এক এক করে খুলে ফেলছি বুকের ছাতি কবিতার ভেতর বারংবারই আমি ভুল পথে হাঁটি। ভুল মানুষের সাথে সখ্যতা হয়, দু'দণ্ড জিরোই তার বুকের উঠোনে। ঠান্ডা জল পান করি অজলা ভরে, খানিক বাদে সে মুচকি হাসে, বলে - পথিক এতো জল নয় বিষ, এখনি শুরু হবে তার ক্রিয়া। আমি নির্বাক চোখে তাকিয়ে থাকি উঠুনে বেড়ে উঠা… [বিস্তারিত]

মনিরুজ্জামান অনিক
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৫ বছর ৭ মাস ১৯ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৭৩টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ২২২টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ২৯৫টি
প্রিয় পোস্টঃ ৩টি
চুপচাপ ঘুমিয়ে আছে মেয়েটি। চুলগুলো বাতাসে উড়ছে,বাড়ি খাচ্ছে ঠোঁটে। চশমাটা পড়ে আছে,নিথর দেহের বুকে। কি নিষ্ঠুর সুন্দর ভাবে ঘুম গুলো ফুল হয়ে ফোটে, চোখের কার্নিশে। মেয়েটি ঘুম ভালোবাসে,আমি তার বিধ্বস্ত প্রেমিক। আমি মেয়েটির ঘুম হলাম। কিনে নিলাম বাদলা দিনের ওম। নিশ্চিতে ঘুমুচ্ছে,অনাদিকাল অব্দি সে ঘুমুবে, ঠান্ডা হাওয়ার সে ঘুম। আমি তার চোখে ঘুম হয়ে জেগে… [বিস্তারিত]
উত্তাল সমুদ্রে লুকিয়ে থাকা শামুকের মতো আমিও লুকিয়ে গেলাম। সকাল,সন্ধ্যা, রাত কোন কিছুই টের পাইনা আর। না কোন ঘাত,না প্রতিঘাত। পৃথিবীতে সবচেয়ে ক্ষতিকর জেনেছি - মানবের দুটি হাত। খোলসের ভেতর এক শ্বাসে পাড়ি দেবো জীবন, হঠাৎ যখন মৃত্যু ফেরেস্তা এসে দাঁড়াবে দুয়ারে, প্রসন্ন চিত্তে আমার লজ্জিত দু'টো হাত বাড়িয়ে বলবো তাকে, আমাকে গ্রহণ করো। ফেরেস্তার… [বিস্তারিত]
তুমি হলে একটা কবিতার বই। যার প্রচ্ছদ গাঁদা ফুলের মতো হলুদ। তোমার সূচীপত্র পড়তে পড়তেই আমার কেটেছিলো গত জন্ম। তারপর... দীর্ঘ বিরতি, রিফিউজি মন। ঘূর্ণি বায়ুতে সাঁতরে পাড়ি দিলাম একটা জীবন, গ্রহের গতিপথ বদলালো, আমরাও বদলালাম। কিন্তু, গত জন্মের হলুদ ফুলের প্রচ্ছদে প্রস্ফুটিত কবিতার বইটি এখনো মনে জেগে আছে। এ জন্মে কবিতাগুলো পড়তে চাই, তোমাকে… [বিস্তারিত]
হাতকড়া পড়াও প্রভু হাত দুটো কেটে ফেলো। আঙুলগুলো ভীষণ যন্ত্রণা দেয়, লিখে ফেলে বারবার কিভাবে ঘাসগুলো শাদা হয়ে যায়, কিভাবে বুটের নীচে চাপা পড়ে শুষ্ক মুখ-মানবতার। আমায় ঘুমুতে দেয়না, আমি ঘুমুতে পারিনা কভু। আঙুলগুলো কেটে ফেলো প্রভু, আমাকে বাঁচাও। একেক করে সবকটি- গাছের ডালের মতো দশটি আঙুল রক্তে ভিজে যাক বুক পকেট, শাদা পৃষ্ঠা, ভিজে… [বিস্তারিত]
আজ কোথাও যাবো না ভেবে এলিয়ে দিয়েছি শরীর উন্মুক্ত ফ্লোরে। বিছানা, টেবিলে নির্বিকার পড়ে আছে কবিতার বইগুলো। মাথার উপর ফ্যান ঘুরছে সাঁ সাঁ শব্দ করে। খানিক বাদে বাদে তুমি এসে পড়ো - মন ও মগজে। অসাড় দেহটা পড়ে আছে অথচ সে ক্লান্ত নয়, মন ভীষণ ভাবে ক্লান্ত। শতদল মৌমাছি উড়ে যায় হলুদ সর্ষে ক্ষেতে মন… [বিস্তারিত]
হাঁটি, হাঁটতে কোন ক্লান্তি আসেনা। কবি থেকে কেরানি বা কেরানি থেকে কবি হতে গেলে ডোরা সাপের মতো শুধু চামড়া পাল্টে নিতে হয়। সারাদিন কাগজে খসখস শব্দে হিসেব কষি - নিজের, অফিসের, পৃথিবীর। এই সময়টায় কোন প্রজাপতি ফুল ভালোবেসে এ তল্লাটে আসেনা। এ সময়টায় পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে ফিরে ক্ষুধার্ত হায়েনা। কোন নরম খরগোশের আকাঙ্খায় বিভোর তাদের… [বিস্তারিত]
