মূল লেখায় যান

সেই সব বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বাঙালীরা কই যারা মনে করেন একাত্তরের যুদ্ধের কোন প্রয়োজন ই ছিল না । যুদ্ধ হয়েছিল দুইটা মুসলিম দেশকে পৃথক করার আর বঙ্গবন্ধু ছিলেন এই ঘটনার ভারতীয় দালাল চরিত্রে !!!! আপনারা তো এমনটাই চেয়েছিলেন না !!!! পাকিস্তানের মত বাংলাস্তানেও জঙ্গী তালেবানের অভয়ারান্য হোক । দেশের ছোট ছোট স্কুল পড়ুয়া বাচ্চাদের ধর্মের নামে… [বিস্তারিত]

আজকের এই দিনে ৯ মাস যুদ্ধ করে দখলদার পাকিস্থানী বাহিনীকে পরাজিত করে মুক্তিপাগল বাঙ্গালী বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন। সর্ব শ্রেনীর বাঙ্গালীরা এই যুদ্ধে অংশ নিয়েছি্লেন। নয় মাস যুদ্ধের পরে ফিরে এসেছিলো মুক্তিযোদ্ধারা বিজয়ের প্রতীক হয়ে। জনতা নেমে এসেছিলো তাঁদেরকে স্বাগত জানাতে।অবাক বিস্ময়ে জনতা অভ্যর্থনা জানিয়েছে সেই সব দেব দূতদের যারা মৃত্যুকে পরোয়া না করে দেশকে বিজয়… [বিস্তারিত]

ছেলেবেলার বিজয়দিবস । ছেলেবেলার স্মৃতিময় সময়টা সবচেয়ে বেশী নষ্টালজিক । সুযোগ পেলেই সবাই একবার ঘুরে আসতে চায় স্বর্ণালী অতীতে । ছেলেবেলায় বিজয়দিবসে আমাদের কয়েকদিন আগে থেকেই বিভিন্ন প্লান থাকত তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে রাতে ফুল চুরি করা । কোন কোন বাড়ি থেকে রাতে ফুল চুরি হবে সেটা আগেই সিলেক্ট করা থাকত । যদিও অত্যধিক সাহসের কারণে… [বিস্তারিত]

একাত্তরে এক কঠিন ঐক্য আর জাতীয় চেতনাবোধ ছিল বাঙালীর মননে। এই চেতনাবোধ আমাদেরকে ধর্মীয় পরিচয়ের উর্ধ্বে উঠে বাঙালী করে তুলেছিলো। চেতনাবোধের সে স্ফুলিঙ্গ আগুন ধরিয়েছিলো বাঙালীর মননে। যার ফলে প্রবল পরাশক্তির শতভাগ সমর্থন থাকার পরও পাকবাহিনীর ইজ্জত মুক্তিবাহিনীর কাছে অসহায় আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে লুটিয়ে পড়েছিল তাসের ঘরের মতো। চেতনাবোধের সে জাদুস্পর্শ ছুঁয়ে গিয়েছিলো দেশ-দেশান্তরে ছড়িয়ে… [বিস্তারিত]

মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যের কথা তুললে প্রথমেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ঢাকার ‘অপরাজেয় বাংলা’র ছবি। তারপর বহু ভাস্কর্য হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয় নিয়ে। নগরীর মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যগুলো দেখলেই একাত্তরের ৯ মাসের ঘটনার চাক্ষুস দেখা মেলে। এসব ভাস্কর্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে বাঙালির প্রতিবাদ, মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি, ত্যাগ, তিতিক্ষা, গতি-উদ্যমের প্রতীক, বীরত্ব, গণ হত্যা সহ অসংখ্য চিত্র। যা বর্তমান প্রজন্মকে… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

মালিটোলার নাদের। নাদের ছিল গুন্ডা, পুরান ঢাকার গুন্ডা। আজকের দিনের ছ্যাচরা মাস্তান না। নাদের গুন্ডা দেখিয়েছিল এই দেশের জননীরা কাপুরুষ জন্ম দেয়না, জন্ম দেয় নাদেরের মতো দুঃসাহসী বীর। মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানীদের আতঙ্ক নাদেরের অসীম বীরত্বগাথা আজ খুব কম লোকেরই জানা। বংশালের বয়োবৃদ্ধ প্রাচীন লোকেরও ভাসা ভাসা মনে করতে পারেন সেই সময়ের কাহীনি। সুসজ্জিত পাকিস্তানী আর্মি ও… [বিস্তারিত]

ডিসেম্বর মাস এলেই আমরা দেখি আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে দেশপ্রেমটা মনে হয় একটু বেড়েই যায়।। কত জনে কত কিছু করে, অনেকে ফেইসবুকের প্রোফাইল পিকচার চেইঞ্জ করে, কাভার পিকচার চেইঞ্জ করে আরো কত কি।। কিন্তু একটাবার কেউ চিন্তা করেছেন আপনার ব্যাবহার করা গুগল ক্রম ব্রাউজারের থিমটা যদি আমাদের এই বাংলাদেশের পতাকার থিমে পরিবর্তন করা যায়?? আইডিয়াটা… [বিস্তারিত]

