প্রিয়বরেষু জীবন, জন্ম লইবার পর হইতে নানা চড়াই উৎরাই পার হইয়া আজ এক অদ্ভুত বাঁকে আসিয়া দাঁড়াইয়াছি। এই পর্যন্ত আসিবার পথে আমি বহু সংগ্রাম দেখিয়াছি, বহু আনন্দ বেদনার অভিজ্ঞতা লাভ করিয়াছি, বহু সাথী পাইয়াছি, অনেককে হারাইয়াছি। প্রাচুর্যে দিনাতিপাত করিবার পর নিদারুণ অর্থকষ্টে পড়িয়াছি, আবার তাহা হইতে বাহির হইয়া নিশ্চিন্ত সচ্ছলতার শান্তিও উপভোগ করিয়াছি। হোঁচট খাইয়াছি… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
-বাবা গো... আমার বাবা.....আমাকে ক্ষমা করে দিও আমি তোমার অবাধ্য সন্তান।তুমি বলেছিলে,এ দেশে যারা এ দেশের ক্ষতি করবে তারা এক দিন শাস্তি পাবেই.... এক দিন এই বাঙ্গালী জাতিই হিসাব চাইবে,বিচার করবে সব দেশদ্রোহী আর যুদ্ধাপরাধীদের। আমি... তোমার সে দিনের কোন কথাই রাখিনি অবশেষে সেই যে তুমি ঘর ছাড়লে আর এলে না....সারাটা জীবন টাকার নেশায় এতটাই… [বিস্তারিত]
একটা সময় ছিল তুমি ছিলে আমার ছোট্ট ঘরটিতে। আজ তুমি নেই, কিন্ত ঘরটি আজো আছে। সাজিয়ে রেখেছি তোমার মত করে এখনো। সে ঘরটি তুমি আমায় প্রিয়ার মত করে জড়িয়ে ধরে ছিলে আর বলে ছিলে আমায় ছেড়ে যাবে না কখনোই। বাড়ীর আঙ্গিনায় তোমার লাগানো সেই বকুল গাছটা আজ অনেক বড় হয়েগেছে! ফুল ধরতে শুরু করেছে। কিন্তু… [বিস্তারিত]
চল আজ না হয় একটু বন্য হই অন্যরকম আচরণে মাতি মহুয়ার গন্ধে বিবাগী বাতাসে উড়িয়ে দেই শব্দের ভান্ডার জীবন আর সভ্যতাকে ঘিরে বয়ে চলা গল্পের ফাঁকে ফাঁকে বলি দুজনার না বলা কথা। চল আজ আবার শৈশবে ফিরে যাই, বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ তুলি বন্য হাসির উচ্ছলতায় মাঠ কাঁপিয়ে গোধুলী বেলায় ঘরে ফিরি। কুহকী রাতে জোছনা স্নান… [বিস্তারিত]
বাঙালি বাবুদের প্রতি ডোমদের ক্ষোভ রামদাসের বাড়ির উঠান। রামদাসসহ ডোমপাড়ার কয়েকজন একসাথে গোল হয়ে বসে জুয়া খেলছে। সামনেই সান বাঁধানো বটগাছ তলায় একটা শিব মন্দির। সেখানে একটা শিব লিঙ্গ এবং ঘট আছে। কল্কি ঘুরে ঘুরে সিদ্ধি খাওয়া চলছে। রামদাসের ছোট্ট ছেলে গণেশ এস বাবা রামদাসের কাঁধে চড়ে বসে। রামদাস: আস্তে কারকে ধর বেটা চোট লাগোতেতো।… [বিস্তারিত]
যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে, অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে ! ছবি আমার বুকে বেঁধে পাগল হ’লে কেঁদে কেঁদে ফিরবে মর” কানন গিরি, সাগর আকাশ বাতাস চিরি’ যেদিন আমায় খুঁজবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে! স্বপন ভেঙে নিশুত্ রাতে জাগবে হঠাৎ চমকে, কাহার যেন চেনা-ছোঁওয়ায় উঠবে ও-বুকে ছমকে,- জাগবে হঠাৎ চমকে! ভাববে… [বিস্তারিত]
***এই লিখা কাউকে আঘাত করার জন্য নয়। ইহা একটি সম্পূর্ণ ব্যঙ্গধর্মী রম্য রচনা। এর চরিত্র এবং বিষয় বস্তু সম্পূর্ণ কাল্পনিক। বাস্তবে কারো সাথে মিলে গেলে তা শুধুমাত্র কাকতালীয় বলে গন্য করা হবে।*** "হিমুর হাতে একটি সাটায়ার" চৈত্র মাসের ঝাঁঝাঁ রোদ, যাত্রা পথের উদ্যেশ্য ফার্মগেট। বাস দেখলেই মনে হয় মানুষের ভারে এই বুঝি উল্টে গেল। কাজেই… [বিস্তারিত]
আমি জানি তুমি আসবে আমায় আরো কাছে ডাকবে বলবে কথা,শুনবে ব্যাথা বিস্বাসে করি যে বসবাস। আমি জানি তুমি আসবে আমায় আরো ভালবাসবে যত দিন রবো এ ধরণীতে তুমি আর আমি প্রেম ভালবাসার থাকবে না যেন কমতি। আমি জানি তুমি আসবে আমায় আরো সাজাঁবে রজনীগন্ধ্যা কিংবা বেলী ফুলের মালা কালো কেশেঁর খোপার মধ্যাকাশেঁ গুছবে। আমি জানি… [বিস্তারিত]