এক ঝাঁক শালিকের ভীড়ে জেগে থাকা একলা কাক...! শালিক পুষে মানুষ ..আদরে, প্রেমিকাকে শালিকের উত্তরসূরী বানায় প্রেমিক, যদিও শালিক উড়তে জানে, উড়ে যায় দূরে। কাক তবুও থাকে, রাস্তাঘাটে.. অলিতে-গলিতে, শশ্মাণ কিংবা কবরে। এক ঝাঁক শালিকের ভীড়ে একা কালো কাক..! উড়ে যায়, যাক উড়ে যাক। প্রাচীর ভাঙা উর্ধ্বশ্বাসে ডানা ঝাপটিয়ে বেঁচে আছে, বেঁচে থাক। একা কালো… [বিস্তারিত]
কাছে এসো, আরো কাছে। বুকের পাশে। জড়িয়ে ধরো, জোরে, আরো জোরে। পেঁচিয়ে যাক শরীর শিমগাছ যেভাবে পেঁচিয়ে থাকে মাচার উপরে। হাতে হাতে গুঁজে ঠোঁটে ঠোঁট ভিজিয়ে চুম দাও। এক শ্বাসে পৌঁছে যাও যৌবনা সমুদ্রে। আমি ধীর পাহাড়ের মতো খুলে দিবো সবুজ সময়। ভুলে যাবো বাকি সব, প্রেম ছাড়া যতো উৎসব, জয়-পরাজয়। খুল, দুয়ার খুল। যৌবনা… [বিস্তারিত]
রক্ত পুড়িয়ে রান্না করতে শেখো, তেলের চেয়ে রক্তের দাম কম আপাতত। হা হা হা! হাসছো কেনো? ভাবছো রক্ত পুড়ালে দম উড়ে যাবে? যাক না তবে! তাতে কার কি যায় আসে, বাঁচতে তো হবে। গিন্নি, তুমি কি নিশ্চত করে বলতে পারবে! রাস্তায় বেরোলে ঠিকঠাক ঘরে ফিরতে পারবো প্রাণ নামক বস্তুটি পকেটে পুরে, গিন্নি, চোখ নামিয়ে ফেলে,… [বিস্তারিত]
আমাদের একবার দেখা হওয়া উচিৎ। খুব বেশী আড়ম্বরতা নয়। স্রেফ সাধারণ। যেভাবে দেখা হয়ে যায় মাঝেসাঝে জেব্রা ক্রসিং- এ দাঁড়িয়ে থেকে শৈশবের হ্যালুসিনেশন।। এককাপ চা খাওয়া যেতে পারে, বয়সের ভারে কথাগুলো জড়িয়ে গেলেও ক্ষতি নেই। দেহের বয়স বাড়ে, চোখের!? চোখ না হয় বুঝে নিবে কথার শরীর অল্পতেই।। একবার দেখা হওয়াটা জরুরী। একবার বুক ভরে শ্বাস… [বিস্তারিত]
তোমাকে ভুলার জন্য বেঁচে নিলাম কবিতা। আমার মাথার শিওরে বসে থাকে - আব্বাস কিয়ারোস্তামি, ইমরা উল কায়েস, জাক প্রেভে, শক্তি চট্টোপাধ্যায় সহ আরো অনেকে। সারারাত জেগে উনাদের সাথে আলাপ করি, রাত গাঢ় হলে,পাশের বনে শেয়ালের কোলাহল উঠে। বুকের ভেতর বিঁধে যায় মিশরের নীরবতা - জানালা খুলে দেখি দূরে কে যেন সাওয়ার হয়েছে উটের পিঠে, জোৎস্না… [বিস্তারিত]
গত রাতে ওরা এসেছিলো... দরজায় ঠক,ঠক শব্দ। কে? আমরা। আমরা কে? কোন উত্তর নেই। আমি বিচলিত হই... ..... লাফিয়ে উঠি বিছানা ছেড়ে। টেবিলে রাখা জগ থেকে পানি ঢেলে ঢকঢক করে গিলি এক-শ্বাসে। চশমাটা চোখে দিয়ে, এক পায়ে জুতো আরেক পা খালি.. .. .. আমি দরজার পাশে যাই। দরজার ও পাশে দাঁড়ানো বাংলার বর্ণমালা- রফিক, সালাম,বরকত… [বিস্তারিত]
অনেকদিন পর তাহিরপুর এলো রুকু। বাবার সাথে নয় হাজবেন্ডের সাথে। একমাস হলো রুকুর হাজবেন্ড ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে এই উপজেলায় জয়েন করেছে। তাহিপুরের সবকিছু রুকুর চেনা।ওর শৈশব কেটেছে এখানে। তাহিরপুরে পা রাখতেই রুকুর মনে হলো সে যেনো শৈশবে ডুকে গ্যাছে। পুরো শৈশব কেমন যেনো ছবির মতো চোখের সামনে ভেসে উঠছে। তাহিরপুরেই রাশেদরা থাকতো। রাশেদ তার তিনবছরের সিনিয়ার।… [বিস্তারিত]
প্রিয়তমা, একবার এসে আমার কপালে হাত বুলিয়ে দাও। এই মৃত্যুর জংশনে দাঁড়িয়ে নিজেকে কেমন একা লাগছে। চারপাশে এতো কোলাহল,এতো চিৎকার চেঁচামিচি তবুও আমি একা।। তোমাকে ছাড়া রাতের ঢাকা ঘুমিয়ে পড়েছে। অথচ তার জেগে থাকার কথা ছিলো। তার শরীরে মাছির মতো উড়ার কথা ছিলো লোডেড ট্রাক,দিনাজপুর থেকে কাঁচা মাল ভর্তি একটা পিকআপ,ডাকের গাড়ি। সদরঘাট থেকে রিকসায়… [বিস্তারিত]














