ছবি তোলা আমার শখ। এই শখটা পূরনের জন্য জীবনে অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতাও অর্জন করেছি। বেশীর ভাগ পাখির ছবির জন্য ঢাকার বাহিরে যেতে হয়। যখন কোন অজানা অচেনা গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হই তখন কোন চিন্তা থাকে না, কোথায় থাকবো? কি খাবো? ইত্যাদি ইত্যাদি। ক্যামেরা ব্যাগ কাঁধে নিয়ে বের হয়ে পড়ি। গন্তব্যের বাস বা ট্রেন ধরে যাত্রা… [বিস্তারিত]

শামীম চৌধুরী
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৭ বছর ৬ মাস ১৩ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ১৫৪টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ২৭৬১টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৯০৪টি
কটকা জামতলার খালে নৌকায় ঘুরছি। চোখের নজর দুইধারের গাছ-গাছালিতে। কখন কোন পাখি টুপ করে বসে সেই লোভটাই কাজ করছে। সবুজাভ প্রকৃতির সঙ্গে মিশে আছে সু্ন্দরী,কেওড়া, গড়ান ও গোলাপাতা গাছ। চোখ ফেরানো অসম্ভব। ভোরের সূর্যের আলো সেই সুবাজাভের রূপ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। গাছের ফাঁকে ফাঁকে হরেক প্রজাতির পাখির কিচিরমিচির শব্দ যেন তানপুরার সূরকেও হার মানায়। সব… [বিস্তারিত]
ছুটি বা অবসর সময় পেলেই ছুটে যাই বনে। রাজধানী ঢাকার খুব দূরে নয়। ফলে হবিগঞ্জ জেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান আমার খুব প্রিয় একটি জায়গা। হবিগঞ্জের রাতের বাস ধরে খুব ভোরে পৌঁছানো যায় সেখানে। ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসের শেষের দিকে রওনা হলাম সাতছড়ির উদ্দেশ্যে। খুব ভোরে নেমে পড়লাম জগদীশপুর মোড়ে। ভোরের আলো ফোটার পর একটি সিএনজি… [বিস্তারিত]
রাজধানী ঢাকা শহরের পাশেই পূর্বাচল, জায়গাটি ৩০০ফিট হিসেবেও পরিচিত। ছবি তোলার জন্য খুব ভোরে রওনা হলাম পূর্বাচল। কুড়িল ফ্লাইওভার অতিক্রম করে বসুন্ধরার পাশ দিয়ে পূর্বাচল বালুর ব্রিজ পার হলেই বাঁ দিকে রাজউকের পূর্বাচল প্লট। কোনো জনবসতি নেই। সারি সারি বৈদ্যুতিক খুঁটি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। তার নিচে স্থানীয় এলাকাবাসী নানা ধরনের সবজির বাগান করেছেন।… [বিস্তারিত]
সুন্দরবনকে প্রকৃতির রানী বললে ভুল হবে না। কেওড়া আর গোলপাতায় ঘেরা সুন্দরবন। ‘আমাদের সুন্দরবন’ বইয়ের লেখক ফরিদী নুমান সুন্দরবনের বর্ণনা এভাবে দিয়েছেন যে, বিশাল, বৃহৎ, বিস্তীর্ণ, নীরব, নিথর, নিস্তব্ধ, শ্বাপদ-সংকুল ভয়াল, রোমঞ্চকর, চির রহস্যাবৃত এক বন। পৃথিবীর বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন সুন্দরবন। সাধারণের কাছে বাদাবনখ্যাত এই বন সত্যিই অনুদঘাটিত এক রহস্যের নাম, অপার বিস্ময়! অসম্ভব-অস্বাভাবিক রূপের… [বিস্তারিত]
জাহাজে দুপুরের খাবার খাচ্ছি। সুন্দরীখালের উদ্দেশ্যে জাহাজ চলছে । খাবার শেষে কিছু ফল দিলো। সবাই আড্ডায় মশগুল। জামতলায় কারা কি ছবি পেলাম সেটা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। যারা বাঘ দেখেছিলেন তারা তাদের ভয় পাবার কারন ব্যাখ্যা করছেন। জাহাজ হুইসেল বাজিয়ে চলছে। আমি আড্ডা থেকে বের হয়ে ক্যামেরা নিয়ে ডেকের সামনে দাঁড়ালাম। দুই ধারের গাছ-গাছালি… [বিস্তারিত]
খুব ভোরে সমুদ্রের ঢেউয়ের নৃত্যের শব্দে আর পাখির কলতানে ঘুম ভাঙ্গলো। প্রাকৃতিক কাজ শেষে প্রস্তুত হলাম কটকায় জমতলা যাবার জন্য। এরি মধ্যে আমাদের খেদমতে থাকা জাহাজের বয় ইমরান চা/কফি ও বিস্কুট দিয়ে গেলো আমাদের কেবিনে। চা পান করে আমরা সবাই একত্রে নৌকায় বসলাম। দশ মিনিটে নৌকা জামতলার পল্টুনে ভিড়লো। আমরা সবাই নৌকা থেকে নেমে পল্টুনের… [বিস্তারিত]