চায়ের দোকানে বৈষম্য, হরির প্রতি বঞ্চনা গ্রামের সদর রাস্তার পাশে একটা চায়ের দোকানে বসে হারিস মন্ডল সমাজের গণ্যমান্য কয়েকজন সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে চা খাচ্ছে, আড্ডা মারছে। কেটলিতে গরম দুধ। দাউ দাউ করে জ্বলছে লাকরি, গোবর ঘুটে আর তুষের আগুন। হরি চুপচাপ চুলার পাশে দোকানদার গোপালের কাছে গুঁটিশুটি মেরে দাঁড়িয়ে আছে। গোপাল হরিকে দেখেও না দেখার ভান… [বিস্তারিত]
জাগো বাহে কুনঠে সবাই………….. ঐ শোন দূর থেকে দৃপ্ত কণ্ঠ আসছে ভেসে বসে থাকার মতো পর্যাপ্ত সময় এখন আমার হাতে নেই। চারদিকে আজ বুভুক্ষ মানুষের মিছিল, রক্তে রঞ্জিত পিচঢালা পথ সন্তান হারানো মায়ের কান্নায় ভারি হয়ে ওঠে বাংলার আকাশ তারপরেও পিপাসা মেটে না রাক্ষুসী শকুনের আরও তাজা রক্তের আশায় তারা তিক্ষ্ন দৃষ্টি দেয় নাদুস-নুসুদ হয়ে… [বিস্তারিত]
৮ আগস্ট কয় দিন ধরে দেয়াল গুলি খুব বেয়াড়া আচরন করছে। আজ খুব বাড় বেড়েছে। কাপে চা ঢাল ছিলাম হটাত কানের কাছে আমার নাম ধরে এমন চিৎকার দিয়ে উঠলো ... এখন আমি আমার নাম মনে করতে পারছি না, যতবার মনে করার চেষ্টা করছি ততোবার তারা অট্টহাসি দিয়ে উঠছে ... ৯ আগস্ট কবিতা পড়ছিলাম কিন্তু ক্ষুধার… [বিস্তারিত]
'মা' ছোট্ট একটি শব্দ বিশাল তার মর্যাদা সারা পৃথিবীর সেরা সবার প্রিয় মা কখনও সে হয় জননী কখনও হয় জায়া কখনও কন্যা আবার কারো ছায়াঁ। মা' নারী মাতৃত্ত্বের সাফল্যতা একটি জীবনের নতুন পৃথিবী একটি নারীর অসহীয় যন্ত্রনার চরম স্বার্থকতা মানুষ হিসাবে নস্বর দূনিয়ায় নিজেকে যাহির করা। মা' আমার আত্ত্বার শান্তির পরশ বয়ে আনা আমার চলার… [বিস্তারিত]
শ্রীপদ হাঁটতে হাঁটতে যমুনার ঘাটে আসে। শরতের চাঁদ তখন মেঘের আড়ালে লুকিয়েছে। নরমুণ্ডুটা পাশে রেখে নদীর জলে জোনাক আলোতে লাশের কালচে রক্ত মাখা হাত মুখ ধোয় শ্রীপদ। হঠাৎ মেঘের আড়াল থেকে উঁকি মারে শরৎ পূর্ণিমার চাঁদ। জলের উপড় নিজের রক্ত মাখা মুখমণ্ডল দেখে শ্রীপদ ভয়ে চিৎকার করে উঠে। সে চিৎকারের শব্দ প্রতিধ্বনি করতে করতে দূর… [বিস্তারিত]
আকাশে আধো আধো মেঘ জমেছে। বৃষ্টি হতে পারে আজ। অনেকদিন বৃষ্টিতে ভেজা হয়না। ছোট বেলার অভ্যাস গুলো হঠাৎ করে কেমন যেনো উধাও হয়ে গেলো। বর্ষা এলে ভিজতে যাওয়া আর ফুটবল নিয়ে মাঠে ঝাপিয়ে পড়া! সব কিছুই হারিয়ে গেলো। একে একে সবই হারিয়ে যাচ্ছে। আমি নিজেকেও হারিয়ে ফেলছি। সাজানো গোছানো জীবনটা একেবারে এলোমেলো, ছন্নছাড়া হয়ে গেলো।… [বিস্তারিত]
পায়ের কাছে খসখস শব্দ হচ্ছে। জাহেদ চেষ্টা করছে চোখ না খুলতে, কিন্তু চোখ খুলে যাচ্ছে! এর আগেও এরকম হয়েছে। না চাইলেও মাঝে মাঝে হাত-পা, বিশেষ করে চোখ হুটহাট একটা কিছু করে বসে! ব্যাপারটা বিরক্তিকর। এই যেমন এখন, জাহেদ জানে শব্দটা কীসের। পায়ের কাছে গুটিসুটি মেরে কেউ বসে আছে; এটা দেখার জন্যে চোখ খোলার দরকার নেই,… [বিস্তারিত]





