তোমার সেবা করার… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
চোখে বলা যায় না কিছু তবুও রাস্তার মোড়ে- মোড়ে হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে- ফাঁকে ধোঁয়া উড়ন্ত পথ অথচ ভাবে না উপকার কিংবা ক্ষতি বোতল গুলো যেনো আয়নার মতো পরে আছে মুখ দেখা যায় লাল ছবি এভাবেই চলছে, শাসন নেই- বারন নেই, চুপ শুধু হিংস্র বজ্রপাত দুনিয়াদারি সহ চেহেরাগুলো খুব ভয়! তবু ভাবে না বাতিঘরে সলক আঁধার… [বিস্তারিত]
জীবনের একটি সময় - জাহাঙ্গীর আলম অপূর্ব শৈশবকালে অনেক মজানানা রকম খেলা,দেখে সবার দিন ফুরাতোপ্রজাপতির মেলা। ইচ্ছে মতো দৌড়ে চলেসোনালী সেই দিনে,স্মৃতির পাতায় নেমন্তন্নশুধু মনের ঋণে। ঘাস ফড়িংয়ের পিছু ছুটেগেছে কত বেলা,পড়ার সময় করেছি যেকত শত হেলা। লুকিয়ে ওই পাখি ছানাধরেছি যে কতো,সবার মাঝে আমি হলামবড় নেতার মতো। ইচ্ছে খুশি পাশের বাড়িরফুল তুলেছে আমি,শুধু দিতো… [বিস্তারিত]
তুই কি আমার ডায়রি হবি ? একলা থাকার সঙ্গী হবি ? মাঝে মাঝে রাত দুপুরে সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে , চাঁদের আলো যায়না দেখা অমাবস্যার গহীন রাতে , তখন যদি চোখ থেকে গড়িয়ে দু' ফোটা অশ্রু পড়ে রুমাল হয়ে থাকবি পাশে | তুই কি আমার ডায়রি হবি ? একলা থাকার সঙ্গী হবি ? সকাল সন্ধ্যা… [বিস্তারিত]
স্বরবৃত্ত ছন্দ ৪+৪+৪+২ মনের কথা শুনলে হেসে আমি বিস্ময় ধ্যানে, ভাবি তুমি আমার মিতা ঘিরে গহীন মনে। পেখম তুলে উড়ে বিহগ সুখের বাহন করে আমি তেমন ভেসে বেড়ায় তোমার মনের তরে। শূন্য মনে দিলে প্রীতি মোহন বাঁশি বেজে মাতাল সুরে হারিয়ে আমি তোমায় বেড়াই খুঁজে। আলতো হাতে চোখের ভাষায় আকঁড়ে সারা বেলা তুমি হাসি তুমি… [বিস্তারিত]
বুকের দেয়ালে যে শৈবাল জন্মেছে... তাদের আলাদা কোন নাম দেইনি আমি। হাঁটতে হাঁটতে একদিন পাড়ি দিবো, পৃথিবীর চোরাবালি। যন্ত্রনার যে পেয়ালা ছিলো বুক পকেটে গোপনে গোপনে তা পান করেছি। কবিতার মহামারীতে কবিতা খেয়ে,জীবন বাঁচাতে চেয়েছি। দোয়াতের কালি শুকিয়েছে - মরেছে এক নদী। দোয়াতে ঠিকই রক্ত মেখেছি - নদীটি আর পাইনি। কতো নৌকা থেমে গেছে পাড়ে… [বিস্তারিত]
তব সমান্তরাল রেখায় চলে যাবো বহুদূর - বহুদূর সফলতার সোনালী পালক; শিরোঙ্কিত হবে- হবে রাজমুকুটসম, ঈষাণ অগ্নি আলোকিত করে ঘুচাবো কালান্তিকের কালো ও হে ঈশ্বর, তবে এখনি সময় - জ্বালো, তোমার দ্বীপশিখা জ্বালো । এই নৈঋতে স্ট্রান্ডস্কগ এর গ্রীষ্ম ও টানেনি আমায় - ভেতর বাহির উড়ুউড়ু - এখানে স্যান্ডস সুইম হয়- কেউ কেউ সূর্য্য-স্নানে ব্যাস্ত,… [বিস্তারিত]
জাগো নবীন - জাহাঙ্গীর আলম অপূর্ব বিবেক জাগাও নবীন সমাজমুক্তির পথ ধরো,মনের আবেগ কলুষতা সবদূর করো দূর করো। তোমরা জাগলে পৃথিবীর পথেহানা দেবে না তো কেউ,তোমাদের শ্রম তোমাদের বলরূখে দেবে সব ঢেউ। তোমাদের কথা তোমাদের কাজেপৃথিবীর হবে জয়,তোমরা সবাই বসে থাকলে গোহবে যেন সব ক্ষয়। তোমাদের শ্রম তোমাদের জয়সবচেয়ে বেশি ভালো,পৃথিবীতে যারা আলসেমি করেতাদের জীবন… [বিস্তারিত]