"Sir, I owe my allegiance to Bangladesh and not to Pakistan. I want to resign from my service." বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের দাফন হয়েছিলো পাকিস্তান করাচির মাসরুর বেসের চতুর্থ শ্রেণীর কবরস্থানে। কবরের সামনে লেখা ছিলো- 'ইধার শো রাহা হ্যায় এক গাদ্দার'। প্রায় ৩৫ বছর ওখানে ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান। ফ্লাইট ল্যাফটেনেন্ট মতিউর রহমান শহীদ হবার… [বিস্তারিত]

যদি রাত পোহালে শুনা যেত বঙ্গ বন্ধু মরে নাই.............. কেউ বলুক আর নাই বলুক তুমিই বঙ্গ বন্ধু,বাংলাদেশের জাতির পিতা কেউ মানুক আর নাই মানুক তুমিই বঙ্গের জন্মদাতা। যুগে কালে ভাদ্রে জন্মেছে এমনি নেতা যার হাত ধরে, উঠে ,অন্ধকারে নিমজ্জিত জনতা শেখ মুজিব, সেই তুমি না ধরলে হাল পেতো না স্বাধীনতা। এইতো হাতে গণা আর মাত্র… [বিস্তারিত]

মোবাইলে ওয়াজ চলছিল । ওয়াজের সব বক্তাই যে উস্কানীমূলক বক্তব্য দেন তা নয় । কেউ কেউ হাসান হোসেন সহ নবীর বিভিন্ন বেদনা ময় ঘটনা এমন ভাবে উপস্থাপন করেন যে বক্তা শ্রোতা উভয়ই আবেগে আপ্লুত হয়ে কেঁদেই ফেলেন । । ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য ত্যাগের কথা শুনে তাঁরা কঠিন সংকল্প বদ্ধ হন , যে কোন মূল্যে প্রয়োজনে… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট ক্র্যাক প্লাটুনের তেজী মুক্তিযোদ্ধা আজাদকে পাকিস্তানী সেনারা ধরে নিয়ে গিয়ে রাখে রমনা থানায়। আজাদের মা ছেলের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বলেন বলেন, “শক্ত হয়ে থেকো বাবা। কোন কিছু স্বীকার করবে না।” প্রতিজ্ঞা করে আজাদ মায়ের কাছে । আজাদ তখন মার কাছে ভাত খেতে চায়। মা ভাত নিয়ে এসে ছেলেকে আর পায়নি।… [বিস্তারিত]

বীরাঙ্গনা-১

মারজানা ফেরদৌস রুবামুক্তিযুদ্ধ৩১টি মন্তব্য

১৯৭১ সালে ৯ মাস ব্যাপী যুদ্ধকালীন সময়ে পাকবাহিনী দ্বারা ধর্ষিত বীরাঙ্গনাদের করুণ পরিণতির পেছনে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছিলো এদেশেরই কিছু লোক রাজাকার-আলবদররা। তাদের সাহায্য নিয়েই মিলিটারিরা অসহায় নারীদের উপর তাণ্ডব চালিয়েছিলো, যে তাণ্ডবের যন্ত্রণা তাঁরা আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন। শ্রীপুরের বীরমাতা মমতাজ গর্ভাবস্থার নয় মাস চলাকালীন সময়ে আট পাকিস্তানি সৈন্য কর্তৃক ধর্ষিত হন। যার ফলে জরায়ু ও… [বিস্তারিত]

হেমন্তের শান্ত বিকেল। পিনপতন নীরবতা মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের গ্যালারিতে। দেয়ালে স্বাধীনতা যুদ্ধের চিত্র। পাকিস্তানি হানাদারদের নির্মম অত্যাচারে নির্যাতিত নারী। ক্ষুধার্থ শিশুর আঁকড়ে ধরা মায়ের শূন্য বুক। গণকবরে গলিত লাশ। চুপচাপ দেখছিলেন এক নারী। বুকের ভেতরে লুকিয়ে থাকা কষ্ট যেন চেপে রাখতে পারলেন না। হাউমাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়লেন। বললেন, আমি তো বাংলাদেশেরই নাগরিক। আমাকে কি একটা… [বিস্তারিত]

এটি কোন ওয়েস্টার্ন মুভির স্থির চিত্র নয়। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধাপরাধীদের প্রকাশ্যে ফাঁসী। সর্বস্তরের জনগনের সামনে এই অপরাধীদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। নারী বলে সামান্য সহানুভূতি এদের প্রতি দেখানো হয়নি। খুবই সংক্ষিপ্ত বিচার প্রক্রিয়ার মধ্যে বিশেষ আদালত এদের শাস্তি প্রদান করেন। এরপর ফাঁসীতে ঝুলিয়ে দেয়া। এই নারীরা একটি কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্পের গার্ড ছিল। বিশেষ… [বিস্তারিত]

মায়ের বিজয়

মনির হোসেন মমিকবিতা, মুক্তিযুদ্ধ২০টি মন্তব্য

এই সেই মাস খামছে ধরা শকুনের কু-কর্মের প্রতিবাদ বোনের ইজ্জতের বদলা ভাইয়ের রক্তের প্রতিশোধ। এই সেই মাস হঠাৎ কালো রাতের বর্বরতম হামলার পরিচয়হীন ভূমিষ্ট শিশুর কান্নার প্রতিদান বীর শহীদদের জানাই রক্তাক্ত লাল সালাম। এই সেই মাস কন কনে শীতে বাংলা মায়েদের সন্তান কোলে-কাধে নিয়ে বয়ে বেড়ানো, নিরাপত্তায় ছুটা মায়েদের আতংকীত দৃষ্টির বদলা। এই সেই মাস… [বিস্তারিত]