সুন্দরবনকে প্রকৃতির রানী বললে ভুল হবে না। কেওড়া আর গোলপাতায় ঘেরা সুন্দরবন। ‘আমাদের সুন্দরবন’ বইয়ের লেখক ফরিদী নুমান সুন্দরবনের বর্ণনা এভাবে দিয়েছেন যে, বিশাল, বৃহৎ, বিস্তীর্ণ, নীরব, নিথর, নিস্তব্ধ, শ্বাপদ-সংকুল ভয়াল, রোমঞ্চকর, চির রহস্যাবৃত এক বন। পৃথিবীর বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন সুন্দরবন। সাধারণের কাছে বাদাবনখ্যাত এই বন সত্যিই অনুদঘাটিত এক রহস্যের নাম, অপার বিস্ময়! অসম্ভব-অস্বাভাবিক রূপের… [বিস্তারিত]
কর্ম জীবনে রাজশাহীতে বেশ কয়েকবার গিয়েছি। কিন্তু পাখির ছবি তোলার জন্য প্রথম রাজশাহী যাই ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে। পরিপাটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন একটি শহর। বাস বা রেল স্টেশন থেকে নেমে শহরে প্রবেশ করলে মনে হবে প্রকৃতিতে ঘেরা ও ছিমছাম নান্দনিক একটি শহর। কোথাও ময়লার স্তুপ নেই। সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় হচ্ছে যানজট মুক্ত একটি শহর। সেই… [বিস্তারিত]
দুষ্ট প্রকৃতির শিশু-কিশোরদের কাজই হচ্ছে খেলার ছলে নিজেদের মাঝে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়া। কিন্তু তারা নিজেরাই বুঝে না তাদের খেলার আনন্দ কারো জীবনাবসানের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। জুন মাসের ৮ তারিখে গিয়েছিলাম নীললেজ সুঁইচোরা পাখির ছবি তোলার জন্য ময়মনসিংহের বরুরা গ্রামে। সেখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ মোড় থেকে কিছুটা পথ নৌকায় যেতে হয়। নৌকায় বসেই দেখতে… [বিস্তারিত]
পাখির ছবি তোলার শুরুর পর থেকে নানান প্রজাতির পাখি দেখেছি। একেক পাখির একেক রকম বৈশিষ্ট্য আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমার ফটোগ্রাফি লাইফে এটি বড় একটি অর্জন। আমার কাছে পাখির ছবি তোলার চেয়ে, খালি চোখে পাখি দেখার আনন্দ বেশি মনে হয়। নানান বর্ণিল রঙে পাখির পালক সুসজ্জিত থাকে। কারো সঙ্গে কারো রঙের মিল খুঁজে পাওয়া যায় না।… [বিস্তারিত]
কল্পনা-৯ অনেক চেষ্টা করেও বাবাকে ঢাকায় আনতে পারেনি রহিম। যতবার বাবাকে অনুরোধ করেছে ততোবার কুদ্দুস বয়াতীর সোজা-সাপ্টা উত্তর ছিলো- ”তোর মারে ঈদের আগে বাড়িত পাডায় দে”। রহিম ছোটবেলা থেকে চুপচাপ থাকতে পছন্দ করতো। বাড়িতে কোন অনুষ্ঠান হলে রহিম অন্য ঘরের দরজা বন্ধ করে বই পড়ছে। খুব মেধাবী ও পড়ুয়া ছাত্র ছিলো রহিম। বিসিএস এডমিন ক্যাডারে… [বিস্তারিত]
‘ডোরামাথা রাজহাঁস’ বা ‘বাদিহাঁস’ বা ‘রাজহাঁস’ Anatidae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি জলচর পাখি। যার দৈর্ঘ্য আকারভেদে ৭২-৭৫ সে.মি. এবং ওজন দেড় কেজি থেকে প্রায় সোয়া তিন কেজি। এরা একটাই প্রজাতি এবং এদের কোনো উপপ্রজাতি নেই। এদের শরীর দেখতে অনেকটা ধূসর বর্ণের। সাদা মাথা থেকে সাদা একটি লাইন গলার নিচ পর্যন্ত নেমে গেছে। মাথায় দুটি কালো দাগ… [বিস্তারিত]
কল্পনা-৮ রহিম হাসপাতাল থেকে ফারাহকে বাসায় নিয়ে এসেছে। সবাই এখন রহিমের বাসায় ফারাহ’কে ঘিরে। বানু ও রাহিমের মা’কে ফারাহ নিজ উদ্দোগে তার বাসায় নিয়ে আসে। কদ্দুস বয়াতীর কথা স্মরন হওয়ায় রহিমের মা অরাজি ছিলো ছেলের বাসায় যেতে। কিন্তু ফারাহ’র অনুরোধ,আকুতি-মিনতি ও শ্রদ্ধাভরা ভালোবাসায় মলিন হয়ে রহিমের বাসায় আসতে বাধ্য হলো বানু ও তার মা’। জলিল… [বিস্তারিত]
সিংহরাজ পাখিটির সঙ্গে ২০১৫ সালে প্রথম পরিচয় হয় কাপ্তাই ফরেস্টের বড়ছড়ায়। আমরা বেশ কয়েকজন ফটোগ্রাফার পাখির ছবি তোলার জন্য ঢাকা থেকে কাপ্তাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হই। বড়ছড়ায় প্রবেশ মুখে আনসার ক্যাম্প। ক্যাম্পের প্রবেশ মুখে আনসারদের সতর্কবাণী ছিলো বন্যহাতীর উপদ্রব সম্পর্কে। আমরা যাওয়ার কয়েকদিন আগে বন্যহাতীর তাড়ায় স্থানীয় একজন মারা যান। খবরটা শুনেই গা শিরশির করে ওঠে।… [বিস্তারিত]