হে ভীরু অন্ধ মনা জগতে কি, খুঁজো সম্মান? ধনের ভাণ্ডে তবে কেন গড়ো, অহমা বিতান? যে দিয়েছে ভালোবেসে ফেরত নিলে সে শেষে যদি না রইলো জেগে সুফলন, প্রবাহে সে মান! ধনের ভাণ্ডে তবে কেন গড়ো, অহমা বিতান? মানো কি সুচলা রথে অপরের, আছে অধিকার? দিয়েছে বিধাতা জেনে কেন করো, হেয় আবদার! যাবে তো সকলি ফেলে… [বিস্তারিত]
সুমন বিষ খেয়েছেন সংবাদটা আসার পর তিনি একদম নীরব হয়ে গেলেন। তার অতি চঞ্চল মুখখানা মুহূর্তেই বিষাদ হয়ে গেলো। হঠাৎ নীরব হওয়া মানুষের নীরবতা অনেকটা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো। আমাদের নিজস্ব কিছু মানুষ থাকে আত্মার ভেতরে ঘুপটি মেরে বসে থাকে সময়কে ধরে রাখে এবং একই সাথে সবার আনন্দের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে বসে থাকে মাথায়। স্বরুপ… [বিস্তারিত]
স্বামীর ঘর নারীর আপণ ঘর।কোন নারীই কখনোই এ ঘর ছেড়ে যাওয়ার পক্ষে নয় যদি না অসহনীয় কোননা কোন কারন থেকে না থাকে ।অনন্যা মনস্থির করলেন।শ্বাশুরী বয়স্ক মানুষ কয়দিন আর বাচবেন।তাছাড়া শেষ বয়সে এসে সবাই এমন একটু আধটু পাগলামী করেই থাকেন।শুনেছি মানুষ বুড়ো হলে নাকি শিশুদের মতন আচরণ করেন।কিন্তু স্বামীকে এসব বলা ঠিক হবে কীনা তাই… [বিস্তারিত]
•• আত্মহত্যার আগে আমি কিছুটা স্থির ছিলাম। একটার পর একটা সিগারেট পুড়িয়েছি। এক গ্লাস ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়েছি - এর বেশি জল ছিলোনা; হয়তো বরাদ্দ শেষ।। আমার পোষা কুকুরকে বললাম ভালো থেকো বন্ধু। সে কিছু বলল না লেজ নাড়িয়ে দৌড়ে চলে গেল। খানিক বাদে একটা পুরনো ডাইরি মুখে করে নিয়ে এলো। আমি ডাইরিটা হাতে নিলাম।… [বিস্তারিত]
অবিরাম বারিধারা - জাহাঙ্গীর আলম অপূর্ব গগনজুড়ে মেঘের ভেলাসারাবেলা করে খেলাহঠাৎ কভু ঝরছে,চাষা ভূষার পেটটি ফাঁকাআয়ের উৎস নাহি থাকাপেটের ঋণে মরছে। বর্ষাকালে নদের জলেজলের শব্দ ওই কলকলেশুনে লাগে ভালো,কদম কেয়া ফুলে ফুলেজলে থৈথৈ দু দু কূলেমেঘটা ভীষণ কালো। গানে ভরা সবার মনেময়ূর নাচে ক্ষণে ক্ষণেকচুরি যে ভাসে,কলমি ফুলে গন্ধেভরামনে ভীষণ কষ্টে ধরাদলে ছোটে হাঁসে। শাপলা… [বিস্তারিত]
প্রচন্ড বৃষ্টিতে ছাঁতা মাথায় ফার্মগেইট ওভার ব্রীজের সামনে দাঁড়িয়ে আছে দুঃখবিলাসী। নামটি যেমন অদ্ভুত মেয়েটিও তেমন অদ্ভুত! দেখতে এতটাই সুন্দরী যে এই সুন্দর ব্যাপারটাই আজ তার জীবনের রুপরেখা পরিবর্তনের জন্য দায়ী। তখন প্রায় রাত ২ টা। এই মাঝরাতে দুঃখবিলাসী আনন্দ সিনেমা হলের সামনে এমনভাবে দাঁড়িয়ে আছে দেখে মনে হচ্ছে কাউকে খুজেছে সে! পড়নে টকটকে লাল… [বিস্তারিত]
নীরব থাকতে পৃথিবী ভালবাসে! আলোকময় জ্বালানি রাতের আকাশ ঘাম ঝরান দিনের উত্তাপ অথচ কোথায় জানি ইটভাটার অনল জ্বলছে খোঁজে পাওয়া যায় না- এ নীরব জেনো মৃত্যুর মজলিসের স্বাদ সারি বদ্ধ কলা গাছের দুইসারি বাঁধ! তারচেয়েও ঘুম জানি মাটির নীরবতা আশ; সমস্ত ভালবাসা একমুঠো জল- অতঃপর ভালবাসা মানেই সবুজ রাঙা নীরবতা। 20 ভাদ্র ১৪২৮, ০4 সেপ্টেম্বর… [বিস্তারিত]
























